নাটোরে আ.লীগ নেতাকে কোপালেন যুবদল নেতা

নাটোরে আ.লীগ নেতাকে কোপালেন যুবদল নেতা
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোর সদর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবদল নেতার নাম শাহীন আলম। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
আহত খোকন ভূঁইয়া সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
স্বজনরা জানায়, খোকন ভূঁইয়াকে তার নিজ বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসী জানায়, খোকন ভূঁইয়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল বাতেন ভূঁইয়ার ছেলে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ২০২৩ সালে এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে খোকন ভূঁইয়া অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খোকন ভূঁইয়া এলাকা ছেড়ে চলে যান।
সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে তিনি নিজ বাড়িতে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাতে শাহীন আলম একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে খোকন ভূঁইয়ার বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। এসময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে শাহীন ও তার সহযোগীরা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত খোকনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত ঘোষ গণমাধ্যমকে বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোগীর মাথা, হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

নাটোর সদর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবদল নেতার নাম শাহীন আলম। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
আহত খোকন ভূঁইয়া সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
স্বজনরা জানায়, খোকন ভূঁইয়াকে তার নিজ বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসী জানায়, খোকন ভূঁইয়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল বাতেন ভূঁইয়ার ছেলে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ২০২৩ সালে এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে খোকন ভূঁইয়া অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খোকন ভূঁইয়া এলাকা ছেড়ে চলে যান।
সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে তিনি নিজ বাড়িতে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাতে শাহীন আলম একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে খোকন ভূঁইয়ার বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। এসময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে শাহীন ও তার সহযোগীরা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত খোকনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত ঘোষ গণমাধ্যমকে বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোগীর মাথা, হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

নাটোরে আ.লীগ নেতাকে কোপালেন যুবদল নেতা
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোর সদর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবদল নেতার নাম শাহীন আলম। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
আহত খোকন ভূঁইয়া সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
স্বজনরা জানায়, খোকন ভূঁইয়াকে তার নিজ বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসী জানায়, খোকন ভূঁইয়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল বাতেন ভূঁইয়ার ছেলে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ২০২৩ সালে এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে খোকন ভূঁইয়া অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খোকন ভূঁইয়া এলাকা ছেড়ে চলে যান।
সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে তিনি নিজ বাড়িতে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাতে শাহীন আলম একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে খোকন ভূঁইয়ার বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। এসময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে শাহীন ও তার সহযোগীরা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত খোকনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত ঘোষ গণমাধ্যমকে বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোগীর মাথা, হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।




