কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা: ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড

কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা: ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানের আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ড শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওমর কাইয়ুম গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে আসামিদের প্রত্যেকের ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন– প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফার, সাবেক ইউপি সদস্য আহমদ আলী ওরফে আহমদ দেওয়ান, মো. ইমরান দেওয়ান ও মো. আইয়ুব। তারা সবাই সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর আগে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনাকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নামে মাধবদী থানায় মামলা করেন। টানা তিন দিনের অভিযানে এজাহারনামীয় ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুক্রবার রাতে গাজীপুরের মাওনা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানের আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ড শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওমর কাইয়ুম গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে আসামিদের প্রত্যেকের ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন– প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফার, সাবেক ইউপি সদস্য আহমদ আলী ওরফে আহমদ দেওয়ান, মো. ইমরান দেওয়ান ও মো. আইয়ুব। তারা সবাই সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর আগে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনাকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নামে মাধবদী থানায় মামলা করেন। টানা তিন দিনের অভিযানে এজাহারনামীয় ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুক্রবার রাতে গাজীপুরের মাওনা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা: ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানের আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ড শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওমর কাইয়ুম গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে আসামিদের প্রত্যেকের ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন– প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফার, সাবেক ইউপি সদস্য আহমদ আলী ওরফে আহমদ দেওয়ান, মো. ইমরান দেওয়ান ও মো. আইয়ুব। তারা সবাই সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর আগে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনাকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নামে মাধবদী থানায় মামলা করেন। টানা তিন দিনের অভিযানে এজাহারনামীয় ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নরসিংদী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। শুক্রবার রাতে গাজীপুরের মাওনা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।




