শিরোনাম

সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের নির্দেশ মানছে না মনোহরদীর দোকান মালিকরা

মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি
সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের নির্দেশ মানছে না মনোহরদীর দোকান মালিকরা
মনোহরদীতে রাত ৯টায় খোলা দেখা গেছে দোকানপাট। ছবি: প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের কথা থাকলেও তা মানছেন না অধিকাংশ দোকানি। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে মনোহরদী সদর, হাতিরদিয়া, চালাকচরসহ কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র।

রাত ৯টার পর অধিকাংশ দোকানের শাটার ছিল খোলা। ক্রেতাদের ভিড়ে বাজার ছিল কর্মচঞ্চল। আলোকসজ্জায় ঝলমলে পরিবেশে বেচাকেনা চলে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে।

অন্যদিকে মাজারে ওরস ও মেলার নামে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে আলোকসজ্জা-গান। সন্ধ্যা ৭টার পর প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সব দোকানকে সরকারি নির্দেশনা মেনে সময়মতো বন্ধ এবং নিজ কর্মস্থল ও বাসায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে বলা হয়েছে। সরকার জানায়, যারা নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যাতে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।

মনোহরদী বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, সরকার নির্ধারণ করে দেওয়া সময় অনুযায়ী কোনো ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করেন না। এ কারণে আমিও খোলা রাখি। সবাই দোকান বন্ধ করলে আমরাও করবো।

সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, সমন্বিত তদারকি আর কঠোর বার্তার অভাবেই এই বিশৃঙ্খলা। তারা বলছেন, সরকারি আদেশ হওয়ার পর মাঠ পর্যায়ে বা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রশাসনের কার্যকর কোনো বৈঠক বা প্রচারণা করতে দেখা যায়নি। প্রথম দিন থেকে যদি ভ্রাম্যমাণ আদালত বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকতো, তবে এই ঢিলেঢালা ভাব আসতো না।

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, সরকারি নির্দেশনা মেনে দোকানপাট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/টিই/