রমজানেও গ্যাস সংকট কাটছে না ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে

রমজানেও গ্যাস সংকট কাটছে না ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র রমজানের শুরুতেই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। দুই শহরের অনেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ থাকে না বললেই চলে। এতে নগরের অনেক পরিবার রাতের খাবার ও সাহরি নিয়ে পড়ছে অনিশ্চয়তায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে নিম্নবিত্ত পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে ঢাকার মগবাজার, মধুবাগ, খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, বনশ্রী, মোহাম্মদপুর এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সরবরাহ নেই বললেই চলে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গলাচিপা, আমলাপাড়া, খানপুর, মিশনপাড়া, মাসদাইর, দেওভোগ এলাকায়ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। আকস্মিক এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে শহরের শত শত পরিবার।
বেশিরভাগ গ্রাহক জানিয়েছেন, দিনে মাত্র এক-দুই ঘণ্টা গ্যাস পাওয়া যায়, তা-ও সাধারণত গভীর রাতে বা ভোরে। গ্যাস না পেলেও মাসিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আবার চড়া দামেও এলপিজি সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যাচ্ছে না।
মগবাজারের বাসিন্দা স্বপ্না বেগম বলেন, ‘গ্যাসের সংকট আগেও ছিল। রমজানের শুরুতে এই সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাজারে সিলিন্ডার গ্যাসেরও সংকট। আমরা যাবো কোথায়? কর্তৃপক্ষ দেখেও দেখছেন না।’
মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকেই গ্যাসের চাপ একেবারে কমে যায়। ফলে সারাদিন রান্নাবান্না করা সম্ভব হয় না। বিকেলে সামান্য চাপ বাড়লেও রাত হলেই আবার গ্যাস চলে যায়। গভীর রাতে এসে তবেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।’
নারায়গঞ্জের আমলাপাড়ার গৃহিণী সুলতানা জামান বলেন, ‘রমজানের প্রথম রাত, অনেক আয়োজন করে রান্নায় বসিয়েছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই হঠাৎ গ্যাস চলে যায়। ফলে রান্না করতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তিতাস গ্যাস এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
দেওভোগের বাসিন্দা মারুফা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘গ্যাসের চাপ সারাদিন কম চাপ ছিল, এখন চুলা একদমই জ্বলছে না। রাত ১২টা পার হয়ে গেল, অথচ সাহরির রান্নাই করতে পারিনি।’
এদিকে বাড়িতে রান্না না হওয়ায় হোটেলগুলোতে ভিড় বেড়েছে। রাত ১টার আগেই অনেক হোটেলে খাবার ফুরিয়ে যায়।
মাসদাইর এলাজার সোলাইমান হোসেন বলেন, চারটা হোটেল ঘুরেও সাহরির খাবার পাইনি। সব জায়গায় দীর্ঘ লাইন, দোকানদাররা বলছেন, খাবার শেষ।
তিতাস গ্যাসের ফতুল্লা শাখার টেকনিশিয়ান আব্দুর রহীম বলেন, ‘ফতুল্লার পঞ্চবটী এলাকায় প্রধান সিএনজি স্টেশনের কাছে মূল পাইপলাইনে সংস্কার কাজ চলছে। বিষয়টি তিতাসের ওয়েবসাইটে আগেই জানানো হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’
এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির দু’জন কর্মকর্তার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি।

পবিত্র রমজানের শুরুতেই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। দুই শহরের অনেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ থাকে না বললেই চলে। এতে নগরের অনেক পরিবার রাতের খাবার ও সাহরি নিয়ে পড়ছে অনিশ্চয়তায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে নিম্নবিত্ত পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে ঢাকার মগবাজার, মধুবাগ, খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, বনশ্রী, মোহাম্মদপুর এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সরবরাহ নেই বললেই চলে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গলাচিপা, আমলাপাড়া, খানপুর, মিশনপাড়া, মাসদাইর, দেওভোগ এলাকায়ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। আকস্মিক এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে শহরের শত শত পরিবার।
বেশিরভাগ গ্রাহক জানিয়েছেন, দিনে মাত্র এক-দুই ঘণ্টা গ্যাস পাওয়া যায়, তা-ও সাধারণত গভীর রাতে বা ভোরে। গ্যাস না পেলেও মাসিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আবার চড়া দামেও এলপিজি সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যাচ্ছে না।
মগবাজারের বাসিন্দা স্বপ্না বেগম বলেন, ‘গ্যাসের সংকট আগেও ছিল। রমজানের শুরুতে এই সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাজারে সিলিন্ডার গ্যাসেরও সংকট। আমরা যাবো কোথায়? কর্তৃপক্ষ দেখেও দেখছেন না।’
মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকেই গ্যাসের চাপ একেবারে কমে যায়। ফলে সারাদিন রান্নাবান্না করা সম্ভব হয় না। বিকেলে সামান্য চাপ বাড়লেও রাত হলেই আবার গ্যাস চলে যায়। গভীর রাতে এসে তবেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।’
নারায়গঞ্জের আমলাপাড়ার গৃহিণী সুলতানা জামান বলেন, ‘রমজানের প্রথম রাত, অনেক আয়োজন করে রান্নায় বসিয়েছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই হঠাৎ গ্যাস চলে যায়। ফলে রান্না করতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তিতাস গ্যাস এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
দেওভোগের বাসিন্দা মারুফা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘গ্যাসের চাপ সারাদিন কম চাপ ছিল, এখন চুলা একদমই জ্বলছে না। রাত ১২টা পার হয়ে গেল, অথচ সাহরির রান্নাই করতে পারিনি।’
এদিকে বাড়িতে রান্না না হওয়ায় হোটেলগুলোতে ভিড় বেড়েছে। রাত ১টার আগেই অনেক হোটেলে খাবার ফুরিয়ে যায়।
মাসদাইর এলাজার সোলাইমান হোসেন বলেন, চারটা হোটেল ঘুরেও সাহরির খাবার পাইনি। সব জায়গায় দীর্ঘ লাইন, দোকানদাররা বলছেন, খাবার শেষ।
তিতাস গ্যাসের ফতুল্লা শাখার টেকনিশিয়ান আব্দুর রহীম বলেন, ‘ফতুল্লার পঞ্চবটী এলাকায় প্রধান সিএনজি স্টেশনের কাছে মূল পাইপলাইনে সংস্কার কাজ চলছে। বিষয়টি তিতাসের ওয়েবসাইটে আগেই জানানো হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’
এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির দু’জন কর্মকর্তার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি।

রমজানেও গ্যাস সংকট কাটছে না ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র রমজানের শুরুতেই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। দুই শহরের অনেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ থাকে না বললেই চলে। এতে নগরের অনেক পরিবার রাতের খাবার ও সাহরি নিয়ে পড়ছে অনিশ্চয়তায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে নিম্নবিত্ত পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে ঢাকার মগবাজার, মধুবাগ, খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, বনশ্রী, মোহাম্মদপুর এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সরবরাহ নেই বললেই চলে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গলাচিপা, আমলাপাড়া, খানপুর, মিশনপাড়া, মাসদাইর, দেওভোগ এলাকায়ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। আকস্মিক এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে শহরের শত শত পরিবার।
বেশিরভাগ গ্রাহক জানিয়েছেন, দিনে মাত্র এক-দুই ঘণ্টা গ্যাস পাওয়া যায়, তা-ও সাধারণত গভীর রাতে বা ভোরে। গ্যাস না পেলেও মাসিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আবার চড়া দামেও এলপিজি সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যাচ্ছে না।
মগবাজারের বাসিন্দা স্বপ্না বেগম বলেন, ‘গ্যাসের সংকট আগেও ছিল। রমজানের শুরুতে এই সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাজারে সিলিন্ডার গ্যাসেরও সংকট। আমরা যাবো কোথায়? কর্তৃপক্ষ দেখেও দেখছেন না।’
মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকেই গ্যাসের চাপ একেবারে কমে যায়। ফলে সারাদিন রান্নাবান্না করা সম্ভব হয় না। বিকেলে সামান্য চাপ বাড়লেও রাত হলেই আবার গ্যাস চলে যায়। গভীর রাতে এসে তবেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।’
নারায়গঞ্জের আমলাপাড়ার গৃহিণী সুলতানা জামান বলেন, ‘রমজানের প্রথম রাত, অনেক আয়োজন করে রান্নায় বসিয়েছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই হঠাৎ গ্যাস চলে যায়। ফলে রান্না করতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তিতাস গ্যাস এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
দেওভোগের বাসিন্দা মারুফা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘গ্যাসের চাপ সারাদিন কম চাপ ছিল, এখন চুলা একদমই জ্বলছে না। রাত ১২টা পার হয়ে গেল, অথচ সাহরির রান্নাই করতে পারিনি।’
এদিকে বাড়িতে রান্না না হওয়ায় হোটেলগুলোতে ভিড় বেড়েছে। রাত ১টার আগেই অনেক হোটেলে খাবার ফুরিয়ে যায়।
মাসদাইর এলাজার সোলাইমান হোসেন বলেন, চারটা হোটেল ঘুরেও সাহরির খাবার পাইনি। সব জায়গায় দীর্ঘ লাইন, দোকানদাররা বলছেন, খাবার শেষ।
তিতাস গ্যাসের ফতুল্লা শাখার টেকনিশিয়ান আব্দুর রহীম বলেন, ‘ফতুল্লার পঞ্চবটী এলাকায় প্রধান সিএনজি স্টেশনের কাছে মূল পাইপলাইনে সংস্কার কাজ চলছে। বিষয়টি তিতাসের ওয়েবসাইটে আগেই জানানো হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’
এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির দু’জন কর্মকর্তার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি।




