বোনের প্রেমিককে মেরে ফেলায় ২ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

বোনের প্রেমিককে মেরে ফেলায় ২ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহে কিশোরী বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে কিশোরকে ডেকে হত্যার পর লাশ গুমের দায়ে দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) সামছুদ্দিন এ রায় দেন। এছাড়া ওই কিশোরীর বাবা ও চাচাকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি আবু হানিফ খান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খান।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘রায়ের সময় তিন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। এক আসামি পলাতক। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসানের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে কিশোরীর পরিবার বিষয়টি মানতে পারেনি। ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে সৈকতকে ডেকে ওই কিশোরীর বাড়িতে আনা হয়। সেখানে যাওয়ার আগে বিষয়টি এক বন্ধুকে জানিয়েছিল সৈকত। এরপর সৈকত আর বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই বছরের ২১ মে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় সৈকতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় সৈকতের বাবা আকরাম হোসেন বাদী হয়ে ২২ মে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা করেন।

ময়মনসিংহে কিশোরী বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে কিশোরকে ডেকে হত্যার পর লাশ গুমের দায়ে দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) সামছুদ্দিন এ রায় দেন। এছাড়া ওই কিশোরীর বাবা ও চাচাকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি আবু হানিফ খান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খান।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘রায়ের সময় তিন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। এক আসামি পলাতক। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসানের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে কিশোরীর পরিবার বিষয়টি মানতে পারেনি। ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে সৈকতকে ডেকে ওই কিশোরীর বাড়িতে আনা হয়। সেখানে যাওয়ার আগে বিষয়টি এক বন্ধুকে জানিয়েছিল সৈকত। এরপর সৈকত আর বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই বছরের ২১ মে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় সৈকতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় সৈকতের বাবা আকরাম হোসেন বাদী হয়ে ২২ মে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা করেন।

বোনের প্রেমিককে মেরে ফেলায় ২ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহে কিশোরী বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে কিশোরকে ডেকে হত্যার পর লাশ গুমের দায়ে দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) সামছুদ্দিন এ রায় দেন। এছাড়া ওই কিশোরীর বাবা ও চাচাকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি আবু হানিফ খান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খান।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘রায়ের সময় তিন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। এক আসামি পলাতক। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসানের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে কিশোরীর পরিবার বিষয়টি মানতে পারেনি। ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে সৈকতকে ডেকে ওই কিশোরীর বাড়িতে আনা হয়। সেখানে যাওয়ার আগে বিষয়টি এক বন্ধুকে জানিয়েছিল সৈকত। এরপর সৈকত আর বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই বছরের ২১ মে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় সৈকতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় সৈকতের বাবা আকরাম হোসেন বাদী হয়ে ২২ মে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা করেন।




