মানিকগঞ্জে যুবদল নেতাকে মারধরের জেরে অফিসে হামলা, আটক ১

মানিকগঞ্জে যুবদল নেতাকে মারধরের জেরে অফিসে হামলা, আটক ১
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে একটি সালিশ বৈঠকে উপজেলা যুবদলের সদস্য কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত শাহিনের (মোল্লা শাহিন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। যুবদলের সদস্য সচিবের দায়ের করা মামলায় শুক্রবার রাতে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক।
যুবদল সদস্য সচিব মোল্লা শাহিনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো এমদাদুল হক বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারমধ্যে সজল নামের একজনকে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যুবদল নেতা কাজী সালাউদ্দিন শিমুলের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, ১১ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন কাজী সালাউদ্দিন শিমুল। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দায় একটি পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউপি চেয়ারম্যান, সচিবের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মোল্লা শাহিনের ঘনিষ্ঠ কাইয়ূম মোল্লা, মুকুলসহ কয়েকজন এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান শিপুর ঘনিষ্ঠ কাজী সালাউদ্দিন শিমুলসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সালিশে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, সালিশ বৈঠক চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মারধরের ঘটনা ঘটলে সালিশ বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ইউপি সচিব) আব্দুল বাসেদ বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৈঠক চলছিল। একপর্যায়ে কয়েকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বৈঠকটি আর হয়নি।
হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, গ্রাম আদালতে মারধরের ঘটনায় এবং অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে একটি সালিশ বৈঠকে উপজেলা যুবদলের সদস্য কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত শাহিনের (মোল্লা শাহিন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। যুবদলের সদস্য সচিবের দায়ের করা মামলায় শুক্রবার রাতে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক।
যুবদল সদস্য সচিব মোল্লা শাহিনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো এমদাদুল হক বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারমধ্যে সজল নামের একজনকে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যুবদল নেতা কাজী সালাউদ্দিন শিমুলের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, ১১ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন কাজী সালাউদ্দিন শিমুল। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দায় একটি পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউপি চেয়ারম্যান, সচিবের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মোল্লা শাহিনের ঘনিষ্ঠ কাইয়ূম মোল্লা, মুকুলসহ কয়েকজন এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান শিপুর ঘনিষ্ঠ কাজী সালাউদ্দিন শিমুলসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সালিশে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, সালিশ বৈঠক চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মারধরের ঘটনা ঘটলে সালিশ বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ইউপি সচিব) আব্দুল বাসেদ বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৈঠক চলছিল। একপর্যায়ে কয়েকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বৈঠকটি আর হয়নি।
হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, গ্রাম আদালতে মারধরের ঘটনায় এবং অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

মানিকগঞ্জে যুবদল নেতাকে মারধরের জেরে অফিসে হামলা, আটক ১
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে একটি সালিশ বৈঠকে উপজেলা যুবদলের সদস্য কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত শাহিনের (মোল্লা শাহিন) অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। যুবদলের সদস্য সচিবের দায়ের করা মামলায় শুক্রবার রাতে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক।
যুবদল সদস্য সচিব মোল্লা শাহিনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো এমদাদুল হক বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারমধ্যে সজল নামের একজনকে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যুবদল নেতা কাজী সালাউদ্দিন শিমুলের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, ১১ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন কাজী সালাউদ্দিন শিমুল। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দায় একটি পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউপি চেয়ারম্যান, সচিবের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মোল্লা শাহিনের ঘনিষ্ঠ কাইয়ূম মোল্লা, মুকুলসহ কয়েকজন এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান শিপুর ঘনিষ্ঠ কাজী সালাউদ্দিন শিমুলসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সালিশে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, সালিশ বৈঠক চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মারধরের ঘটনা ঘটলে সালিশ বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ইউপি সচিব) আব্দুল বাসেদ বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৈঠক চলছিল। একপর্যায়ে কয়েকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বৈঠকটি আর হয়নি।
হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, গ্রাম আদালতে মারধরের ঘটনায় এবং অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।




