স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে গ্রামে এলেন প্রবাসী

স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে গ্রামে এলেন প্রবাসী
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

পর্তুগাল থেকে কন্যা ও পরিবারকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে এসেছেন প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম রুবেল। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের কৌড়ি কলেজ মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করলে শত শত উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করেন।
রাকিবুল ইসলাম রুবেল মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল কালাম মাস্টারের ছোট ছেলে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে রাকিবুল ইসলাম জার্মানিতে যান। পরে ২০১৯ সালে পর্তুগালে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে সেখানে রেস্টুরেন্ট ও ঠিকাদারী ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি পর্তুগালে তার ছোট মেয়ের জন্ম হয়। প্রথমবারের মতো নবজাতক কন্যাকে নিয়ে তিনি পরিবারসহ দেশে ফিরেছেন।
হেলিকপ্টার থেকে নামার পর স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন। পরে সেখান থেকে নিজ গ্রামের বাড়িতে যান রুবেল। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবজাতককে দেখতে এবং পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ভিড় করেন।
রুবেলের বাবা আবুল কালাম মাস্টার বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিকে কাছে পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত। পরিবারের এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পরিবার নিয়ে সুস্থভাবে দেশে ফিরতে পেরেছে, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’

পর্তুগাল থেকে কন্যা ও পরিবারকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে এসেছেন প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম রুবেল। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের কৌড়ি কলেজ মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করলে শত শত উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করেন।
রাকিবুল ইসলাম রুবেল মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল কালাম মাস্টারের ছোট ছেলে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে রাকিবুল ইসলাম জার্মানিতে যান। পরে ২০১৯ সালে পর্তুগালে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে সেখানে রেস্টুরেন্ট ও ঠিকাদারী ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি পর্তুগালে তার ছোট মেয়ের জন্ম হয়। প্রথমবারের মতো নবজাতক কন্যাকে নিয়ে তিনি পরিবারসহ দেশে ফিরেছেন।
হেলিকপ্টার থেকে নামার পর স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন। পরে সেখান থেকে নিজ গ্রামের বাড়িতে যান রুবেল। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবজাতককে দেখতে এবং পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ভিড় করেন।
রুবেলের বাবা আবুল কালাম মাস্টার বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিকে কাছে পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত। পরিবারের এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পরিবার নিয়ে সুস্থভাবে দেশে ফিরতে পেরেছে, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’

স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে গ্রামে এলেন প্রবাসী
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

পর্তুগাল থেকে কন্যা ও পরিবারকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে এসেছেন প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম রুবেল। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের কৌড়ি কলেজ মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করলে শত শত উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করেন।
রাকিবুল ইসলাম রুবেল মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল কালাম মাস্টারের ছোট ছেলে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে রাকিবুল ইসলাম জার্মানিতে যান। পরে ২০১৯ সালে পর্তুগালে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে সেখানে রেস্টুরেন্ট ও ঠিকাদারী ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি পর্তুগালে তার ছোট মেয়ের জন্ম হয়। প্রথমবারের মতো নবজাতক কন্যাকে নিয়ে তিনি পরিবারসহ দেশে ফিরেছেন।
হেলিকপ্টার থেকে নামার পর স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন। পরে সেখান থেকে নিজ গ্রামের বাড়িতে যান রুবেল। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবজাতককে দেখতে এবং পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ভিড় করেন।
রুবেলের বাবা আবুল কালাম মাস্টার বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিকে কাছে পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত। পরিবারের এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পরিবার নিয়ে সুস্থভাবে দেশে ফিরতে পেরেছে, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’









