৬ শিক্ষকের স্কুলে ৫ পরীক্ষার্থী, ৪ জনই ফেল

৬ শিক্ষকের স্কুলে ৫ পরীক্ষার্থী, ৪ জনই ফেল
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। ছয়জন শিক্ষকের স্কুলটিতে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচ শিক্ষার্থী। তবে তাদের চারজনই ফেল করেছে। এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে তুলুম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া পাঁচ জনের সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজন পাস করলেও বাকিরা ফেল করেছে।
স্থানীয় ইমন নামের একজন যুবক বলেন, শিক্ষার্থী কম হলে প্রত্যেকের প্রতি আলাদা নজর দেওয়া যায়। ফলাফল ভালো হওয়ার কথা। কিন্তু ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, কোথাও না কোথাও ঘাটতি রয়েছে। স্কুলের মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন হতে হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জানান, এ বছর বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেন। তাদের মধ্যে একজন পাস করেছে। ফলাফল আরও ভালো করতে খুব দ্রুত অভিভাবক সমাবেশ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হানিফা জানান, উপজেলার যে কয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তাদের সতর্ক করা হবে। পাশাপাশি সমন্বয় সভায় ফলাফল উন্নত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের সচেতনতার ফলে এ বছর পাসের হার আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে এই ধারা বজায় রেখে ফলাফল আরও উন্নত হবে। আর যারা আশানুরূপ ফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। ছয়জন শিক্ষকের স্কুলটিতে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচ শিক্ষার্থী। তবে তাদের চারজনই ফেল করেছে। এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে তুলুম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া পাঁচ জনের সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজন পাস করলেও বাকিরা ফেল করেছে।
স্থানীয় ইমন নামের একজন যুবক বলেন, শিক্ষার্থী কম হলে প্রত্যেকের প্রতি আলাদা নজর দেওয়া যায়। ফলাফল ভালো হওয়ার কথা। কিন্তু ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, কোথাও না কোথাও ঘাটতি রয়েছে। স্কুলের মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন হতে হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জানান, এ বছর বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেন। তাদের মধ্যে একজন পাস করেছে। ফলাফল আরও ভালো করতে খুব দ্রুত অভিভাবক সমাবেশ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হানিফা জানান, উপজেলার যে কয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তাদের সতর্ক করা হবে। পাশাপাশি সমন্বয় সভায় ফলাফল উন্নত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের সচেতনতার ফলে এ বছর পাসের হার আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে এই ধারা বজায় রেখে ফলাফল আরও উন্নত হবে। আর যারা আশানুরূপ ফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

৬ শিক্ষকের স্কুলে ৫ পরীক্ষার্থী, ৪ জনই ফেল
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। ছয়জন শিক্ষকের স্কুলটিতে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচ শিক্ষার্থী। তবে তাদের চারজনই ফেল করেছে। এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে তুলুম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, শিরীন আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া পাঁচ জনের সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজন পাস করলেও বাকিরা ফেল করেছে।
স্থানীয় ইমন নামের একজন যুবক বলেন, শিক্ষার্থী কম হলে প্রত্যেকের প্রতি আলাদা নজর দেওয়া যায়। ফলাফল ভালো হওয়ার কথা। কিন্তু ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, কোথাও না কোথাও ঘাটতি রয়েছে। স্কুলের মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন হতে হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জানান, এ বছর বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেন। তাদের মধ্যে একজন পাস করেছে। ফলাফল আরও ভালো করতে খুব দ্রুত অভিভাবক সমাবেশ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হানিফা জানান, উপজেলার যে কয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তাদের সতর্ক করা হবে। পাশাপাশি সমন্বয় সভায় ফলাফল উন্নত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের সচেতনতার ফলে এ বছর পাসের হার আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে এই ধারা বজায় রেখে ফলাফল আরও উন্নত হবে। আর যারা আশানুরূপ ফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

পাবনার ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল







