প্রত্যাশা-প্রাপ্তির হিসাব: কী বলছেন মানিকগঞ্জের আন্দোলনকারীরা

প্রত্যাশা-প্রাপ্তির হিসাব: কী বলছেন মানিকগঞ্জের আন্দোলনকারীরা
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে মানিকগঞ্জের জুলাই যোদ্ধা ও তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানিকগঞ্জের সমন্বয়ক ওমর ফারুক বলেন, আন্দোলনের শুরুতে আহত হওয়া আরমানের নাম এখনও আহতদের তালিকায় নেই। হাসনা হেনার নামও পরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও এর আইনি ভিত্তি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তার ভাষায়, ‘জুলাই সনদ হলে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচার হতে পারত না।’ তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের ঘোষণাকে ঘিরেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছিল নাহিদ ইসলাম সেটা সকলেই জানে। এদিকে অনেক আহত এখনও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। মানিকগঞ্জের শহীদ রফিকুলের কবরও এখনো স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে মাত্র কয়েক মাস আগে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে ছিল। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারকে সময় দেওয়া উচিত। তার মতে, ‘সময় দিলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’
এদিকে ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা দেওয়ান তানজিল আহমেদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। তবে তার দাবি, আন্দোলনের দুই বছর পরও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ঘটনার বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয়করণ, রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ভূমি দখল ও দুর্নীতির মতো সমস্যাগুলো এখনো বিদ্যমান।
দেওয়ান তানজিল আহমেদ আরও বলেন, জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে জবাবদিহি নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। অন্যথায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে মানিকগঞ্জের জুলাই যোদ্ধা ও তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানিকগঞ্জের সমন্বয়ক ওমর ফারুক বলেন, আন্দোলনের শুরুতে আহত হওয়া আরমানের নাম এখনও আহতদের তালিকায় নেই। হাসনা হেনার নামও পরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও এর আইনি ভিত্তি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তার ভাষায়, ‘জুলাই সনদ হলে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচার হতে পারত না।’ তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের ঘোষণাকে ঘিরেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছিল নাহিদ ইসলাম সেটা সকলেই জানে। এদিকে অনেক আহত এখনও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। মানিকগঞ্জের শহীদ রফিকুলের কবরও এখনো স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে মাত্র কয়েক মাস আগে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে ছিল। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারকে সময় দেওয়া উচিত। তার মতে, ‘সময় দিলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’
এদিকে ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা দেওয়ান তানজিল আহমেদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। তবে তার দাবি, আন্দোলনের দুই বছর পরও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ঘটনার বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয়করণ, রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ভূমি দখল ও দুর্নীতির মতো সমস্যাগুলো এখনো বিদ্যমান।
দেওয়ান তানজিল আহমেদ আরও বলেন, জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে জবাবদিহি নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। অন্যথায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

প্রত্যাশা-প্রাপ্তির হিসাব: কী বলছেন মানিকগঞ্জের আন্দোলনকারীরা
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে মানিকগঞ্জের জুলাই যোদ্ধা ও তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানিকগঞ্জের সমন্বয়ক ওমর ফারুক বলেন, আন্দোলনের শুরুতে আহত হওয়া আরমানের নাম এখনও আহতদের তালিকায় নেই। হাসনা হেনার নামও পরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও এর আইনি ভিত্তি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তার ভাষায়, ‘জুলাই সনদ হলে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচার হতে পারত না।’ তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের ঘোষণাকে ঘিরেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছিল নাহিদ ইসলাম সেটা সকলেই জানে। এদিকে অনেক আহত এখনও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। মানিকগঞ্জের শহীদ রফিকুলের কবরও এখনো স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে মাত্র কয়েক মাস আগে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে ছিল। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারকে সময় দেওয়া উচিত। তার মতে, ‘সময় দিলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’
এদিকে ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা দেওয়ান তানজিল আহমেদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। তবে তার দাবি, আন্দোলনের দুই বছর পরও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ঘটনার বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয়করণ, রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ভূমি দখল ও দুর্নীতির মতো সমস্যাগুলো এখনো বিদ্যমান।
দেওয়ান তানজিল আহমেদ আরও বলেন, জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে জবাবদিহি নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। অন্যথায় রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।









