পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

ঈদ ঘনিয়ে আসায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। তবে ঘাটে যাওয়ার রাস্তা ঢালু হওয়ায় যাত্রী ও যানবাহনচালক ও শ্রমিকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের কয়েকজন যানবাহন চালক জানান, গত বর্ষায় পদ্মা নদীর ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাটের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাটে পন্টুন সংলগ্ন সড়ক সরু ও ঢালু হওয়ায় যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
৫ নম্বর ফেরিঘাটে কথা হয় কুষ্টিয়াগামী যাত্রী মোজাহার আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, ফেরি থেকে মূল সড়কে ওঠার রাস্তা উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। শুনেছি, কয়েকদিন আগে ওই উঁচু রাস্তায় উঠতে গিয়ে তেলবাহী লরি পদ্মায় ডুবে গেছে।

নদী ভাঙনে পাটুরিয়ার লঞ্চঘাটের একটি অংশ বিলীন হয়ে যাওয়ায় অস্থায়ী ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ ঘিরে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন যাত্রী ও লঞ্চ মালিকরা।
পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের ব্যবস্থাপক সেলিম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, লঞ্চঘাট নদীতে বিলীন হলে পাশে অস্থায়ী ঘাট নির্মাণ করে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ঘাটে এসে লঞ্চে উঠতে বয়স্ক মানুষদের একটু সমস্যা হচ্ছে।

রাজবাড়ীর লঞ্চঘাট দিয়ে নিয়মিত পারাপার হন কালাম হোসেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্ষায় ঘাট নদীতে বিলীন হওয়ায় আবার ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্ত ঘাটটি ভালো করে নির্মাণ হয়নি।
বিআইডব্লিউটিএর উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২টি ফেরি চলাচল করে। তবে ঈদ সামনে রেখে এই নৌপথে ১৭টি ফেরি আর আরিচা-কাজিরহাটে ৫টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই দুই নৌপথে মোট ২২টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের এ সময়টায় যাতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

যানবাহনের চালক ও ঘাটের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদ কেন্দ্র করে এই নৌপথে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ৪টি ঘাট দিয়ে ২২টি ফেরি চালু রাখার প্রস্তুতি থাকলেও ঘাটের অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে লঞ্চঘাট ও পন্টুন এলাকায় যাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস) মো. মহরম আলী বলেন, যাত্রীর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঈদ ঘনিয়ে আসায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। তবে ঘাটে যাওয়ার রাস্তা ঢালু হওয়ায় যাত্রী ও যানবাহনচালক ও শ্রমিকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের কয়েকজন যানবাহন চালক জানান, গত বর্ষায় পদ্মা নদীর ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাটের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাটে পন্টুন সংলগ্ন সড়ক সরু ও ঢালু হওয়ায় যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
৫ নম্বর ফেরিঘাটে কথা হয় কুষ্টিয়াগামী যাত্রী মোজাহার আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, ফেরি থেকে মূল সড়কে ওঠার রাস্তা উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। শুনেছি, কয়েকদিন আগে ওই উঁচু রাস্তায় উঠতে গিয়ে তেলবাহী লরি পদ্মায় ডুবে গেছে।

নদী ভাঙনে পাটুরিয়ার লঞ্চঘাটের একটি অংশ বিলীন হয়ে যাওয়ায় অস্থায়ী ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ ঘিরে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন যাত্রী ও লঞ্চ মালিকরা।
পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের ব্যবস্থাপক সেলিম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, লঞ্চঘাট নদীতে বিলীন হলে পাশে অস্থায়ী ঘাট নির্মাণ করে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ঘাটে এসে লঞ্চে উঠতে বয়স্ক মানুষদের একটু সমস্যা হচ্ছে।

রাজবাড়ীর লঞ্চঘাট দিয়ে নিয়মিত পারাপার হন কালাম হোসেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্ষায় ঘাট নদীতে বিলীন হওয়ায় আবার ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্ত ঘাটটি ভালো করে নির্মাণ হয়নি।
বিআইডব্লিউটিএর উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২টি ফেরি চলাচল করে। তবে ঈদ সামনে রেখে এই নৌপথে ১৭টি ফেরি আর আরিচা-কাজিরহাটে ৫টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই দুই নৌপথে মোট ২২টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের এ সময়টায় যাতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

যানবাহনের চালক ও ঘাটের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদ কেন্দ্র করে এই নৌপথে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ৪টি ঘাট দিয়ে ২২টি ফেরি চালু রাখার প্রস্তুতি থাকলেও ঘাটের অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে লঞ্চঘাট ও পন্টুন এলাকায় যাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস) মো. মহরম আলী বলেন, যাত্রীর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

ঈদ ঘনিয়ে আসায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। তবে ঘাটে যাওয়ার রাস্তা ঢালু হওয়ায় যাত্রী ও যানবাহনচালক ও শ্রমিকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের কয়েকজন যানবাহন চালক জানান, গত বর্ষায় পদ্মা নদীর ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাটের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাটে পন্টুন সংলগ্ন সড়ক সরু ও ঢালু হওয়ায় যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
৫ নম্বর ফেরিঘাটে কথা হয় কুষ্টিয়াগামী যাত্রী মোজাহার আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, ফেরি থেকে মূল সড়কে ওঠার রাস্তা উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। শুনেছি, কয়েকদিন আগে ওই উঁচু রাস্তায় উঠতে গিয়ে তেলবাহী লরি পদ্মায় ডুবে গেছে।

নদী ভাঙনে পাটুরিয়ার লঞ্চঘাটের একটি অংশ বিলীন হয়ে যাওয়ায় অস্থায়ী ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ ঘিরে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন যাত্রী ও লঞ্চ মালিকরা।
পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের ব্যবস্থাপক সেলিম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, লঞ্চঘাট নদীতে বিলীন হলে পাশে অস্থায়ী ঘাট নির্মাণ করে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ঘাটে এসে লঞ্চে উঠতে বয়স্ক মানুষদের একটু সমস্যা হচ্ছে।

রাজবাড়ীর লঞ্চঘাট দিয়ে নিয়মিত পারাপার হন কালাম হোসেন। তিনি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্ষায় ঘাট নদীতে বিলীন হওয়ায় আবার ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্ত ঘাটটি ভালো করে নির্মাণ হয়নি।
বিআইডব্লিউটিএর উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাম হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২টি ফেরি চলাচল করে। তবে ঈদ সামনে রেখে এই নৌপথে ১৭টি ফেরি আর আরিচা-কাজিরহাটে ৫টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই দুই নৌপথে মোট ২২টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের এ সময়টায় যাতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

যানবাহনের চালক ও ঘাটের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদ কেন্দ্র করে এই নৌপথে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ৪টি ঘাট দিয়ে ২২টি ফেরি চালু রাখার প্রস্তুতি থাকলেও ঘাটের অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে লঞ্চঘাট ও পন্টুন এলাকায় যাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস) মো. মহরম আলী বলেন, যাত্রীর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




