ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
নিহত শিক্ষিকার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন

নিহত শিক্ষিকার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন
ইবি সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন ময়নাতদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।
ময়নাতদন্ত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসা কর্মকর্তা রুমন রহমান ও সুমাইয়া।
আরএমও হোসেন ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত শিক্ষিকার গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বুক, পেট, হাত-পাসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। বাঁচার জন্য শিক্ষক হাত দিয়ে ঠেকাতে গেছেন, এতে হাতেও আঘাত লেগেছে। আঘাতগুলো ক্ষোভ ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ মনে হচ্ছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গতকাল গভীর রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এজাহারটি জমা দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আসমার মামা সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, এজাহারে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান, সমাকল্যাণ বিভাগের দুজন শিক্ষকসহ ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘একটা এজাহার পাওয়া গেছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন ময়নাতদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।
ময়নাতদন্ত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসা কর্মকর্তা রুমন রহমান ও সুমাইয়া।
আরএমও হোসেন ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত শিক্ষিকার গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বুক, পেট, হাত-পাসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। বাঁচার জন্য শিক্ষক হাত দিয়ে ঠেকাতে গেছেন, এতে হাতেও আঘাত লেগেছে। আঘাতগুলো ক্ষোভ ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ মনে হচ্ছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গতকাল গভীর রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এজাহারটি জমা দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আসমার মামা সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, এজাহারে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান, সমাকল্যাণ বিভাগের দুজন শিক্ষকসহ ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘একটা এজাহার পাওয়া গেছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

নিহত শিক্ষিকার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন
ইবি সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন ময়নাতদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।
ময়নাতদন্ত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসা কর্মকর্তা রুমন রহমান ও সুমাইয়া।
আরএমও হোসেন ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত শিক্ষিকার গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বুক, পেট, হাত-পাসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। বাঁচার জন্য শিক্ষক হাত দিয়ে ঠেকাতে গেছেন, এতে হাতেও আঘাত লেগেছে। আঘাতগুলো ক্ষোভ ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ মনে হচ্ছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গতকাল গভীর রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এজাহারটি জমা দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আসমার মামা সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, এজাহারে অভিযুক্ত ফজলুর রহমান, সমাকল্যাণ বিভাগের দুজন শিক্ষকসহ ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘একটা এজাহার পাওয়া গেছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’




