গড়াই নদী খনন প্রকল্পে শতকোটি টাকার বালু গায়েব

গড়াই নদী খনন প্রকল্পে শতকোটি টাকার বালু গায়েব
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

সরকারি হিসাবে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ বালু সংরক্ষণের তথ্য থাকলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব মিলছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ কোটি ঘনমিটার বালুর কোনো হদিস নেই। সরকারি হিসাবে এর মূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার ধাপে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ১৯৯৭ সাল থেকে চলছে এ প্রক্রিয়া। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ শেষ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে নদীর তলদেশ থেকে ৪ কোটি ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু অপসারণ করে ১০টি মৌজায় সংরক্ষণ করা হয়। বিপুল পরিমাণ এ বালুর মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু। বর্তমানে ছয়টি মৌজায় সংরক্ষিত আছে মাত্র ৬০ লাখ ঘনমিটার। বাকি ৩ কোটি ৪০ লাখ ঘনমিটার বালু কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে গড়াই খননের সর্বশেষ ধাপে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের নথি সংরক্ষিত আছে। কিন্তু আগের তিন ধাপে ১ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়াই খননের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তিন ধাপের খননের কোনো বালু বিক্রি করা হয়নি। ফলে এতো বালু কোথায় গেলো সেটা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
জানা যায়, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি জেলা পানিসম্পদ উন্নয়ন কমিটির সভায় টেন্ডারের মাধ্যমে সংরক্ষিত বালু বিক্রির অনুমতি পায় মেসার্স শান্তা অ্যাসোসিয়েট নামে একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু টেন্ডারের কয়েকদিন পর প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তরা দেখতে পান, দুই মৌজায় খনন প্রকল্পের কোনো বালুই নেই। এ বিষয়ে তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে।
স্থানীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র সংরক্ষিত বালু লুট করেছে। তাদের দাবি আওয়ামী লীগের শাসনামলে লুট শুরু হয়। সরকার পতনের পরও সেটা অব্যাহত রয়েছে।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব, প্রশাসনিক সমন্বয়ের দুর্বলতা ও কার্যকর তদারকির ঘাটতির কারণে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও বালু ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম উদ্বেগের বিষয়। তাদের মতে, গড়াই নদী খনন প্রকল্পের বালি ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত, পূর্ণাঙ্গ অডিট ও দায় নিরূপণ করা জরুরি।

সরকারি হিসাবে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ বালু সংরক্ষণের তথ্য থাকলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব মিলছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ কোটি ঘনমিটার বালুর কোনো হদিস নেই। সরকারি হিসাবে এর মূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার ধাপে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ১৯৯৭ সাল থেকে চলছে এ প্রক্রিয়া। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ শেষ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে নদীর তলদেশ থেকে ৪ কোটি ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু অপসারণ করে ১০টি মৌজায় সংরক্ষণ করা হয়। বিপুল পরিমাণ এ বালুর মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু। বর্তমানে ছয়টি মৌজায় সংরক্ষিত আছে মাত্র ৬০ লাখ ঘনমিটার। বাকি ৩ কোটি ৪০ লাখ ঘনমিটার বালু কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে গড়াই খননের সর্বশেষ ধাপে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের নথি সংরক্ষিত আছে। কিন্তু আগের তিন ধাপে ১ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়াই খননের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তিন ধাপের খননের কোনো বালু বিক্রি করা হয়নি। ফলে এতো বালু কোথায় গেলো সেটা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
জানা যায়, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি জেলা পানিসম্পদ উন্নয়ন কমিটির সভায় টেন্ডারের মাধ্যমে সংরক্ষিত বালু বিক্রির অনুমতি পায় মেসার্স শান্তা অ্যাসোসিয়েট নামে একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু টেন্ডারের কয়েকদিন পর প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তরা দেখতে পান, দুই মৌজায় খনন প্রকল্পের কোনো বালুই নেই। এ বিষয়ে তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে।
স্থানীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র সংরক্ষিত বালু লুট করেছে। তাদের দাবি আওয়ামী লীগের শাসনামলে লুট শুরু হয়। সরকার পতনের পরও সেটা অব্যাহত রয়েছে।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব, প্রশাসনিক সমন্বয়ের দুর্বলতা ও কার্যকর তদারকির ঘাটতির কারণে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও বালু ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম উদ্বেগের বিষয়। তাদের মতে, গড়াই নদী খনন প্রকল্পের বালি ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত, পূর্ণাঙ্গ অডিট ও দায় নিরূপণ করা জরুরি।

গড়াই নদী খনন প্রকল্পে শতকোটি টাকার বালু গায়েব
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

সরকারি হিসাবে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ বালু সংরক্ষণের তথ্য থাকলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব মিলছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ কোটি ঘনমিটার বালুর কোনো হদিস নেই। সরকারি হিসাবে এর মূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার ধাপে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ১৯৯৭ সাল থেকে চলছে এ প্রক্রিয়া। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ শেষ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে নদীর তলদেশ থেকে ৪ কোটি ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু অপসারণ করে ১০টি মৌজায় সংরক্ষণ করা হয়। বিপুল পরিমাণ এ বালুর মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ১৭ লাখ ঘনমিটার বালু। বর্তমানে ছয়টি মৌজায় সংরক্ষিত আছে মাত্র ৬০ লাখ ঘনমিটার। বাকি ৩ কোটি ৪০ লাখ ঘনমিটার বালু কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে গড়াই খননের সর্বশেষ ধাপে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের নথি সংরক্ষিত আছে। কিন্তু আগের তিন ধাপে ১ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়াই খননের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তিন ধাপের খননের কোনো বালু বিক্রি করা হয়নি। ফলে এতো বালু কোথায় গেলো সেটা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
জানা যায়, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি জেলা পানিসম্পদ উন্নয়ন কমিটির সভায় টেন্ডারের মাধ্যমে সংরক্ষিত বালু বিক্রির অনুমতি পায় মেসার্স শান্তা অ্যাসোসিয়েট নামে একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু টেন্ডারের কয়েকদিন পর প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তরা দেখতে পান, দুই মৌজায় খনন প্রকল্পের কোনো বালুই নেই। এ বিষয়ে তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে।
স্থানীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র সংরক্ষিত বালু লুট করেছে। তাদের দাবি আওয়ামী লীগের শাসনামলে লুট শুরু হয়। সরকার পতনের পরও সেটা অব্যাহত রয়েছে।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব, প্রশাসনিক সমন্বয়ের দুর্বলতা ও কার্যকর তদারকির ঘাটতির কারণে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও বালু ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম উদ্বেগের বিষয়। তাদের মতে, গড়াই নদী খনন প্রকল্পের বালি ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত, পূর্ণাঙ্গ অডিট ও দায় নিরূপণ করা জরুরি।

বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত


