শিরোনাম

ভালো ফলনেও তরমুজের দাম চড়া

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা
ভালো ফলনেও তরমুজের দাম চড়া
বিক্রির জন্য তরমুজ এক সঙ্গে করেন চাষি। ছবি:সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জনপ্রিয় এই ফলটি। এর ফলে সাধারণ ক্রেতারা তরমুজ কিনতে পারছেন না। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তরমুজ বাজারে তুলে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন, যা অনৈতিক।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জে ‘ব্ল্যাক কুইন’ তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে, বিশেষ করে পাকুন্দিয়া ও চণ্ডিপাশা এলাকায়। তরমুজ চাষে বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে পানির অপচয় কম হয় এবং ফলনও ভালো হয়।

তরমুজ ২

জেলার হাওর উপজেলা নিকলী, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়। দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন।

তরমুজ কিনতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাওয়া ক্রেতা আব্দুল হালিম বলেন, তরমুজ কিনতে এসেছিলাম, কিন্তু যে দাম তাতে না কিনেই ফিরে যেতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এ দামে তরমুজ কেনা কঠিন।

তরমুজ চাষি লাল মিয়া বলেন, ১২৮ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। কয়েক চালান বিক্রি করেছি। দামও ভালো পেয়েছি।

তরমুজ আড়ৎদার মোর্শেদ মিয়া বলেন, মৌসুমের শুরুতে তরমুজের দাম একটু বেশি থাকে। এখনো সব এলাকার তরমুজ বাজারে আসেনি। সরবরাহ বাড়লে দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

তরমুজ

তরমুজ ব্যবসায়ী রাফি বলেন, সরবরাহ বাড়লে তরমুজের দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, এ বছর জেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ী আগাম অপরিপক্ক তরমুজ বাজারে তুলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। বাজারে পরিপক্ক তরমুজ ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই দাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

/এসআর/