খুলনায় শ্রমিক দল নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় শ্রমিক দল নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার ডাকবাংলো মোড়ে প্রকাশ্যে মাসুম বিল্লাহ নামে শ্রমিক দলের এক নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো মোড়ের বাটা শোরুমের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলসহ অশোক নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাসুম রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলোর ঈদের কেনাকাটার জন্য এসেছিলেন। এসময় ৭ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত ধাওয়া দিলে তিনি বাটা শোরুমের ভিতরে ঢুকেন। একপর্যায়ে এক দুর্বৃত্ত মাসুম বিল্লাহকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসেন। পরে আটক অশোক ঘোষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। অশোক ঘোষের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো বাটা বাজারের মধ্যে ৭ জন দুর্বৃত্ত এসে মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় জনতা একজনকে আটক করে। অন্যদের পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আরও বলেন, অশোক তার সঙ্গে থাকা অন্যদের নাম পরিচয় প্রকাশ করেছে। তিনি খুলনার একটি শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

খুলনার ডাকবাংলো মোড়ে প্রকাশ্যে মাসুম বিল্লাহ নামে শ্রমিক দলের এক নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো মোড়ের বাটা শোরুমের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলসহ অশোক নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাসুম রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলোর ঈদের কেনাকাটার জন্য এসেছিলেন। এসময় ৭ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত ধাওয়া দিলে তিনি বাটা শোরুমের ভিতরে ঢুকেন। একপর্যায়ে এক দুর্বৃত্ত মাসুম বিল্লাহকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসেন। পরে আটক অশোক ঘোষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। অশোক ঘোষের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো বাটা বাজারের মধ্যে ৭ জন দুর্বৃত্ত এসে মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় জনতা একজনকে আটক করে। অন্যদের পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আরও বলেন, অশোক তার সঙ্গে থাকা অন্যদের নাম পরিচয় প্রকাশ করেছে। তিনি খুলনার একটি শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

খুলনায় শ্রমিক দল নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার ডাকবাংলো মোড়ে প্রকাশ্যে মাসুম বিল্লাহ নামে শ্রমিক দলের এক নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো মোড়ের বাটা শোরুমের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলসহ অশোক নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাসুম রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলোর ঈদের কেনাকাটার জন্য এসেছিলেন। এসময় ৭ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত ধাওয়া দিলে তিনি বাটা শোরুমের ভিতরে ঢুকেন। একপর্যায়ে এক দুর্বৃত্ত মাসুম বিল্লাহকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসেন। পরে আটক অশোক ঘোষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। অশোক ঘোষের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, রাত ৯টার দিকে ডাকবাংলো বাটা বাজারের মধ্যে ৭ জন দুর্বৃত্ত এসে মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় জনতা একজনকে আটক করে। অন্যদের পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আরও বলেন, অশোক তার সঙ্গে থাকা অন্যদের নাম পরিচয় প্রকাশ করেছে। তিনি খুলনার একটি শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।




