চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই ১৫ গ্রামে
জামালপুর সংবাদদাতা

চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই ১৫ গ্রামে
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৪: ৩২

ছবি: সংগৃহীত
কালবৈশাখী ঝড়ে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ১৫ গ্রামে। এ কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ে ২৭ এপ্রিল থেকে মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা, উত্তর জোড়াখালি, পূর্বতাড়তা পাড়া, চবরওয়ালা, ইলশামারী, লালডোবা, পূর্ব নলছিয়া, ছালাকান্দা ও ছোট ডাংভারি গ্রামসহ ১৫ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। গাছপালা পড়ে ট্রান্সফরমার নষ্ট ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এসব গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সংস্কারের অভাবে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই সব গ্রামের মানুষ।
গুনারীতলা গ্রামের সাহাব উদ্দিন বলেন, ঝড়ের পর বারবার তাগিদ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের ঘুম ভাঙ্গেনি। এ কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ চালাতে পারছি না।

পূর্ব তাড়তা পাড়া গ্রামের এসএসসি পরীক্ষার্থী আবু হাসান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।
লাল ডোবা গ্রামের ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, চার দিন ধরে অন্ধকারে আছি। মোবাইলও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়িক কাজে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকার পরেও দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কাজ চলমান আছে।

কালবৈশাখী ঝড়ে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ১৫ গ্রামে। এ কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ে ২৭ এপ্রিল থেকে মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা, উত্তর জোড়াখালি, পূর্বতাড়তা পাড়া, চবরওয়ালা, ইলশামারী, লালডোবা, পূর্ব নলছিয়া, ছালাকান্দা ও ছোট ডাংভারি গ্রামসহ ১৫ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। গাছপালা পড়ে ট্রান্সফরমার নষ্ট ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এসব গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সংস্কারের অভাবে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই সব গ্রামের মানুষ।
গুনারীতলা গ্রামের সাহাব উদ্দিন বলেন, ঝড়ের পর বারবার তাগিদ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের ঘুম ভাঙ্গেনি। এ কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ চালাতে পারছি না।

পূর্ব তাড়তা পাড়া গ্রামের এসএসসি পরীক্ষার্থী আবু হাসান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।
লাল ডোবা গ্রামের ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, চার দিন ধরে অন্ধকারে আছি। মোবাইলও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়িক কাজে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকার পরেও দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কাজ চলমান আছে।

চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই ১৫ গ্রামে
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৪: ৩২

ছবি: সংগৃহীত
কালবৈশাখী ঝড়ে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ১৫ গ্রামে। এ কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ে ২৭ এপ্রিল থেকে মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা, উত্তর জোড়াখালি, পূর্বতাড়তা পাড়া, চবরওয়ালা, ইলশামারী, লালডোবা, পূর্ব নলছিয়া, ছালাকান্দা ও ছোট ডাংভারি গ্রামসহ ১৫ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। গাছপালা পড়ে ট্রান্সফরমার নষ্ট ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এসব গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সংস্কারের অভাবে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই সব গ্রামের মানুষ।
গুনারীতলা গ্রামের সাহাব উদ্দিন বলেন, ঝড়ের পর বারবার তাগিদ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের ঘুম ভাঙ্গেনি। এ কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ চালাতে পারছি না।

পূর্ব তাড়তা পাড়া গ্রামের এসএসসি পরীক্ষার্থী আবু হাসান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।
লাল ডোবা গ্রামের ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, চার দিন ধরে অন্ধকারে আছি। মোবাইলও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়িক কাজে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকার পরেও দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কাজ চলমান আছে।
/এসআর/




