হাসপাতালের বেডেই নিঃসঙ্গ মৃত্যু: মরদেহ নিল না পরিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

হাসপাতালের বেডেই নিঃসঙ্গ মৃত্যু: মরদেহ নিল না পরিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৪: ০৩

খোকন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে টানা ৩৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর নিঃসঙ্গতার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে খোকন মিয়া নামে এক ব্যক্তির। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
খোকন মিয়ার মৃত্যুর পরও ভাগ্যে জোটেনি আপনজনের শেষ বিদায়। স্ত্রী ও সন্তানরা তার মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।
‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তার চিকিৎসা ও খাবারের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সংস্থাটির উদ্যোগে ‘বেওয়ারিশ লাশ’ হিসেবে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা খোকন মিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এমন কী মৃত্যুর আগেই মরদেহ গ্রহণ না করার কথাও জানিয়ে দেয়। তার শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার করুইন গ্রামে এবং পৈতৃক বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। খোকন মিয়ার বাবা মৃত বশির উদ্দিন ও মা মৃত মধুবালা বিবি। স্ত্রী ও দুই ছেলে থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ সময় তিনি কাটিয়েছেন সম্পূর্ণ একাকীত্বে।
চিকিৎসকরা জানায়, খোকন মিয়া মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সম্প্রতি এক দুর্ঘটনায় তার বাম পায়ে গুরুতর আঘাত পান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হলেও পরিবারের সহযোগিতা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে খোকন মিয়ার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবার মরদেহ নিতে রাজি হয়নি, তাই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা মো. আজহার উদ্দিন বলেন, খোকন মিয়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তার পাশে কেউ ছিল না। মানবিক দায়িত্ব থেকে আমরা তার চিকিৎসা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করেছি। মৃত্যুর পরও তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সত্যিই কষ্টদায়ক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে টানা ৩৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর নিঃসঙ্গতার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে খোকন মিয়া নামে এক ব্যক্তির। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
খোকন মিয়ার মৃত্যুর পরও ভাগ্যে জোটেনি আপনজনের শেষ বিদায়। স্ত্রী ও সন্তানরা তার মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।
‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তার চিকিৎসা ও খাবারের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সংস্থাটির উদ্যোগে ‘বেওয়ারিশ লাশ’ হিসেবে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা খোকন মিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এমন কী মৃত্যুর আগেই মরদেহ গ্রহণ না করার কথাও জানিয়ে দেয়। তার শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার করুইন গ্রামে এবং পৈতৃক বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। খোকন মিয়ার বাবা মৃত বশির উদ্দিন ও মা মৃত মধুবালা বিবি। স্ত্রী ও দুই ছেলে থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ সময় তিনি কাটিয়েছেন সম্পূর্ণ একাকীত্বে।
চিকিৎসকরা জানায়, খোকন মিয়া মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সম্প্রতি এক দুর্ঘটনায় তার বাম পায়ে গুরুতর আঘাত পান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হলেও পরিবারের সহযোগিতা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে খোকন মিয়ার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবার মরদেহ নিতে রাজি হয়নি, তাই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা মো. আজহার উদ্দিন বলেন, খোকন মিয়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তার পাশে কেউ ছিল না। মানবিক দায়িত্ব থেকে আমরা তার চিকিৎসা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করেছি। মৃত্যুর পরও তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সত্যিই কষ্টদায়ক।

হাসপাতালের বেডেই নিঃসঙ্গ মৃত্যু: মরদেহ নিল না পরিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১৪: ০৩

খোকন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে টানা ৩৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর নিঃসঙ্গতার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে খোকন মিয়া নামে এক ব্যক্তির। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
খোকন মিয়ার মৃত্যুর পরও ভাগ্যে জোটেনি আপনজনের শেষ বিদায়। স্ত্রী ও সন্তানরা তার মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।
‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তার চিকিৎসা ও খাবারের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সংস্থাটির উদ্যোগে ‘বেওয়ারিশ লাশ’ হিসেবে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা খোকন মিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এমন কী মৃত্যুর আগেই মরদেহ গ্রহণ না করার কথাও জানিয়ে দেয়। তার শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার করুইন গ্রামে এবং পৈতৃক বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। খোকন মিয়ার বাবা মৃত বশির উদ্দিন ও মা মৃত মধুবালা বিবি। স্ত্রী ও দুই ছেলে থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ সময় তিনি কাটিয়েছেন সম্পূর্ণ একাকীত্বে।
চিকিৎসকরা জানায়, খোকন মিয়া মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সম্প্রতি এক দুর্ঘটনায় তার বাম পায়ে গুরুতর আঘাত পান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হলেও পরিবারের সহযোগিতা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে খোকন মিয়ার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবার মরদেহ নিতে রাজি হয়নি, তাই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা মো. আজহার উদ্দিন বলেন, খোকন মিয়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তার পাশে কেউ ছিল না। মানবিক দায়িত্ব থেকে আমরা তার চিকিৎসা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করেছি। মৃত্যুর পরও তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সত্যিই কষ্টদায়ক।
/এসআর/




