জামালপুরে জামালই সেরা
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে জামালই সেরা
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ০৭: ০০

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি এলাকার একটি খামারে বেড়ে উঠেছে ফিজিশিয়ান জাতের বিশালদেহী এক গরু। মালিকের নামানুসারে গরুটির নাম রাখা হয় জামাল মিয়া। তার ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। জামালপুরে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।
সরজমিনে খামারটিতে দেখা যায়, জামাল মিয়া শুধু আকারেই বড় নয়, দেখতেও দর্শনীয় এবং শক্তিশালী। তাকে গোয়াল ঘর থেকে বের করতেই ১০ থেকে ১২ জন লোকের প্রয়োজন হয়।
খামারি জাহিদ ইসলাম জানান, প্রায় আড়াই বছর ধরে জামালকে লালন-পালন করে করে আসছি। আমাদের পরিবারের সঙ্গে জামালের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। তাকে এক নজর না দেখলে মন জুড়াই না।

তিনি আরও জানান, জামালের পছন্দের খাবার মিষ্টি আলু, নানা জাতের ফল। এছাড়া, সে নিয়মিত ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভূষি খায়। কয়েক দিনের মধ্যেই ঢাকায় নেওয়া হবে। গরুটির বর্তমান ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। অনেকেই জামালের দরদাম করেছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পেলেই বিক্রি করব।
জাহিদুল ইসলাম স্ত্রী ছাবিনা বেগম বলেন, প্রতিদিন জামালকে দেখতে অনেক মানুষ বাড়িতে আসে। আমরা তার অনেক যত্ন করছি।
কুলকান্দি গ্রামের মুছা মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় এত বড় গরু এর আগে কেউ দেখেনি। জামালের লালন-পালন বিষয়ে অনেকেই জানতে আসে।
জামালপুরের অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই গরুটি বড় হয়েছে। এ কারণে গরুটি অনেক শক্তিশালী। জামালপুর জেলায় ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি গবাদী পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি এলাকার একটি খামারে বেড়ে উঠেছে ফিজিশিয়ান জাতের বিশালদেহী এক গরু। মালিকের নামানুসারে গরুটির নাম রাখা হয় জামাল মিয়া। তার ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। জামালপুরে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।
সরজমিনে খামারটিতে দেখা যায়, জামাল মিয়া শুধু আকারেই বড় নয়, দেখতেও দর্শনীয় এবং শক্তিশালী। তাকে গোয়াল ঘর থেকে বের করতেই ১০ থেকে ১২ জন লোকের প্রয়োজন হয়।
খামারি জাহিদ ইসলাম জানান, প্রায় আড়াই বছর ধরে জামালকে লালন-পালন করে করে আসছি। আমাদের পরিবারের সঙ্গে জামালের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। তাকে এক নজর না দেখলে মন জুড়াই না।

তিনি আরও জানান, জামালের পছন্দের খাবার মিষ্টি আলু, নানা জাতের ফল। এছাড়া, সে নিয়মিত ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভূষি খায়। কয়েক দিনের মধ্যেই ঢাকায় নেওয়া হবে। গরুটির বর্তমান ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। অনেকেই জামালের দরদাম করেছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পেলেই বিক্রি করব।
জাহিদুল ইসলাম স্ত্রী ছাবিনা বেগম বলেন, প্রতিদিন জামালকে দেখতে অনেক মানুষ বাড়িতে আসে। আমরা তার অনেক যত্ন করছি।
কুলকান্দি গ্রামের মুছা মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় এত বড় গরু এর আগে কেউ দেখেনি। জামালের লালন-পালন বিষয়ে অনেকেই জানতে আসে।
জামালপুরের অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই গরুটি বড় হয়েছে। এ কারণে গরুটি অনেক শক্তিশালী। জামালপুর জেলায় ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি গবাদী পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।

জামালপুরে জামালই সেরা
জামালপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ০৭: ০০

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি এলাকার একটি খামারে বেড়ে উঠেছে ফিজিশিয়ান জাতের বিশালদেহী এক গরু। মালিকের নামানুসারে গরুটির নাম রাখা হয় জামাল মিয়া। তার ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। জামালপুরে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।
সরজমিনে খামারটিতে দেখা যায়, জামাল মিয়া শুধু আকারেই বড় নয়, দেখতেও দর্শনীয় এবং শক্তিশালী। তাকে গোয়াল ঘর থেকে বের করতেই ১০ থেকে ১২ জন লোকের প্রয়োজন হয়।
খামারি জাহিদ ইসলাম জানান, প্রায় আড়াই বছর ধরে জামালকে লালন-পালন করে করে আসছি। আমাদের পরিবারের সঙ্গে জামালের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। তাকে এক নজর না দেখলে মন জুড়াই না।

তিনি আরও জানান, জামালের পছন্দের খাবার মিষ্টি আলু, নানা জাতের ফল। এছাড়া, সে নিয়মিত ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভূষি খায়। কয়েক দিনের মধ্যেই ঢাকায় নেওয়া হবে। গরুটির বর্তমান ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। অনেকেই জামালের দরদাম করেছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পেলেই বিক্রি করব।
জাহিদুল ইসলাম স্ত্রী ছাবিনা বেগম বলেন, প্রতিদিন জামালকে দেখতে অনেক মানুষ বাড়িতে আসে। আমরা তার অনেক যত্ন করছি।
কুলকান্দি গ্রামের মুছা মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় এত বড় গরু এর আগে কেউ দেখেনি। জামালের লালন-পালন বিষয়ে অনেকেই জানতে আসে।
জামালপুরের অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই গরুটি বড় হয়েছে। এ কারণে গরুটি অনেক শক্তিশালী। জামালপুর জেলায় ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি গবাদী পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত জামালই সেরা।
/এসআর/




