চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫১ লাখ টাকার সিগারেট-আইফোন জব্দ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫১ লাখ টাকার সিগারেট-আইফোন জব্দ
সিজেডএন ডেস্ক

দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসা তিন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা মূল্যের সিগারেট ও আইফোন জব্দ করেছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন উদ্ধার করা হয়। একই সময় বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাইফেরত বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ফেনীর বাসিন্দা মঈনুল আবদিন, আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বের হওয়ার সময় তাঁদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি শুরু করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন পাওয়া যায়। পরে এসব পণ্য জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ৩৬ লাখ ৪ হাজার টাকা। ১৩টি আইফোনের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তিন যাত্রীর কাছ থেকে জব্দ করা পণ্যের মূল্য ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা।
এদিকে একই সময়ে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। এসব সিগারেটও জব্দ করা হয়েছে। তবে পরিত্যক্ত সিগারেটগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতেই তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে আমদানি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের আওতায় থাকা সিগারেট ও আইফোন পাওয়া যাওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসব সিগারেট ও আইফোন জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অনুপ্রবেশ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
জব্দ করা পণ্য কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসা তিন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা মূল্যের সিগারেট ও আইফোন জব্দ করেছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন উদ্ধার করা হয়। একই সময় বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাইফেরত বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ফেনীর বাসিন্দা মঈনুল আবদিন, আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বের হওয়ার সময় তাঁদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি শুরু করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন পাওয়া যায়। পরে এসব পণ্য জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ৩৬ লাখ ৪ হাজার টাকা। ১৩টি আইফোনের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তিন যাত্রীর কাছ থেকে জব্দ করা পণ্যের মূল্য ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা।
এদিকে একই সময়ে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। এসব সিগারেটও জব্দ করা হয়েছে। তবে পরিত্যক্ত সিগারেটগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতেই তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে আমদানি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের আওতায় থাকা সিগারেট ও আইফোন পাওয়া যাওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসব সিগারেট ও আইফোন জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অনুপ্রবেশ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
জব্দ করা পণ্য কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫১ লাখ টাকার সিগারেট-আইফোন জব্দ
সিজেডএন ডেস্ক

দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসা তিন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা মূল্যের সিগারেট ও আইফোন জব্দ করেছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন উদ্ধার করা হয়। একই সময় বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাইফেরত বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ফেনীর বাসিন্দা মঈনুল আবদিন, আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বের হওয়ার সময় তাঁদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি শুরু করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন পাওয়া যায়। পরে এসব পণ্য জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ৩৬ লাখ ৪ হাজার টাকা। ১৩টি আইফোনের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তিন যাত্রীর কাছ থেকে জব্দ করা পণ্যের মূল্য ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা।
এদিকে একই সময়ে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। এসব সিগারেটও জব্দ করা হয়েছে। তবে পরিত্যক্ত সিগারেটগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতেই তিন যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে আমদানি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের আওতায় থাকা সিগারেট ও আইফোন পাওয়া যাওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসব সিগারেট ও আইফোন জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অনুপ্রবেশ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
জব্দ করা পণ্য কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।









