গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত
জাবি সংবাদদাতা

দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ আয়োজনে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ২০২৪-এ যখন গণ-অভ্যুত্থান চলছিল, তখনও জাতীয় সংগীত আমাদেরকে নতুনভাবে উদ্যমী করে তুলেছিল। আজকেও এই গণতান্ত্রিক শুভ সূচনালগ্নে জাতীয় সংগীত গেয়েছি। আমরা আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।
তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক শামীমা সুলতানা বলেন, আজকে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই রাষ্ট্রের যেন আমরা সবাই অংশীজন হতে পারি। একটি সুন্দর নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তেই সবাইকে একত্রিত করা। আমাদের অনুরোধ থাকবে, এই দেশটা যেন সবার হয়ে উঠে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবসময় বাংলাদেশের দুঃসময়ে সবার আগে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আজ জাতীয় সংগীতের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জেন-জি যে রক্ত দিয়ে পরিবর্তনের এই সুযোগটি এনে দিয়েছে, প্রত্যাশা থাকবে আমাদের অভিভাবকরা সেই সুযোগটি কাজে লাগাবেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শামসুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম, আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলি, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, সদস্য-সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিক প্রমুখ।

দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ আয়োজনে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ২০২৪-এ যখন গণ-অভ্যুত্থান চলছিল, তখনও জাতীয় সংগীত আমাদেরকে নতুনভাবে উদ্যমী করে তুলেছিল। আজকেও এই গণতান্ত্রিক শুভ সূচনালগ্নে জাতীয় সংগীত গেয়েছি। আমরা আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।
তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক শামীমা সুলতানা বলেন, আজকে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই রাষ্ট্রের যেন আমরা সবাই অংশীজন হতে পারি। একটি সুন্দর নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তেই সবাইকে একত্রিত করা। আমাদের অনুরোধ থাকবে, এই দেশটা যেন সবার হয়ে উঠে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবসময় বাংলাদেশের দুঃসময়ে সবার আগে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আজ জাতীয় সংগীতের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জেন-জি যে রক্ত দিয়ে পরিবর্তনের এই সুযোগটি এনে দিয়েছে, প্রত্যাশা থাকবে আমাদের অভিভাবকরা সেই সুযোগটি কাজে লাগাবেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শামসুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম, আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলি, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, সদস্য-সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিক প্রমুখ।

গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত
জাবি সংবাদদাতা

দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ আয়োজনে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ২০২৪-এ যখন গণ-অভ্যুত্থান চলছিল, তখনও জাতীয় সংগীত আমাদেরকে নতুনভাবে উদ্যমী করে তুলেছিল। আজকেও এই গণতান্ত্রিক শুভ সূচনালগ্নে জাতীয় সংগীত গেয়েছি। আমরা আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।
তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক শামীমা সুলতানা বলেন, আজকে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই রাষ্ট্রের যেন আমরা সবাই অংশীজন হতে পারি। একটি সুন্দর নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তেই সবাইকে একত্রিত করা। আমাদের অনুরোধ থাকবে, এই দেশটা যেন সবার হয়ে উঠে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবসময় বাংলাদেশের দুঃসময়ে সবার আগে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আজ জাতীয় সংগীতের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জেন-জি যে রক্ত দিয়ে পরিবর্তনের এই সুযোগটি এনে দিয়েছে, প্রত্যাশা থাকবে আমাদের অভিভাবকরা সেই সুযোগটি কাজে লাগাবেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শামসুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম, আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলি, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, সদস্য-সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিক প্রমুখ।




