ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ চ্যালেঞ্জ

ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ চ্যালেঞ্জ
কুমিল্লা সংবাদদাতা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার অংশে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১০৫ কিলোমিটার পথ কুমিল্লার ওপর দিয়ে গেছে। যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, নিরাপদ ঈদ যাত্রায় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে চারটি বিষয়। সেগুলো হচ্ছে– মহাসড়কের পাশে ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার ও মহাসড়কে চলমান সংস্কার কাজ।
দুই লেনে মহাসড়কের ওপরে গাড়ি পার্কিং করা হয় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে। একই অবস্থা দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর, চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে। এছাড়া, পদুয়ার বাজার, মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম সদর অংশ হকারদের দখলে ফুটপাত। নিমসার, মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে বাজারও বসে মহাসড়কে।

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখানে সড়ক সংস্কারের কারণে যান চলছে ধীর গতিতে। জেলার পদুয়া বাজারও একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে থেকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক আলাদা হয়েছে।
এই সড়ক দিয়ে লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও যাতায়াত করে। এখানে চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোমেলো বাস পার্কিং করে রাখা হয়। যানজটের প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নেও। পাশের ফুটপাত ও সড়কে ভ্রাম্যমাণ হকার বসে। এতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নোয়াখালী সড়কের মাথায় ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা হয়। ফলে এখানে যানজটের সৃষ্টি হয়।
যাত্রীরা বলেন, ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং ও বাজারের কারণে মহাসড়কে প্রায় যানজট হয়। এখানে প্রশাসনের নজর না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যানজটের ভোগান্তিতে পড়বে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন সিটিজেন জানার্লকে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। এছাড়া বাস দাঁড়ানোর জন্য পার্কিং স্পেস তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে মোড়ে বাস না দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ভবেরচর হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ (কুমিল্লা আঞ্চলিক) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, মহাসড়কের সমস্যাগুলো আমাদের জানা আছে। আমরা কয়েকদিন আগেও ফুটপাতের দখলকারীদের উচ্ছেদ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, সবার সহযোগিতায় আমরা পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখতে পারবো।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার অংশে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১০৫ কিলোমিটার পথ কুমিল্লার ওপর দিয়ে গেছে। যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, নিরাপদ ঈদ যাত্রায় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে চারটি বিষয়। সেগুলো হচ্ছে– মহাসড়কের পাশে ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার ও মহাসড়কে চলমান সংস্কার কাজ।
দুই লেনে মহাসড়কের ওপরে গাড়ি পার্কিং করা হয় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে। একই অবস্থা দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর, চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে। এছাড়া, পদুয়ার বাজার, মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম সদর অংশ হকারদের দখলে ফুটপাত। নিমসার, মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে বাজারও বসে মহাসড়কে।

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখানে সড়ক সংস্কারের কারণে যান চলছে ধীর গতিতে। জেলার পদুয়া বাজারও একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে থেকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক আলাদা হয়েছে।
এই সড়ক দিয়ে লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও যাতায়াত করে। এখানে চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোমেলো বাস পার্কিং করে রাখা হয়। যানজটের প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নেও। পাশের ফুটপাত ও সড়কে ভ্রাম্যমাণ হকার বসে। এতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নোয়াখালী সড়কের মাথায় ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা হয়। ফলে এখানে যানজটের সৃষ্টি হয়।
যাত্রীরা বলেন, ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং ও বাজারের কারণে মহাসড়কে প্রায় যানজট হয়। এখানে প্রশাসনের নজর না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যানজটের ভোগান্তিতে পড়বে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন সিটিজেন জানার্লকে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। এছাড়া বাস দাঁড়ানোর জন্য পার্কিং স্পেস তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে মোড়ে বাস না দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ভবেরচর হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ (কুমিল্লা আঞ্চলিক) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, মহাসড়কের সমস্যাগুলো আমাদের জানা আছে। আমরা কয়েকদিন আগেও ফুটপাতের দখলকারীদের উচ্ছেদ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, সবার সহযোগিতায় আমরা পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখতে পারবো।

ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ চ্যালেঞ্জ
কুমিল্লা সংবাদদাতা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার অংশে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১০৫ কিলোমিটার পথ কুমিল্লার ওপর দিয়ে গেছে। যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, নিরাপদ ঈদ যাত্রায় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে চারটি বিষয়। সেগুলো হচ্ছে– মহাসড়কের পাশে ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার ও মহাসড়কে চলমান সংস্কার কাজ।
দুই লেনে মহাসড়কের ওপরে গাড়ি পার্কিং করা হয় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে। একই অবস্থা দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর, চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে। এছাড়া, পদুয়ার বাজার, মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম সদর অংশ হকারদের দখলে ফুটপাত। নিমসার, মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে বাজারও বসে মহাসড়কে।

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখানে সড়ক সংস্কারের কারণে যান চলছে ধীর গতিতে। জেলার পদুয়া বাজারও একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে থেকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক আলাদা হয়েছে।
এই সড়ক দিয়ে লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও যাতায়াত করে। এখানে চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোমেলো বাস পার্কিং করে রাখা হয়। যানজটের প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নেও। পাশের ফুটপাত ও সড়কে ভ্রাম্যমাণ হকার বসে। এতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নোয়াখালী সড়কের মাথায় ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা হয়। ফলে এখানে যানজটের সৃষ্টি হয়।
যাত্রীরা বলেন, ফুটপাত দখল, এলোমেলো পার্কিং ও বাজারের কারণে মহাসড়কে প্রায় যানজট হয়। এখানে প্রশাসনের নজর না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যানজটের ভোগান্তিতে পড়বে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন সিটিজেন জানার্লকে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। এছাড়া বাস দাঁড়ানোর জন্য পার্কিং স্পেস তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে মোড়ে বাস না দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ভবেরচর হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে-মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ (কুমিল্লা আঞ্চলিক) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, মহাসড়কের সমস্যাগুলো আমাদের জানা আছে। আমরা কয়েকদিন আগেও ফুটপাতের দখলকারীদের উচ্ছেদ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, সবার সহযোগিতায় আমরা পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখতে পারবো।




