কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার হোমনায় জহির নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকায় বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার, তাদের ছেলে হোসাইন এবং জহিরুলের ভাইয়ের ছেলে জুবায়ের। সোমবার রাতে তারা একই কক্ষে ঘুমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশিরা।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ঘরের দরজা খোলা দেখে আশপাশের লোক এসে দেখে তিনটি মরদেহ পড়ে আছে। এ সময় স্থানীয়রা প্রবাসীর স্ত্রী এবং দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।

কুমিল্লার হোমনায় জহির নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকায় বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার, তাদের ছেলে হোসাইন এবং জহিরুলের ভাইয়ের ছেলে জুবায়ের। সোমবার রাতে তারা একই কক্ষে ঘুমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশিরা।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ঘরের দরজা খোলা দেখে আশপাশের লোক এসে দেখে তিনটি মরদেহ পড়ে আছে। এ সময় স্থানীয়রা প্রবাসীর স্ত্রী এবং দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার হোমনায় জহির নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকায় বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার, তাদের ছেলে হোসাইন এবং জহিরুলের ভাইয়ের ছেলে জুবায়ের। সোমবার রাতে তারা একই কক্ষে ঘুমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশিরা।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ঘরের দরজা খোলা দেখে আশপাশের লোক এসে দেখে তিনটি মরদেহ পড়ে আছে। এ সময় স্থানীয়রা প্রবাসীর স্ত্রী এবং দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।



