পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলায় এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে এ আদেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন।
কারাগারে পাঠানো ওই নেতার নাম সাইদুল আরেফিন মিরাজ। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল আলমের ছেলে এবং জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় শাখার অর্থ সম্পাদক।
নথির তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী প্রবাসীর স্ত্রী এবং প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মিরাজ প্রেমে জড়িয়ে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন এবং যৌনসম্পর্ক স্থাপনের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী বলেন, ‘১৮ দিন যাবত সে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখেছিল। আমার সঙ্গে প্রতারণা করে সে স্বর্ণ ও নগদ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলায় এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে এ আদেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন।
কারাগারে পাঠানো ওই নেতার নাম সাইদুল আরেফিন মিরাজ। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল আলমের ছেলে এবং জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় শাখার অর্থ সম্পাদক।
নথির তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী প্রবাসীর স্ত্রী এবং প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মিরাজ প্রেমে জড়িয়ে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন এবং যৌনসম্পর্ক স্থাপনের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী বলেন, ‘১৮ দিন যাবত সে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখেছিল। আমার সঙ্গে প্রতারণা করে সে স্বর্ণ ও নগদ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলায় এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে এ আদেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস এম গিয়াস উদ্দিন।
কারাগারে পাঠানো ওই নেতার নাম সাইদুল আরেফিন মিরাজ। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল আলমের ছেলে এবং জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় শাখার অর্থ সম্পাদক।
নথির তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী প্রবাসীর স্ত্রী এবং প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মিরাজ প্রেমে জড়িয়ে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন এবং যৌনসম্পর্ক স্থাপনের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী বলেন, ‘১৮ দিন যাবত সে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখেছিল। আমার সঙ্গে প্রতারণা করে সে স্বর্ণ ও নগদ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।




