হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা

হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের বাসিন্দা ফরিদুল আলম ও মোহাম্মদ ইসমাঈল দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী। মায়ের মৃত্যুতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জানাজায় অংশ নেন তারা।
ফরিদুল আলম কার্যক্রম নিষিদ্ধ দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মো. ইসমাঈল একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানাজার মাঠে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বড় ভাই ফরিদুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার। এলাকায় কারও ক্ষতি করিনি। মরহুমা মায়ের জন্য এবং অসুস্থ বাবা নুর আহমদের জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আবার ফিরে আসব।’
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর নবী হোসেন নামে তাদের এক স্বজন আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে শনিবার তাদের কারাগার থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়।
ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাঈল বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় প্রায় আড়াই মাস ধরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। জীবিত অবস্থায় মাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেনি দুই ভাই।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের বাসিন্দা ফরিদুল আলম ও মোহাম্মদ ইসমাঈল দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী। মায়ের মৃত্যুতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জানাজায় অংশ নেন তারা।
ফরিদুল আলম কার্যক্রম নিষিদ্ধ দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মো. ইসমাঈল একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানাজার মাঠে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বড় ভাই ফরিদুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার। এলাকায় কারও ক্ষতি করিনি। মরহুমা মায়ের জন্য এবং অসুস্থ বাবা নুর আহমদের জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আবার ফিরে আসব।’
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর নবী হোসেন নামে তাদের এক স্বজন আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে শনিবার তাদের কারাগার থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়।
ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাঈল বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় প্রায় আড়াই মাস ধরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। জীবিত অবস্থায় মাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেনি দুই ভাই।

হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের বাসিন্দা ফরিদুল আলম ও মোহাম্মদ ইসমাঈল দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী। মায়ের মৃত্যুতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জানাজায় অংশ নেন তারা।
ফরিদুল আলম কার্যক্রম নিষিদ্ধ দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মো. ইসমাঈল একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানাজার মাঠে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বড় ভাই ফরিদুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার। এলাকায় কারও ক্ষতি করিনি। মরহুমা মায়ের জন্য এবং অসুস্থ বাবা নুর আহমদের জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আবার ফিরে আসব।’
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর নবী হোসেন নামে তাদের এক স্বজন আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে শনিবার তাদের কারাগার থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়।
ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাঈল বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় প্রায় আড়াই মাস ধরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। জীবিত অবস্থায় মাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেনি দুই ভাই।



