লবণমাঠ খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো গুলি-গ্রেনেড

লবণমাঠ খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো গুলি-গ্রেনেড
জামালপুর সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা জাদিমুড়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সংলগ্ন লবণমাঠে অভিযান চালিয়ে ১০টি গ্রেনেড, ২৮টি গুলি ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কোস্টগার্ড এ অভিযান চালায়। তবে এর সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার বেলা ২টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, নাফ নদীর ওই লবণমাঠে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর লোকজন বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও গোলাবারুদ এনে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে – এমন খবর পাওয়ার পর শনিবার রাতে কোস্টগার্ডের বিশেষ দল অভিযানে নামে। রাত ১০টার দিকে জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পূর্ব পাশে লবণের মাঠের একটি অংশ খুঁড়ে ১০টি গ্রেনেড ও ২৮টি গুলি পাওয়া যায়। গ্রেনেডগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হয়। অস্ত্রের পাশাপাশি দুই কেজি গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় অস্ত্র ও মাদক পাচারকারী ব্যক্তিরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড গার্ড সূত্র জানায়, খোলা লবণমাঠের ওই জায়গা দিয়ে লোকজনের চলাচল রয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলো কারও হাতে পড়লে বা বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা জাদিমুড়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সংলগ্ন লবণমাঠে অভিযান চালিয়ে ১০টি গ্রেনেড, ২৮টি গুলি ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কোস্টগার্ড এ অভিযান চালায়। তবে এর সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার বেলা ২টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, নাফ নদীর ওই লবণমাঠে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর লোকজন বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও গোলাবারুদ এনে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে – এমন খবর পাওয়ার পর শনিবার রাতে কোস্টগার্ডের বিশেষ দল অভিযানে নামে। রাত ১০টার দিকে জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পূর্ব পাশে লবণের মাঠের একটি অংশ খুঁড়ে ১০টি গ্রেনেড ও ২৮টি গুলি পাওয়া যায়। গ্রেনেডগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হয়। অস্ত্রের পাশাপাশি দুই কেজি গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় অস্ত্র ও মাদক পাচারকারী ব্যক্তিরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড গার্ড সূত্র জানায়, খোলা লবণমাঠের ওই জায়গা দিয়ে লোকজনের চলাচল রয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলো কারও হাতে পড়লে বা বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

লবণমাঠ খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো গুলি-গ্রেনেড
জামালপুর সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা জাদিমুড়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সংলগ্ন লবণমাঠে অভিযান চালিয়ে ১০টি গ্রেনেড, ২৮টি গুলি ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কোস্টগার্ড এ অভিযান চালায়। তবে এর সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার বেলা ২টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, নাফ নদীর ওই লবণমাঠে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর লোকজন বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও গোলাবারুদ এনে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে – এমন খবর পাওয়ার পর শনিবার রাতে কোস্টগার্ডের বিশেষ দল অভিযানে নামে। রাত ১০টার দিকে জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পূর্ব পাশে লবণের মাঠের একটি অংশ খুঁড়ে ১০টি গ্রেনেড ও ২৮টি গুলি পাওয়া যায়। গ্রেনেডগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হয়। অস্ত্রের পাশাপাশি দুই কেজি গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় অস্ত্র ও মাদক পাচারকারী ব্যক্তিরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড গার্ড সূত্র জানায়, খোলা লবণমাঠের ওই জায়গা দিয়ে লোকজনের চলাচল রয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলো কারও হাতে পড়লে বা বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।




