বন্যার পানি নামতেই বাড়ছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি

বন্যার পানি নামতেই বাড়ছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের সাত জেলায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও এখন নতুন করে তীব্র রূপ নিচ্ছে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৯টি উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ ৯ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও প্লাবিত এলাকাগুলোতে নিরাপদ সুপেয় পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যা ডায়রিয়া, কলেরা ও চর্মরোগের মতো সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ডায়রিয়া ও চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্যার পানিতে ব্যাহত হলেও এখন সেখানে চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের ভিড় বাড়ছে। চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ১১২ জন ডায়রিয়ায় এবং ১০৫ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাঁশখালীতে সুপেয় পানির সংকটে আক্রান্তদের ৩০ শতাংশই ডায়রিয়া রোগী এবং সেখানে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতকানিয়া ও বোয়ালখালীতেও ডায়রিয়া ও চর্মরোগের পাশাপাশি সাপে ও অন্যান্য পোকার কামড়ে আহত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া কক্সবাজারের পেকুয়া এবং বান্দরবানের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্ক্যাবিসসহ (খোসপাঁচড়া) বিভিন্ন চর্মরোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের হিসাবমতে, শুধু চট্টগ্রামেই বন্যার কারণে প্রায় ২০ হাজার অগভীর নলকূপ এবং অসংখ্য টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সুপেয় পানির সংকট ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে আরও ঘনীভূত করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুর্গম ও উপদ্রুত এলাকাগুলোতে মোবাইল মেডিকেল টিম মোতায়েন করেছে। ডায়রিয়ার সংক্রমণ রোধে চার লাখের বেশি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বন্যার পর দূষিত পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং আশ্রয়কেন্দ্রের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মহামারি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবার ভালোভাবে রান্না করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

দেশের সাত জেলায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও এখন নতুন করে তীব্র রূপ নিচ্ছে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৯টি উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ ৯ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও প্লাবিত এলাকাগুলোতে নিরাপদ সুপেয় পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যা ডায়রিয়া, কলেরা ও চর্মরোগের মতো সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ডায়রিয়া ও চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্যার পানিতে ব্যাহত হলেও এখন সেখানে চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের ভিড় বাড়ছে। চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ১১২ জন ডায়রিয়ায় এবং ১০৫ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাঁশখালীতে সুপেয় পানির সংকটে আক্রান্তদের ৩০ শতাংশই ডায়রিয়া রোগী এবং সেখানে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতকানিয়া ও বোয়ালখালীতেও ডায়রিয়া ও চর্মরোগের পাশাপাশি সাপে ও অন্যান্য পোকার কামড়ে আহত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া কক্সবাজারের পেকুয়া এবং বান্দরবানের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্ক্যাবিসসহ (খোসপাঁচড়া) বিভিন্ন চর্মরোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের হিসাবমতে, শুধু চট্টগ্রামেই বন্যার কারণে প্রায় ২০ হাজার অগভীর নলকূপ এবং অসংখ্য টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সুপেয় পানির সংকট ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে আরও ঘনীভূত করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুর্গম ও উপদ্রুত এলাকাগুলোতে মোবাইল মেডিকেল টিম মোতায়েন করেছে। ডায়রিয়ার সংক্রমণ রোধে চার লাখের বেশি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বন্যার পর দূষিত পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং আশ্রয়কেন্দ্রের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মহামারি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবার ভালোভাবে রান্না করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

বন্যার পানি নামতেই বাড়ছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের সাত জেলায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও এখন নতুন করে তীব্র রূপ নিচ্ছে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৯টি উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ ৯ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও প্লাবিত এলাকাগুলোতে নিরাপদ সুপেয় পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যা ডায়রিয়া, কলেরা ও চর্মরোগের মতো সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ডায়রিয়া ও চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্যার পানিতে ব্যাহত হলেও এখন সেখানে চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের ভিড় বাড়ছে। চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ১১২ জন ডায়রিয়ায় এবং ১০৫ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাঁশখালীতে সুপেয় পানির সংকটে আক্রান্তদের ৩০ শতাংশই ডায়রিয়া রোগী এবং সেখানে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতকানিয়া ও বোয়ালখালীতেও ডায়রিয়া ও চর্মরোগের পাশাপাশি সাপে ও অন্যান্য পোকার কামড়ে আহত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া কক্সবাজারের পেকুয়া এবং বান্দরবানের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্ক্যাবিসসহ (খোসপাঁচড়া) বিভিন্ন চর্মরোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের হিসাবমতে, শুধু চট্টগ্রামেই বন্যার কারণে প্রায় ২০ হাজার অগভীর নলকূপ এবং অসংখ্য টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সুপেয় পানির সংকট ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে আরও ঘনীভূত করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুর্গম ও উপদ্রুত এলাকাগুলোতে মোবাইল মেডিকেল টিম মোতায়েন করেছে। ডায়রিয়ার সংক্রমণ রোধে চার লাখের বেশি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বন্যার পর দূষিত পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং আশ্রয়কেন্দ্রের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মহামারি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবার ভালোভাবে রান্না করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

বন্যার পানিতে ডুবেছে কবরস্থান, ভেলায় ভাসিয়ে নেওয়া হলো মরদেহ
অবৈধ বাঁধেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা





