শাহ আমানতে ৩৫ দিনে ২৪৫ ফ্লাইট বাতিল

শাহ আমানতে ৩৫ দিনে ২৪৫ ফ্লাইট বাতিল
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে গত ৩৫ দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় জটিলতা বজায় থাকায় মূলত শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো হলো–
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ১টি ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ১টি ফ্লাইট।
এয়ার আরাবিয়া: শারজা থেকে আসা ও যাওয়ার ২টি ফ্লাইট।
সালাম এয়ার: মধ্যপ্রাচ্যগামী ও ফিরতি পথের আরও ২টি ফ্লাইট।
এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এ দিন বিভিন্ন বিমান সংস্থার মোট ৯টি ‘অ্যারাইভাল’ ও ৬টি ‘ডিপার্চার’ ফ্লাইট সচল ছিল। মূলত সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার সংযুক্ত আরব আমির রুটের ফ্লাইটগুলিই সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে গত ৩৫ দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় জটিলতা বজায় থাকায় মূলত শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো হলো–
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ১টি ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ১টি ফ্লাইট।
এয়ার আরাবিয়া: শারজা থেকে আসা ও যাওয়ার ২টি ফ্লাইট।
সালাম এয়ার: মধ্যপ্রাচ্যগামী ও ফিরতি পথের আরও ২টি ফ্লাইট।
এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এ দিন বিভিন্ন বিমান সংস্থার মোট ৯টি ‘অ্যারাইভাল’ ও ৬টি ‘ডিপার্চার’ ফ্লাইট সচল ছিল। মূলত সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার সংযুক্ত আরব আমির রুটের ফ্লাইটগুলিই সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শাহ আমানতে ৩৫ দিনে ২৪৫ ফ্লাইট বাতিল
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে গত ৩৫ দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় জটিলতা বজায় থাকায় মূলত শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো হলো–
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ১টি ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ১টি ফ্লাইট।
এয়ার আরাবিয়া: শারজা থেকে আসা ও যাওয়ার ২টি ফ্লাইট।
সালাম এয়ার: মধ্যপ্রাচ্যগামী ও ফিরতি পথের আরও ২টি ফ্লাইট।
এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এ দিন বিভিন্ন বিমান সংস্থার মোট ৯টি ‘অ্যারাইভাল’ ও ৬টি ‘ডিপার্চার’ ফ্লাইট সচল ছিল। মূলত সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার সংযুক্ত আরব আমির রুটের ফ্লাইটগুলিই সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।




