মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল থেকে আংশিক গ্যাস সরবরাহ শুরু

মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল থেকে আংশিক গ্যাস সরবরাহ শুরু
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি আংশিক সচল হওয়ায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বয়লার চালু করায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছ বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। বেশ কয়েক দিন ধরে চলা চরম ভোগান্তির পর নগরের পাম্পগুলোতে এখন আর আগের মতো যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না।
পেট্রোবাংলা নিশ্চিত করেছে, মেরামত করা বয়লারটি থেকে এখন প্রতিদিন ১১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। এর পাশাপাশি মহেশখালীর অপর ভাসমান টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সরবরাহ করা হচ্ছে আরও ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। ফলে চট্টগ্রামের পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেট্রোবাংলার পাশাপাশি স্থানীয় দায়িত্বে থাকা কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ অনেক বেড়েছে, যা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সাহায্য করছে।
২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ কমে যায়। দিনে প্রায় ৩৫ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে চট্টগ্রামে সরবরাহ নেমে এসেছিল মাত্র ১৯ থেকে ২০ কোটি ঘনফুটে। ফলে বাসা-বাড়িতে রান্না বন্ধ থাকা থেকে শুরু করে সিএনজি পাম্পে রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ ও চালকেরা।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সিটি গেট, আকবরশাহ ও ষোলশহর এলাকার ফিলিং স্টেশনে ভিড় আগের চেয়ে অনেক কম এবং চালকেরা তুলনামূলক কম সময়ে গ্যাস নিতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, টার্মিনালটি পুরোপুরি মেরামত হয়ে গেলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি আংশিক সচল হওয়ায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বয়লার চালু করায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছ বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। বেশ কয়েক দিন ধরে চলা চরম ভোগান্তির পর নগরের পাম্পগুলোতে এখন আর আগের মতো যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না।
পেট্রোবাংলা নিশ্চিত করেছে, মেরামত করা বয়লারটি থেকে এখন প্রতিদিন ১১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। এর পাশাপাশি মহেশখালীর অপর ভাসমান টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সরবরাহ করা হচ্ছে আরও ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। ফলে চট্টগ্রামের পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেট্রোবাংলার পাশাপাশি স্থানীয় দায়িত্বে থাকা কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ অনেক বেড়েছে, যা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সাহায্য করছে।
২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ কমে যায়। দিনে প্রায় ৩৫ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে চট্টগ্রামে সরবরাহ নেমে এসেছিল মাত্র ১৯ থেকে ২০ কোটি ঘনফুটে। ফলে বাসা-বাড়িতে রান্না বন্ধ থাকা থেকে শুরু করে সিএনজি পাম্পে রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ ও চালকেরা।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সিটি গেট, আকবরশাহ ও ষোলশহর এলাকার ফিলিং স্টেশনে ভিড় আগের চেয়ে অনেক কম এবং চালকেরা তুলনামূলক কম সময়ে গ্যাস নিতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, টার্মিনালটি পুরোপুরি মেরামত হয়ে গেলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল থেকে আংশিক গ্যাস সরবরাহ শুরু
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি আংশিক সচল হওয়ায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বয়লার চালু করায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছ বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। বেশ কয়েক দিন ধরে চলা চরম ভোগান্তির পর নগরের পাম্পগুলোতে এখন আর আগের মতো যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না।
পেট্রোবাংলা নিশ্চিত করেছে, মেরামত করা বয়লারটি থেকে এখন প্রতিদিন ১১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। এর পাশাপাশি মহেশখালীর অপর ভাসমান টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সরবরাহ করা হচ্ছে আরও ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। ফলে চট্টগ্রামের পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেট্রোবাংলার পাশাপাশি স্থানীয় দায়িত্বে থাকা কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ অনেক বেড়েছে, যা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সাহায্য করছে।
২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ কমে যায়। দিনে প্রায় ৩৫ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে চট্টগ্রামে সরবরাহ নেমে এসেছিল মাত্র ১৯ থেকে ২০ কোটি ঘনফুটে। ফলে বাসা-বাড়িতে রান্না বন্ধ থাকা থেকে শুরু করে সিএনজি পাম্পে রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ ও চালকেরা।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সিটি গেট, আকবরশাহ ও ষোলশহর এলাকার ফিলিং স্টেশনে ভিড় আগের চেয়ে অনেক কম এবং চালকেরা তুলনামূলক কম সময়ে গ্যাস নিতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, টার্মিনালটি পুরোপুরি মেরামত হয়ে গেলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল আংশিক চালু, সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট







