চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মায়ের পর দগ্ধ ছেলের মৃত্যু

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মায়ের পর দগ্ধ ছেলের মৃত্যু
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে নুরজাহান আক্তার রানীর পর তার ছেলে মো. শাওন মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওনের মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে শরীরে ৫০ দগ্ধ নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যায় শাওন।

এর আগে সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
মৃত রানী ও শাওন ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন- রানীর স্বামী সাখাওয়াত, তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, প্রবাসী ছোট ভাই সামির আহমেদ, সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, তাদের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের 'হালিমা মঞ্জিল' নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (জোন-১) উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়।’
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে নুরজাহান আক্তার রানীর পর তার ছেলে মো. শাওন মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওনের মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে শরীরে ৫০ দগ্ধ নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যায় শাওন।

এর আগে সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
মৃত রানী ও শাওন ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন- রানীর স্বামী সাখাওয়াত, তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, প্রবাসী ছোট ভাই সামির আহমেদ, সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, তাদের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের 'হালিমা মঞ্জিল' নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (জোন-১) উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়।’
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মায়ের পর দগ্ধ ছেলের মৃত্যু
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে নুরজাহান আক্তার রানীর পর তার ছেলে মো. শাওন মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওনের মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে শরীরে ৫০ দগ্ধ নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যায় শাওন।

এর আগে সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
মৃত রানী ও শাওন ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন- রানীর স্বামী সাখাওয়াত, তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, প্রবাসী ছোট ভাই সামির আহমেদ, সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, তাদের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের 'হালিমা মঞ্জিল' নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (জোন-১) উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়।’
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।




