চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে হালি শহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে পরিবারের ৪ সদস্যের পর গৃহকর্তা সাখাওয়াত হোসাইনও মারা গেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে সাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৭টায় সাখাওয়াত-রানীর ছেলে শাওন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। দুপুর ১২টার দিকে সামির আহমেদের মৃত্যু হয়। তিনি সাখাওয়াতের ছোট ভাই। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে মারা যান সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।
ভয়াবহ এই গ্যাস বিস্ফোরণে এই নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে; বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালি শহর এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
মৃত রানী, শাওন, সামির, পাখি ও সাখাওয়াত ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন, সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামিরের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ, সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনার কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন। কদিন আগে তার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে তার বাসায় আসেন ডাক্তার দেখাতে।

চট্টগ্রামে হালি শহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে পরিবারের ৪ সদস্যের পর গৃহকর্তা সাখাওয়াত হোসাইনও মারা গেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে সাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৭টায় সাখাওয়াত-রানীর ছেলে শাওন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। দুপুর ১২টার দিকে সামির আহমেদের মৃত্যু হয়। তিনি সাখাওয়াতের ছোট ভাই। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে মারা যান সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।
ভয়াবহ এই গ্যাস বিস্ফোরণে এই নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে; বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালি শহর এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
মৃত রানী, শাওন, সামির, পাখি ও সাখাওয়াত ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন, সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামিরের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ, সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনার কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন। কদিন আগে তার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে তার বাসায় আসেন ডাক্তার দেখাতে।

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে হালি শহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে পরিবারের ৪ সদস্যের পর গৃহকর্তা সাখাওয়াত হোসাইনও মারা গেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে সাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৭টায় সাখাওয়াত-রানীর ছেলে শাওন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। দুপুর ১২টার দিকে সামির আহমেদের মৃত্যু হয়। তিনি সাখাওয়াতের ছোট ভাই। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে মারা যান সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।
ভয়াবহ এই গ্যাস বিস্ফোরণে এই নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে; বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালি শহর এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন; তারা সেই সময় সেহরি করছিলেন।
মৃত রানী, শাওন, সামির, পাখি ও সাখাওয়াত ছাড়া দগ্ধ বাকিরা হলেন, সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আইমান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামিরের দুই সন্তান আয়েশা ও ফারহান আহমেদ আনাছ, সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন।
বিস্ফোরণে ভবনের দ্বিতীয় থেকে ৫ তলা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ও লিফটের দরজা ভেঙে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনার কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দেড় বছর আগে গ্যারেজ মালিক সাখাওয়াত হোসেন ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দুই সন্তান, স্ত্রী এবং তার গ্যারেজের এক কর্মচারীসহ ৫ জন থাকেন। কদিন আগে তার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে তার বাসায় আসেন ডাক্তার দেখাতে।




