ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, উদ্ধার কাজ শুরু

ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, উদ্ধার কাজ শুরু
বগুড়া সংবাদদাতা

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম ট্রেনের বগি লইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি দেয়। সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে বেলা আড়াইটার দিকে বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় আহত ট্রেনযাত্রীদের মধ্যে ২০ জন নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬ জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি উদ্ধারে ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে একটি রিলিফ ট্রেন বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বাগমারি এলাকায় এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
সেখানে দায়িত্বরত একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, ‘মাত্র কাজ শুরু হলো। বগিগুলো লাইনে তুলতে তুলতে সারারাত লেগে যেতে পারে। বগি তুলে লাইন ক্লিয়ার করতে করতে হয়ত (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯-১০টা বেজে যেতে পারে।’
এই দুর্ঘটনায় বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় ব্যানার সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বাগমারী এলাকায় ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়।
তিন স্টেশনে আটকা পাঁচ ট্রেন
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় তিনটি স্টেশনে পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, রাত দুইটা নাগাদ লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার হবে। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের আরও কয়েক জোড়া ট্রেন আটকা পড়তে পারে। ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের ৫ জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেল কন্ট্রোলার শফিকুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস নাটোরের রানীনগরে, খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী রকেট মেইল নাটোরে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস নাটোরের আবদুলপুর স্টেশনে ও রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস আবদুলপুর স্টেশনে আটকা পড়েছে।
রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। দ্রুত মেরামত করে রেললাইন সচল করা হবে। আজ রাতের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম ট্রেনের বগি লইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি দেয়। সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে বেলা আড়াইটার দিকে বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় আহত ট্রেনযাত্রীদের মধ্যে ২০ জন নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬ জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি উদ্ধারে ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে একটি রিলিফ ট্রেন বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বাগমারি এলাকায় এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
সেখানে দায়িত্বরত একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, ‘মাত্র কাজ শুরু হলো। বগিগুলো লাইনে তুলতে তুলতে সারারাত লেগে যেতে পারে। বগি তুলে লাইন ক্লিয়ার করতে করতে হয়ত (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯-১০টা বেজে যেতে পারে।’
এই দুর্ঘটনায় বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় ব্যানার সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বাগমারী এলাকায় ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়।
তিন স্টেশনে আটকা পাঁচ ট্রেন
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় তিনটি স্টেশনে পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, রাত দুইটা নাগাদ লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার হবে। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের আরও কয়েক জোড়া ট্রেন আটকা পড়তে পারে। ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের ৫ জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেল কন্ট্রোলার শফিকুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস নাটোরের রানীনগরে, খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী রকেট মেইল নাটোরে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস নাটোরের আবদুলপুর স্টেশনে ও রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস আবদুলপুর স্টেশনে আটকা পড়েছে।
রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। দ্রুত মেরামত করে রেললাইন সচল করা হবে। আজ রাতের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, উদ্ধার কাজ শুরু
বগুড়া সংবাদদাতা

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম ট্রেনের বগি লইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি দেয়। সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে বেলা আড়াইটার দিকে বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় আহত ট্রেনযাত্রীদের মধ্যে ২০ জন নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬ জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি উদ্ধারে ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে একটি রিলিফ ট্রেন বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বাগমারি এলাকায় এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
সেখানে দায়িত্বরত একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, ‘মাত্র কাজ শুরু হলো। বগিগুলো লাইনে তুলতে তুলতে সারারাত লেগে যেতে পারে। বগি তুলে লাইন ক্লিয়ার করতে করতে হয়ত (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯-১০টা বেজে যেতে পারে।’
এই দুর্ঘটনায় বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় ব্যানার সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বাগমারী এলাকায় ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়।
তিন স্টেশনে আটকা পাঁচ ট্রেন
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় তিনটি স্টেশনে পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, রাত দুইটা নাগাদ লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার হবে। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের আরও কয়েক জোড়া ট্রেন আটকা পড়তে পারে। ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের ৫ জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেল কন্ট্রোলার শফিকুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পাঁচটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রূপসা এক্সপ্রেস নাটোরের রানীনগরে, খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী রকেট মেইল নাটোরে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস নাটোরের আবদুলপুর স্টেশনে ও রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস আবদুলপুর স্টেশনে আটকা পড়েছে।
রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহাম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। দ্রুত মেরামত করে রেললাইন সচল করা হবে। আজ রাতের মধ্যে কাজ শুরু হবে।




