জমি বিক্রির কমিশনের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

জমি বিক্রির কমিশনের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
বগুড়া সংবাদদাতা

জমি বিক্রির কমিশনের ১৩ কোটি টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বগুড়ায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং উভয় পক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বগুড়া শহরতলির বেতগাড়ী এলাকায় বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদ ও শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এলাকায় ‘নর্দান হ্যাচারি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ৪২ বিঘা জমি ১০৮ কোটি টাকায় বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। এ জমি কেনাবেচায় তোফাজ্জল হোসেন, সায়েদুল ইসলাম সায়েদসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা মধ্যস্থতার করেন। জমি বিক্রির ১৩ কোটি টাকার কমিশনের মধ্যে তোফাজ্জলের ৩ কোটি টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু সায়েদুল ইসলাম তা দিচ্ছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পর্যায়ে কমিশনের টাকা না দিয়ে সায়েদুল তোফাজ্জলকে ‘চাঁদাবাজ’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে। বিষয়টি নিয়ে দুই জনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
বিএনপি নেতা তোফাজ্জলের অভিযোগ, তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুরের পর সায়েদের সমর্থকেরা আরাফাত হোসেন নামে তার এক সমর্থককে ছুরিকাঘাত করেছে।
তবে এ বিষয়ে বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদের দাবি, তোফাজ্জলের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তার মা-বাবাকে মারধর করা হয় এবং তাদের গ্যারেজে থাকা ১০-১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। তোফাজ্জল নিজেই চাঁদাবাজ। এলাকায় কেউ জমি কিনলে এবং বিক্রি করলে তোফাজ্জলকে চাঁদা দিতে হয়।
বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, জমি বিক্রির কমিশনের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জমি বিক্রির কমিশনের ১৩ কোটি টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বগুড়ায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং উভয় পক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বগুড়া শহরতলির বেতগাড়ী এলাকায় বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদ ও শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এলাকায় ‘নর্দান হ্যাচারি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ৪২ বিঘা জমি ১০৮ কোটি টাকায় বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। এ জমি কেনাবেচায় তোফাজ্জল হোসেন, সায়েদুল ইসলাম সায়েদসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা মধ্যস্থতার করেন। জমি বিক্রির ১৩ কোটি টাকার কমিশনের মধ্যে তোফাজ্জলের ৩ কোটি টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু সায়েদুল ইসলাম তা দিচ্ছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পর্যায়ে কমিশনের টাকা না দিয়ে সায়েদুল তোফাজ্জলকে ‘চাঁদাবাজ’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে। বিষয়টি নিয়ে দুই জনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
বিএনপি নেতা তোফাজ্জলের অভিযোগ, তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুরের পর সায়েদের সমর্থকেরা আরাফাত হোসেন নামে তার এক সমর্থককে ছুরিকাঘাত করেছে।
তবে এ বিষয়ে বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদের দাবি, তোফাজ্জলের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তার মা-বাবাকে মারধর করা হয় এবং তাদের গ্যারেজে থাকা ১০-১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। তোফাজ্জল নিজেই চাঁদাবাজ। এলাকায় কেউ জমি কিনলে এবং বিক্রি করলে তোফাজ্জলকে চাঁদা দিতে হয়।
বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, জমি বিক্রির কমিশনের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জমি বিক্রির কমিশনের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
বগুড়া সংবাদদাতা

জমি বিক্রির কমিশনের ১৩ কোটি টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বগুড়ায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং উভয় পক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বগুড়া শহরতলির বেতগাড়ী এলাকায় বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদ ও শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এলাকায় ‘নর্দান হ্যাচারি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ৪২ বিঘা জমি ১০৮ কোটি টাকায় বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। এ জমি কেনাবেচায় তোফাজ্জল হোসেন, সায়েদুল ইসলাম সায়েদসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা মধ্যস্থতার করেন। জমি বিক্রির ১৩ কোটি টাকার কমিশনের মধ্যে তোফাজ্জলের ৩ কোটি টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু সায়েদুল ইসলাম তা দিচ্ছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পর্যায়ে কমিশনের টাকা না দিয়ে সায়েদুল তোফাজ্জলকে ‘চাঁদাবাজ’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে। বিষয়টি নিয়ে দুই জনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
বিএনপি নেতা তোফাজ্জলের অভিযোগ, তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুরের পর সায়েদের সমর্থকেরা আরাফাত হোসেন নামে তার এক সমর্থককে ছুরিকাঘাত করেছে।
তবে এ বিষয়ে বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েদুল ইসলাম সায়েদের দাবি, তোফাজ্জলের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তার মা-বাবাকে মারধর করা হয় এবং তাদের গ্যারেজে থাকা ১০-১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। তোফাজ্জল নিজেই চাঁদাবাজ। এলাকায় কেউ জমি কিনলে এবং বিক্রি করলে তোফাজ্জলকে চাঁদা দিতে হয়।
বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, জমি বিক্রির কমিশনের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




