টিসিবির নীতিমালা সংশোধন: যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স

টিসিবির নীতিমালা সংশোধন: যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশে (টিসিবি) কালোবাজারি ও অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। সুনির্দিষ্ট ২০ কারণে ডিলারশিপ বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিধান রেখে ‘টিসিবির ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধিত), ২০২৫’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে যদি কোনো ডিলার অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত কেন্দ্র পরিবর্তন করে অন্য কোথাও পণ্য বিক্রি করে বা অবৈধ মজুদ করে, তবে তার লাইসেন্স বাতিল হবে।
বাজারের স্থিথিশীলতা বজায় রাখতে এবং নিম্ন আয়ের এক কোটি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূলে সয়াবিন তেল, মশুর ডাল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ, খেঁজুর, রাইস ব্রান তেলসহ বিভিন্ন পণ্য সরকারী নির্দেশনায় বিক্রি করে টিসিবি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই ডিলারদের বিরুদ্ধে কালোবাজারি, ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করে স্বজনপ্রীতি, ওজনে কম দেওয়া, ডিলারশিপ নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। গুরুতর এসব অনিয়ম রোধেই সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
কালোবাজারে পণ্য বিক্রি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখলে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স এবং বাজেয়াপ্ত হবে জামানত। এছাড়া ওজনে কম দেওয়া বা কার্ডধারীর পরিবর্তে অন্যের কাছে পণ্য বিক্রি ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে দাখিল করা কোনো কাগজপত্র নকল প্রমাণিত হলেও ডিলারশিপ বাতিল হবে। এছাড়া ডিলারশিপ নবায়নে এক মাসের বেশি বিলম্ব করলে বা ডিলার কোনো ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হলেও লাইসেন্স বাতিল বলে গণ্য হবে।
নীতিমালায় সিন্ডিকেট রোধেও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ডিলাররা নিজেদের মধ্যে কোনো ধরনের সমিতি বা অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে পারবেন না। এছাড়া একই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে বা একজন ব্যক্তির নামে একাধিক ডিলারশিপ থাকলে তা বাতিল করা হবে। টিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরাও ডিলার হতে পারবেন না।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরপর দুইবার পণ্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে, প্রাথমিক যোগ্যতার শর্ত ভঙ্গ করলে, লিখিত আদেশ অমান্য করলে বা আগে ডিলারশিপ বাতিল হয়ে থাকলে আর লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এছাড়া জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদন না পেলে এবং প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক সুপারিশ করলে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। অন্যদিকে অস্থায়ী ডিলাররা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করলেও লাইসেন্স হারাতে হবে।
নতুন এই নীতিমালা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়েছে। এই নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়ন করলে ডিলার-সংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি দূর হবে। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশে (টিসিবি) কালোবাজারি ও অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। সুনির্দিষ্ট ২০ কারণে ডিলারশিপ বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিধান রেখে ‘টিসিবির ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধিত), ২০২৫’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে যদি কোনো ডিলার অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত কেন্দ্র পরিবর্তন করে অন্য কোথাও পণ্য বিক্রি করে বা অবৈধ মজুদ করে, তবে তার লাইসেন্স বাতিল হবে।
বাজারের স্থিথিশীলতা বজায় রাখতে এবং নিম্ন আয়ের এক কোটি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূলে সয়াবিন তেল, মশুর ডাল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ, খেঁজুর, রাইস ব্রান তেলসহ বিভিন্ন পণ্য সরকারী নির্দেশনায় বিক্রি করে টিসিবি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই ডিলারদের বিরুদ্ধে কালোবাজারি, ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করে স্বজনপ্রীতি, ওজনে কম দেওয়া, ডিলারশিপ নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। গুরুতর এসব অনিয়ম রোধেই সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
কালোবাজারে পণ্য বিক্রি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখলে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স এবং বাজেয়াপ্ত হবে জামানত। এছাড়া ওজনে কম দেওয়া বা কার্ডধারীর পরিবর্তে অন্যের কাছে পণ্য বিক্রি ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে দাখিল করা কোনো কাগজপত্র নকল প্রমাণিত হলেও ডিলারশিপ বাতিল হবে। এছাড়া ডিলারশিপ নবায়নে এক মাসের বেশি বিলম্ব করলে বা ডিলার কোনো ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হলেও লাইসেন্স বাতিল বলে গণ্য হবে।
নীতিমালায় সিন্ডিকেট রোধেও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ডিলাররা নিজেদের মধ্যে কোনো ধরনের সমিতি বা অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে পারবেন না। এছাড়া একই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে বা একজন ব্যক্তির নামে একাধিক ডিলারশিপ থাকলে তা বাতিল করা হবে। টিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরাও ডিলার হতে পারবেন না।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরপর দুইবার পণ্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে, প্রাথমিক যোগ্যতার শর্ত ভঙ্গ করলে, লিখিত আদেশ অমান্য করলে বা আগে ডিলারশিপ বাতিল হয়ে থাকলে আর লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এছাড়া জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদন না পেলে এবং প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক সুপারিশ করলে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। অন্যদিকে অস্থায়ী ডিলাররা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করলেও লাইসেন্স হারাতে হবে।
নতুন এই নীতিমালা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়েছে। এই নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়ন করলে ডিলার-সংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি দূর হবে। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

টিসিবির নীতিমালা সংশোধন: যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশে (টিসিবি) কালোবাজারি ও অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। সুনির্দিষ্ট ২০ কারণে ডিলারশিপ বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিধান রেখে ‘টিসিবির ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধিত), ২০২৫’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে যদি কোনো ডিলার অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত কেন্দ্র পরিবর্তন করে অন্য কোথাও পণ্য বিক্রি করে বা অবৈধ মজুদ করে, তবে তার লাইসেন্স বাতিল হবে।
বাজারের স্থিথিশীলতা বজায় রাখতে এবং নিম্ন আয়ের এক কোটি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূলে সয়াবিন তেল, মশুর ডাল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ, খেঁজুর, রাইস ব্রান তেলসহ বিভিন্ন পণ্য সরকারী নির্দেশনায় বিক্রি করে টিসিবি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই ডিলারদের বিরুদ্ধে কালোবাজারি, ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করে স্বজনপ্রীতি, ওজনে কম দেওয়া, ডিলারশিপ নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। গুরুতর এসব অনিয়ম রোধেই সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী যেসব কারণে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
কালোবাজারে পণ্য বিক্রি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখলে বাতিল হতে পারে লাইসেন্স এবং বাজেয়াপ্ত হবে জামানত। এছাড়া ওজনে কম দেওয়া বা কার্ডধারীর পরিবর্তে অন্যের কাছে পণ্য বিক্রি ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে দাখিল করা কোনো কাগজপত্র নকল প্রমাণিত হলেও ডিলারশিপ বাতিল হবে। এছাড়া ডিলারশিপ নবায়নে এক মাসের বেশি বিলম্ব করলে বা ডিলার কোনো ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হলেও লাইসেন্স বাতিল বলে গণ্য হবে।
নীতিমালায় সিন্ডিকেট রোধেও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ডিলাররা নিজেদের মধ্যে কোনো ধরনের সমিতি বা অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে পারবেন না। এছাড়া একই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে বা একজন ব্যক্তির নামে একাধিক ডিলারশিপ থাকলে তা বাতিল করা হবে। টিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরাও ডিলার হতে পারবেন না।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরপর দুইবার পণ্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে, প্রাথমিক যোগ্যতার শর্ত ভঙ্গ করলে, লিখিত আদেশ অমান্য করলে বা আগে ডিলারশিপ বাতিল হয়ে থাকলে আর লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এছাড়া জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদন না পেলে এবং প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক সুপারিশ করলে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। অন্যদিকে অস্থায়ী ডিলাররা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করলেও লাইসেন্স হারাতে হবে।
নতুন এই নীতিমালা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়েছে। এই নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়ন করলে ডিলার-সংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি দূর হবে। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গোপনে টিসিবির চাল বিক্রি


