‘নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক’

‘নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক’
সিটিজেন ডেস্ক

নির্বাচনে সুবিধা পেতে একটি রাজনৈতিক দল ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করেছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ব্যাংকটির আরডিএস (রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম) প্রকল্পকে ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারার আওতায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পটি মূলত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম হিসেবে পরিচালিত হয়, যেখানে সাধারণত ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের গ্রাহকদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিপুলসংখ্যক নারীকে ১০ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, তার এক কর্মী একজন নারী ভোটারকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কাকে ভোট দেবেন। জবাবে ওই নারী নাকি বলেছিলেন, ‘কুরআনের দলকে ভোট না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে এবং বলেছে এটি মাফ হয়ে যাবে। পরে আরও ১০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদের অভিযোগ, অর্থ সহায়তার পাশাপাশি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাত লাভের নিশ্চয়তার মতো কথাও প্রচার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আরডিএস প্রকল্পের আওতায় মোট ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা আগে বিতরণ করা হলেও, ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে তার দাবি। তবে ওই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, একটি শিল্প গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংকটির জনবল ব্যবস্থাপনাতেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ না করে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের স্থলে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনে সুবিধা পেতে একটি রাজনৈতিক দল ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করেছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ব্যাংকটির আরডিএস (রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম) প্রকল্পকে ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারার আওতায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পটি মূলত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম হিসেবে পরিচালিত হয়, যেখানে সাধারণত ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের গ্রাহকদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিপুলসংখ্যক নারীকে ১০ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, তার এক কর্মী একজন নারী ভোটারকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কাকে ভোট দেবেন। জবাবে ওই নারী নাকি বলেছিলেন, ‘কুরআনের দলকে ভোট না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে এবং বলেছে এটি মাফ হয়ে যাবে। পরে আরও ১০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদের অভিযোগ, অর্থ সহায়তার পাশাপাশি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাত লাভের নিশ্চয়তার মতো কথাও প্রচার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আরডিএস প্রকল্পের আওতায় মোট ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা আগে বিতরণ করা হলেও, ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে তার দাবি। তবে ওই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, একটি শিল্প গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংকটির জনবল ব্যবস্থাপনাতেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ না করে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের স্থলে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

‘নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক’
সিটিজেন ডেস্ক

নির্বাচনে সুবিধা পেতে একটি রাজনৈতিক দল ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করেছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ব্যাংকটির আরডিএস (রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম) প্রকল্পকে ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারার আওতায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পটি মূলত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম হিসেবে পরিচালিত হয়, যেখানে সাধারণত ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের গ্রাহকদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।
তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিপুলসংখ্যক নারীকে ১০ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, তার এক কর্মী একজন নারী ভোটারকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কাকে ভোট দেবেন। জবাবে ওই নারী নাকি বলেছিলেন, ‘কুরআনের দলকে ভোট না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে এবং বলেছে এটি মাফ হয়ে যাবে। পরে আরও ১০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদের অভিযোগ, অর্থ সহায়তার পাশাপাশি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাত লাভের নিশ্চয়তার মতো কথাও প্রচার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আরডিএস প্রকল্পের আওতায় মোট ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা আগে বিতরণ করা হলেও, ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে তার দাবি। তবে ওই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, একটি শিল্প গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংকটির জনবল ব্যবস্থাপনাতেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ না করে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের স্থলে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




