বরিশালে সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে দৈনিক সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর প্যারারা রোডের ওই ব্যুরো অফিস থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলক চ্যাটার্জি দীর্ঘদিন দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালে ব্যুরো প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তার পরিবার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের দিকে সমকালের ব্যুরো প্রধান থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পুলক চ্যাটার্জি স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
দৈনিক সমকালের বর্তমান অফিস প্রধান সুমন চৌধুরী বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি তার ফোন ধরছিলেন না, বিষয়টি তার স্ত্রী আমাকে (সুমন) জানান। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি সমকাল অফিসে আসি। তখন অফিসের প্রবেশের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পাই। পরে দরজার ফাঁক দিয়ে পুলক চ্যাটার্জিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার লাশ উদ্ধার করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি সর্বশেষ দৈনিক সমকালের বরিশাল ব্যুরো প্রধান ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে সমকাল থেকে চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন। জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী ও সাবেক ব্যুরো প্রধান হিসেবে মাঝেমধ্যেই তিনি সমকাল অফিসে এসে বসতেন এবং পত্রিকা পড়তেন।’
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বলা যাবে।

বরিশালে দৈনিক সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর প্যারারা রোডের ওই ব্যুরো অফিস থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলক চ্যাটার্জি দীর্ঘদিন দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালে ব্যুরো প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তার পরিবার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের দিকে সমকালের ব্যুরো প্রধান থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পুলক চ্যাটার্জি স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
দৈনিক সমকালের বর্তমান অফিস প্রধান সুমন চৌধুরী বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি তার ফোন ধরছিলেন না, বিষয়টি তার স্ত্রী আমাকে (সুমন) জানান। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি সমকাল অফিসে আসি। তখন অফিসের প্রবেশের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পাই। পরে দরজার ফাঁক দিয়ে পুলক চ্যাটার্জিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার লাশ উদ্ধার করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি সর্বশেষ দৈনিক সমকালের বরিশাল ব্যুরো প্রধান ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে সমকাল থেকে চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন। জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী ও সাবেক ব্যুরো প্রধান হিসেবে মাঝেমধ্যেই তিনি সমকাল অফিসে এসে বসতেন এবং পত্রিকা পড়তেন।’
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বলা যাবে।

বরিশালে সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে দৈনিক সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর প্যারারা রোডের ওই ব্যুরো অফিস থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলক চ্যাটার্জি দীর্ঘদিন দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালে ব্যুরো প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তার পরিবার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের দিকে সমকালের ব্যুরো প্রধান থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পুলক চ্যাটার্জি স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
দৈনিক সমকালের বর্তমান অফিস প্রধান সুমন চৌধুরী বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি তার ফোন ধরছিলেন না, বিষয়টি তার স্ত্রী আমাকে (সুমন) জানান। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি সমকাল অফিসে আসি। তখন অফিসের প্রবেশের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পাই। পরে দরজার ফাঁক দিয়ে পুলক চ্যাটার্জিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার লাশ উদ্ধার করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলক চ্যাটার্জি সর্বশেষ দৈনিক সমকালের বরিশাল ব্যুরো প্রধান ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে সমকাল থেকে চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন। জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী ও সাবেক ব্যুরো প্রধান হিসেবে মাঝেমধ্যেই তিনি সমকাল অফিসে এসে বসতেন এবং পত্রিকা পড়তেন।’
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বলা যাবে।

বরিশালে আদালত চত্বরে বোমা বিস্ফোরণ







