হুথিদের সহায়তায় ইয়েমেনে আইআরজিসির শত শত কর্মকর্তা

হুথিদের সহায়তায় ইয়েমেনে আইআরজিসির শত শত কর্মকর্তা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার মধ্যেই লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার মিশনে নেমেছে ইয়েমেনের হুথিরা। আর এর নেপথ্যে জোরালোভাবে কাজ করছে ইরান। মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শত শত কর্মকর্তা বর্তমানে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং হুথিদের সামরিক অভিযানগুলো সমন্বয় করছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে হটিয়ে লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী কৌশলগত বন্দর মোখা দখল করে নিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বাব আল-মান্দেব থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরের এ বন্দর দখলের পর বিদ্রোহী বাহিনী এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হানিশ দ্বীপপুঞ্জের দিকেও এগিয়ে চলেছে। হরমুজের পাশাপাশি এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটিও তীব্র চাপের মুখে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করা বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়া মানে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যের প্রধান একটি রুট চরম ঝুঁকির মুখে পড়া। বর্তমান পরিস্থিতিকে সংঘাতের একটি ‘নতুন ও আরও বিপজ্জনক পর্যায়’ বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ।
একদিকে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ও ট্যাংকারের ওপর হামলার কারণে জ্বালানি তেল পরিবহন থমকে আছে। অন্যদিকে বাব আল-মান্দেবের এ নতুন সংকটে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
ইরান বরাবরই হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করার কথা অস্বীকার করে আসছে এবং হুথিদের দাবি তাদের সামরিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন। তবে রয়টার্স ও মার্কিন গোয়েন্দাদের তথ্য বলছে, বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সরাসরি নির্দেশেই এ উপকূলীয় অভিযানগুলো পরিচালিত হচ্ছে। আরব উপদ্বীপের দুই প্রান্তের দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ একসঙ্গে অরক্ষিত হয়ে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।
সূত্র: গালফ নিউজ

হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার মধ্যেই লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার মিশনে নেমেছে ইয়েমেনের হুথিরা। আর এর নেপথ্যে জোরালোভাবে কাজ করছে ইরান। মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শত শত কর্মকর্তা বর্তমানে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং হুথিদের সামরিক অভিযানগুলো সমন্বয় করছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে হটিয়ে লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী কৌশলগত বন্দর মোখা দখল করে নিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বাব আল-মান্দেব থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরের এ বন্দর দখলের পর বিদ্রোহী বাহিনী এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হানিশ দ্বীপপুঞ্জের দিকেও এগিয়ে চলেছে। হরমুজের পাশাপাশি এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটিও তীব্র চাপের মুখে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করা বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়া মানে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যের প্রধান একটি রুট চরম ঝুঁকির মুখে পড়া। বর্তমান পরিস্থিতিকে সংঘাতের একটি ‘নতুন ও আরও বিপজ্জনক পর্যায়’ বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ।
একদিকে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ও ট্যাংকারের ওপর হামলার কারণে জ্বালানি তেল পরিবহন থমকে আছে। অন্যদিকে বাব আল-মান্দেবের এ নতুন সংকটে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
ইরান বরাবরই হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করার কথা অস্বীকার করে আসছে এবং হুথিদের দাবি তাদের সামরিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন। তবে রয়টার্স ও মার্কিন গোয়েন্দাদের তথ্য বলছে, বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সরাসরি নির্দেশেই এ উপকূলীয় অভিযানগুলো পরিচালিত হচ্ছে। আরব উপদ্বীপের দুই প্রান্তের দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ একসঙ্গে অরক্ষিত হয়ে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।
সূত্র: গালফ নিউজ

হুথিদের সহায়তায় ইয়েমেনে আইআরজিসির শত শত কর্মকর্তা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার মধ্যেই লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার মিশনে নেমেছে ইয়েমেনের হুথিরা। আর এর নেপথ্যে জোরালোভাবে কাজ করছে ইরান। মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শত শত কর্মকর্তা বর্তমানে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং হুথিদের সামরিক অভিযানগুলো সমন্বয় করছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে হটিয়ে লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী কৌশলগত বন্দর মোখা দখল করে নিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বাব আল-মান্দেব থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরের এ বন্দর দখলের পর বিদ্রোহী বাহিনী এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হানিশ দ্বীপপুঞ্জের দিকেও এগিয়ে চলেছে। হরমুজের পাশাপাশি এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটিও তীব্র চাপের মুখে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করা বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়া মানে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যের প্রধান একটি রুট চরম ঝুঁকির মুখে পড়া। বর্তমান পরিস্থিতিকে সংঘাতের একটি ‘নতুন ও আরও বিপজ্জনক পর্যায়’ বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ।
একদিকে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ও ট্যাংকারের ওপর হামলার কারণে জ্বালানি তেল পরিবহন থমকে আছে। অন্যদিকে বাব আল-মান্দেবের এ নতুন সংকটে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
ইরান বরাবরই হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করার কথা অস্বীকার করে আসছে এবং হুথিদের দাবি তাদের সামরিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন। তবে রয়টার্স ও মার্কিন গোয়েন্দাদের তথ্য বলছে, বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সরাসরি নির্দেশেই এ উপকূলীয় অভিযানগুলো পরিচালিত হচ্ছে। আরব উপদ্বীপের দুই প্রান্তের দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ একসঙ্গে অরক্ষিত হয়ে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।
সূত্র: গালফ নিউজ









