মশার ওষুধ শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে: ডিএসসিসি প্রশাসক

মশার ওষুধ শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে: ডিএসসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস ওষুধ আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে এর সঠিক ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। এতে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে মশককর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ১০টি অঞ্চলের মোট ১ হাজার ৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও কর্মীকে নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। পাঁচটি ব্যাচে বিভক্ত করে তাদের মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
ডিএসসিসি সূত্র জানায়, নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস ওষুধ আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে এর সঠিক ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। এতে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে মশককর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ১০টি অঞ্চলের মোট ১ হাজার ৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও কর্মীকে নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। পাঁচটি ব্যাচে বিভক্ত করে তাদের মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
ডিএসসিসি সূত্র জানায়, নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মশার ওষুধ শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে: ডিএসসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস ওষুধ আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে এর সঠিক ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। এতে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে মশককর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ১০টি অঞ্চলের মোট ১ হাজার ৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও কর্মীকে নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। পাঁচটি ব্যাচে বিভক্ত করে তাদের মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
ডিএসসিসি সূত্র জানায়, নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




