বিশ্বকাপের রঙে রঙিন পুরান ঢাকা

বিশ্বকাপের রঙে রঙিন পুরান ঢাকা
জবি প্রতিনিধি

দুপুরের রোদ উপেক্ষা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী লিয়ন সরকার ঢুকলেন ইসলামপুরের একটি দোকানে। আর্জেন্টিনার একটি জার্সি নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখলেন কয়েকবার। বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন বলে এবার নতুন জার্সি কিনতে এসেছেন তিনি।
দোকানের একপাশে সাজানো আকাশি-সাদা জার্সি, অন্যপাশে হলুদ-সবুজের সারি। আশপাশে আরও অনেক ক্রেতা নিজেদের প্রিয় দলের পতাকা আর জার্সি বেছে নিতে ব্যস্ত। বিশ্বকাপের আমেজে পুরান ঢাকার বাজারে ফুটবল উৎসব যেন শুরু হয়ে গেছে আগেভাগেই।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে রাজধানীর পুরান ঢাকার ইসলামপুর, তাঁতীবাজার, বাংলাবাজার, শরীফ মার্কেটের সামনের দোকানপাট এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় জমে উঠেছে পতাকা ও জার্সির বাজার। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়ে সরগরম থাকছে এসব এলাকা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল এবং ইংল্যান্ডের সমর্থকদের জন্যও বিক্রি হচ্ছে জার্সি, পতাকা ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বকাপ এলেই এই বাজারে নতুন প্রাণ ফিরে আসে। বছরের অন্যান্য সময়ে খেলাধুলা-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বিক্রি সীমিত থাকলেও বিশ্বকাপকে ঘিরে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফুটবল, বুট, ক্যাপ, বাঁশি, হেডব্যান্ড ও স্টিকার বিক্রি হলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জার্সি ও পতাকা।
বাংলাবাজারের শরীফ মার্কেটের সামনে অস্থায়ী দোকানের এক বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এখন প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ জার্সি কিনতে আসছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি।’
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের পতাকা ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বড় পতাকার দাম ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে সাধারণ মানের জার্সি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও উন্নত মানের ফ্যান এডিশন ও প্লেয়ার এডিশনের দাম ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত।

শুধু তরুণরাই নয়, বিভিন্ন বয়সের মানুষ ভিড় করছেন বাজারে। কেউ নিজের জন্য কিনছেন, কেউবা ছেলে-মেয়ের জন্য। আবার অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছেন একই দলের জার্সি। আবার অনেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য একসঙ্গে একাধিক জার্সি ও পতাকা কিনছেন। পিছিয়ে নেই নারী ক্রেতারাও।
বিশ্বকাপকে ঘিরে দলগতভাবে জার্সি ও পতাকা কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান রাব্বী বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় বন্ধুদের সঙ্গে জার্সি পরে খেলা দেখার অনুভূতিটা আলাদা। ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় খেলা দেখবো। তাই প্রতি বিশ্বকাপেই নতুন জার্সি কিনি।’
বংশালের বাসিন্দা সুমাইয়া ইসলাম মুক্তা বলেন, ‘আমি নিয়মিত ফুটবল দেখি না। কিন্তু বিশ্বকাপ এলে পুরো পরিবার একসঙ্গে খেলা দেখি। তাই এবার বাসার জন্য একটি পতাকা আর ছোট ভাইয়ের জন্য জার্সি কিনতে এসেছি।’
বিশ্বকাপের আবহে শুধু দোকান নয়, ফুটপাতের অস্থায়ী ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ পতাকা সেলাই করছেন, কেউ জার্সিতে প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর বসিয়ে দিচ্ছেন। মেসি, রোনালদো, নেইমার, এমবাপ্পের নাম লেখা জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেক দোকানেই কয়েক মিনিটের মধ্যে হিট প্রেস মেশিনের সাহায্যে নাম ও নম্বর প্রিন্ট করে দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও ফুটবল উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই সমর্থকেরা। প্রতি চার বছর পরপর এই উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে শহরের অলিগলি থেকে দোকান পর্যন্ত। আর সেই উন্মাদনার অন্যতম বড় সাক্ষী হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার জার্সি ও পতাকার বাজার, যেখানে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং এক মাসব্যাপী উৎসব।

দুপুরের রোদ উপেক্ষা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী লিয়ন সরকার ঢুকলেন ইসলামপুরের একটি দোকানে। আর্জেন্টিনার একটি জার্সি নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখলেন কয়েকবার। বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন বলে এবার নতুন জার্সি কিনতে এসেছেন তিনি।
দোকানের একপাশে সাজানো আকাশি-সাদা জার্সি, অন্যপাশে হলুদ-সবুজের সারি। আশপাশে আরও অনেক ক্রেতা নিজেদের প্রিয় দলের পতাকা আর জার্সি বেছে নিতে ব্যস্ত। বিশ্বকাপের আমেজে পুরান ঢাকার বাজারে ফুটবল উৎসব যেন শুরু হয়ে গেছে আগেভাগেই।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে রাজধানীর পুরান ঢাকার ইসলামপুর, তাঁতীবাজার, বাংলাবাজার, শরীফ মার্কেটের সামনের দোকানপাট এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় জমে উঠেছে পতাকা ও জার্সির বাজার। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়ে সরগরম থাকছে এসব এলাকা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল এবং ইংল্যান্ডের সমর্থকদের জন্যও বিক্রি হচ্ছে জার্সি, পতাকা ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বকাপ এলেই এই বাজারে নতুন প্রাণ ফিরে আসে। বছরের অন্যান্য সময়ে খেলাধুলা-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বিক্রি সীমিত থাকলেও বিশ্বকাপকে ঘিরে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফুটবল, বুট, ক্যাপ, বাঁশি, হেডব্যান্ড ও স্টিকার বিক্রি হলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জার্সি ও পতাকা।
বাংলাবাজারের শরীফ মার্কেটের সামনে অস্থায়ী দোকানের এক বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এখন প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ জার্সি কিনতে আসছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি।’
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের পতাকা ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বড় পতাকার দাম ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে সাধারণ মানের জার্সি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও উন্নত মানের ফ্যান এডিশন ও প্লেয়ার এডিশনের দাম ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত।

শুধু তরুণরাই নয়, বিভিন্ন বয়সের মানুষ ভিড় করছেন বাজারে। কেউ নিজের জন্য কিনছেন, কেউবা ছেলে-মেয়ের জন্য। আবার অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছেন একই দলের জার্সি। আবার অনেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য একসঙ্গে একাধিক জার্সি ও পতাকা কিনছেন। পিছিয়ে নেই নারী ক্রেতারাও।
বিশ্বকাপকে ঘিরে দলগতভাবে জার্সি ও পতাকা কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান রাব্বী বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় বন্ধুদের সঙ্গে জার্সি পরে খেলা দেখার অনুভূতিটা আলাদা। ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় খেলা দেখবো। তাই প্রতি বিশ্বকাপেই নতুন জার্সি কিনি।’
বংশালের বাসিন্দা সুমাইয়া ইসলাম মুক্তা বলেন, ‘আমি নিয়মিত ফুটবল দেখি না। কিন্তু বিশ্বকাপ এলে পুরো পরিবার একসঙ্গে খেলা দেখি। তাই এবার বাসার জন্য একটি পতাকা আর ছোট ভাইয়ের জন্য জার্সি কিনতে এসেছি।’
বিশ্বকাপের আবহে শুধু দোকান নয়, ফুটপাতের অস্থায়ী ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ পতাকা সেলাই করছেন, কেউ জার্সিতে প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর বসিয়ে দিচ্ছেন। মেসি, রোনালদো, নেইমার, এমবাপ্পের নাম লেখা জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেক দোকানেই কয়েক মিনিটের মধ্যে হিট প্রেস মেশিনের সাহায্যে নাম ও নম্বর প্রিন্ট করে দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও ফুটবল উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই সমর্থকেরা। প্রতি চার বছর পরপর এই উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে শহরের অলিগলি থেকে দোকান পর্যন্ত। আর সেই উন্মাদনার অন্যতম বড় সাক্ষী হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার জার্সি ও পতাকার বাজার, যেখানে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং এক মাসব্যাপী উৎসব।

বিশ্বকাপের রঙে রঙিন পুরান ঢাকা
জবি প্রতিনিধি

দুপুরের রোদ উপেক্ষা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী লিয়ন সরকার ঢুকলেন ইসলামপুরের একটি দোকানে। আর্জেন্টিনার একটি জার্সি নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখলেন কয়েকবার। বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন বলে এবার নতুন জার্সি কিনতে এসেছেন তিনি।
দোকানের একপাশে সাজানো আকাশি-সাদা জার্সি, অন্যপাশে হলুদ-সবুজের সারি। আশপাশে আরও অনেক ক্রেতা নিজেদের প্রিয় দলের পতাকা আর জার্সি বেছে নিতে ব্যস্ত। বিশ্বকাপের আমেজে পুরান ঢাকার বাজারে ফুটবল উৎসব যেন শুরু হয়ে গেছে আগেভাগেই।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে রাজধানীর পুরান ঢাকার ইসলামপুর, তাঁতীবাজার, বাংলাবাজার, শরীফ মার্কেটের সামনের দোকানপাট এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় জমে উঠেছে পতাকা ও জার্সির বাজার। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়ে সরগরম থাকছে এসব এলাকা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল এবং ইংল্যান্ডের সমর্থকদের জন্যও বিক্রি হচ্ছে জার্সি, পতাকা ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বকাপ এলেই এই বাজারে নতুন প্রাণ ফিরে আসে। বছরের অন্যান্য সময়ে খেলাধুলা-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বিক্রি সীমিত থাকলেও বিশ্বকাপকে ঘিরে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফুটবল, বুট, ক্যাপ, বাঁশি, হেডব্যান্ড ও স্টিকার বিক্রি হলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জার্সি ও পতাকা।
বাংলাবাজারের শরীফ মার্কেটের সামনে অস্থায়ী দোকানের এক বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এখন প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ জার্সি কিনতে আসছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি।’
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের পতাকা ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বড় পতাকার দাম ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে সাধারণ মানের জার্সি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও উন্নত মানের ফ্যান এডিশন ও প্লেয়ার এডিশনের দাম ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত।

শুধু তরুণরাই নয়, বিভিন্ন বয়সের মানুষ ভিড় করছেন বাজারে। কেউ নিজের জন্য কিনছেন, কেউবা ছেলে-মেয়ের জন্য। আবার অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছেন একই দলের জার্সি। আবার অনেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য একসঙ্গে একাধিক জার্সি ও পতাকা কিনছেন। পিছিয়ে নেই নারী ক্রেতারাও।
বিশ্বকাপকে ঘিরে দলগতভাবে জার্সি ও পতাকা কেনার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান রাব্বী বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় বন্ধুদের সঙ্গে জার্সি পরে খেলা দেখার অনুভূতিটা আলাদা। ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় খেলা দেখবো। তাই প্রতি বিশ্বকাপেই নতুন জার্সি কিনি।’
বংশালের বাসিন্দা সুমাইয়া ইসলাম মুক্তা বলেন, ‘আমি নিয়মিত ফুটবল দেখি না। কিন্তু বিশ্বকাপ এলে পুরো পরিবার একসঙ্গে খেলা দেখি। তাই এবার বাসার জন্য একটি পতাকা আর ছোট ভাইয়ের জন্য জার্সি কিনতে এসেছি।’
বিশ্বকাপের আবহে শুধু দোকান নয়, ফুটপাতের অস্থায়ী ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ পতাকা সেলাই করছেন, কেউ জার্সিতে প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর বসিয়ে দিচ্ছেন। মেসি, রোনালদো, নেইমার, এমবাপ্পের নাম লেখা জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেক দোকানেই কয়েক মিনিটের মধ্যে হিট প্রেস মেশিনের সাহায্যে নাম ও নম্বর প্রিন্ট করে দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও ফুটবল উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই সমর্থকেরা। প্রতি চার বছর পরপর এই উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে শহরের অলিগলি থেকে দোকান পর্যন্ত। আর সেই উন্মাদনার অন্যতম বড় সাক্ষী হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার জার্সি ও পতাকার বাজার, যেখানে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং এক মাসব্যাপী উৎসব।

পুরান ঢাকায় ১০ টাকায় ‘নবাবি’ গোসল
চোটে শেষ বিশ্বকাপ, অবসর নিলেন জাপানের অধিনায়ক
বদলি খেলোয়াড়ের গোলে চেকদের হারালো দক্ষিণ কোরিয়া


