শিরোনাম

বাংলাদেশে পৌঁছেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার

যশোর সংবাদদাতা
যশোর সংবাদদাতা
বাংলাদেশে পৌঁছেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার
নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ।

বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার পর সড়কপথে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদী। তাদের বাংলাদেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ।

ভারতীয় হাইক‌মিশন জানিয়েছে, নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সড়কপথে যশোর থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে বিজেপি নেতা ও দেশটির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেয় দিল্লি। এই প্রথম কোনো সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিলো ভারত।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। হিমাচল প্রদেশের একটি বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা শেষে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

আশির দশকে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে ১৯৯০ সালে জনতা দলে যোগ দিয়ে ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় দলের সদস্য ছিলেন।

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে, দীনেশ ত্রিবেদী সেই দলে যোগ দেন এবং দলের প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন।

২০০৯ সালে ব্যারাকপুর আসন থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হলে তিনি ভারতের রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

তবে রেলের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তে দলীয় নেতৃত্বের অসন্তোষের মুখে তাকে রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়।

২০১৯ সালে আবার ব্যারাকপুর আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হলেও বিজেপির অর্জুন সিংয়ের কাছে পরাজিত হন। পরে তৃণমূল তাকে আবার রাজ্যসভায় পাঠায়। তবে দলটির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হলে ২০২১ সালের ৬ মার্চ তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেন।

/এফআর/