নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫১

মুনিরা মাহজাবিন মিমো। ছবি: ফেসবুক
রাজধানীর বাড্ডা এলাকার নিজ বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এবং বাড্ডা থানা-পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে।
সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে একজন শিক্ষককে আপাতত হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে শিক্ষার্থীর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার নিজ বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এবং বাড্ডা থানা-পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে।
সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে একজন শিক্ষককে আপাতত হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে শিক্ষার্থীর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫১

মুনিরা মাহজাবিন মিমো। ছবি: ফেসবুক
রাজধানীর বাড্ডা এলাকার নিজ বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এবং বাড্ডা থানা-পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে।
সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে একজন শিক্ষককে আপাতত হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে শিক্ষার্থীর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
/এসএ/




