নির্ঘুম রাত কাটিয়ে তেলের অপেক্ষায় চালকরা

নির্ঘুম রাত কাটিয়ে তেলের অপেক্ষায় চালকরা
আয়নাল হোসেন

ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ৯টা ৫৯ মিনিট। রাজধানীর পরীবাগে অবস্থিত তেলের পাম্পে সামনে দুজন গাড়িচালক দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। তাদের পেছনে যতদূর চোখ যায় শুধু গাড়ির সারি।
গাড়িচালকদের একজন রুহুল আমিন। তিনি রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি বাসার গাড়িচালক। রুহুল আমিন বলেন, সোমবার (৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে তেলের জন্য পাম্পের উত্তর-পশ্চিম পাশের সড়কে তার গাড়ি লাইনে দাঁড়ান করান। পুরো পরীবাগ ঘুরে আজিজ সুপার মার্কেটের পশ্চিম পাশের গলি দিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক ঘুরে পাম্পের সামনে আসার পর তেলের মজুত শেষ হয়ে যায়। এ সময়ে গাড়িতে যে তেল অবশিষ্ট ছিল তা-ও শেষ হয়ে যায়। বাসায় ফেরার মতোও তেল নেই। এর মধ্যে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, এরপর রাত নেমে আসায় পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।
রুহুল আমিন সিদ্ধান্ত নেন গাড়ি নিয়ে সারারাত তিনি রাস্তায় থাকবেন। সকালে তেল নিয়ে বাসায় ফিরবেন।
সোমবার রাতে কথা হয় রাজধানীর মগবাজারের একটি বাসার গাড়িচালক মইনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, তেলের জন্য ৭ ঘণ্টা গাড়ি নিয়ে লাইনে অপেক্ষা করেছেন। পাম্পের কাছে আসতেই মজুত শেষ হয়। বাসায় ফেরার মতো তেল গাড়িতে নেই। আর কোনো উপায় না পেয়ে তিনিও রুহুল আমিনের মতো সারারাত গাড়ি নিয়ে পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কিউ জি সামদানি পাম্প থেকে তেল নেওয়া জন্য কয়েকশ গাড়ি ও মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, তেল সরবরাহ আগের চেয়ে কমানো হয়েছে। মোটরসাইকেল আরোহীরা একাধিকবার লাইনে দাঁড়াচ্ছে। এ কারণে তেলের পরিমাণও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে মোটরসাইকেল আরোহীরা বলেন, ৩-৪ ঘণ্টা লাইনে থাকার পর মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। ট্যাঙ্ক ফুল কিংবা ইচ্ছামতো তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এমনটি হতো না বলে মনে করেন মোটরসাইকেল আরোহী সাইফুল। তিনি বলেন, আমাদের দেশে তেলের অভাব নেই। আমাকে যদি ইচ্ছামতো তেল নিতে দিতো তাহলে আজকে এমন অবস্থা হতো না। পাম্পে বাড়তি কিছু টাকা দিলে তেল বেশি দেয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিব বলেন, সোমবার সকাল ৯টার দিকে গাড়িচালক আমাকে অফিসে নামিয়ে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ায়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তেল নেওয়ার সুযোগ পায়। সারাক্ষণ না খেয়ে রোদে দাঁড়িয়ে থেকে সন্ধ্যার পর অফিস থেকে আমাকে নিয়ে যায়। গাড়িতে যে পরিমাণ তেল দেওয়া হয় তা খুবই কম। ৪০ লিটার তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এক সপ্তাহ পর্যন্ত নিশ্চিত থাকতে পারতাম।
গাড়িচালক ও মোটরসাইকেল চালকদের চোখে ঘুম নেই। তেলের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তারা দিন পার করছেন। অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এভাবে থাকার পরও চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না। ফলে সংকট আরও ঘনিভূত হচ্ছে।
রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ডিলার কিউ জি সামদানি পেট্রোল পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, পাম্পে দৈনিক ৯ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না এমন আতঙ্কে অনেকে বোতলে মজুত করছেন। এ কারণে সবার মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পাম্পে পুলিশ মোতায়েনের দাবি করেন তিনি।

ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ৯টা ৫৯ মিনিট। রাজধানীর পরীবাগে অবস্থিত তেলের পাম্পে সামনে দুজন গাড়িচালক দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। তাদের পেছনে যতদূর চোখ যায় শুধু গাড়ির সারি।
গাড়িচালকদের একজন রুহুল আমিন। তিনি রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি বাসার গাড়িচালক। রুহুল আমিন বলেন, সোমবার (৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে তেলের জন্য পাম্পের উত্তর-পশ্চিম পাশের সড়কে তার গাড়ি লাইনে দাঁড়ান করান। পুরো পরীবাগ ঘুরে আজিজ সুপার মার্কেটের পশ্চিম পাশের গলি দিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক ঘুরে পাম্পের সামনে আসার পর তেলের মজুত শেষ হয়ে যায়। এ সময়ে গাড়িতে যে তেল অবশিষ্ট ছিল তা-ও শেষ হয়ে যায়। বাসায় ফেরার মতোও তেল নেই। এর মধ্যে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, এরপর রাত নেমে আসায় পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।
রুহুল আমিন সিদ্ধান্ত নেন গাড়ি নিয়ে সারারাত তিনি রাস্তায় থাকবেন। সকালে তেল নিয়ে বাসায় ফিরবেন।
সোমবার রাতে কথা হয় রাজধানীর মগবাজারের একটি বাসার গাড়িচালক মইনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, তেলের জন্য ৭ ঘণ্টা গাড়ি নিয়ে লাইনে অপেক্ষা করেছেন। পাম্পের কাছে আসতেই মজুত শেষ হয়। বাসায় ফেরার মতো তেল গাড়িতে নেই। আর কোনো উপায় না পেয়ে তিনিও রুহুল আমিনের মতো সারারাত গাড়ি নিয়ে পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কিউ জি সামদানি পাম্প থেকে তেল নেওয়া জন্য কয়েকশ গাড়ি ও মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, তেল সরবরাহ আগের চেয়ে কমানো হয়েছে। মোটরসাইকেল আরোহীরা একাধিকবার লাইনে দাঁড়াচ্ছে। এ কারণে তেলের পরিমাণও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে মোটরসাইকেল আরোহীরা বলেন, ৩-৪ ঘণ্টা লাইনে থাকার পর মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। ট্যাঙ্ক ফুল কিংবা ইচ্ছামতো তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এমনটি হতো না বলে মনে করেন মোটরসাইকেল আরোহী সাইফুল। তিনি বলেন, আমাদের দেশে তেলের অভাব নেই। আমাকে যদি ইচ্ছামতো তেল নিতে দিতো তাহলে আজকে এমন অবস্থা হতো না। পাম্পে বাড়তি কিছু টাকা দিলে তেল বেশি দেয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিব বলেন, সোমবার সকাল ৯টার দিকে গাড়িচালক আমাকে অফিসে নামিয়ে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ায়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তেল নেওয়ার সুযোগ পায়। সারাক্ষণ না খেয়ে রোদে দাঁড়িয়ে থেকে সন্ধ্যার পর অফিস থেকে আমাকে নিয়ে যায়। গাড়িতে যে পরিমাণ তেল দেওয়া হয় তা খুবই কম। ৪০ লিটার তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এক সপ্তাহ পর্যন্ত নিশ্চিত থাকতে পারতাম।
গাড়িচালক ও মোটরসাইকেল চালকদের চোখে ঘুম নেই। তেলের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তারা দিন পার করছেন। অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এভাবে থাকার পরও চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না। ফলে সংকট আরও ঘনিভূত হচ্ছে।
রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ডিলার কিউ জি সামদানি পেট্রোল পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, পাম্পে দৈনিক ৯ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না এমন আতঙ্কে অনেকে বোতলে মজুত করছেন। এ কারণে সবার মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পাম্পে পুলিশ মোতায়েনের দাবি করেন তিনি।

নির্ঘুম রাত কাটিয়ে তেলের অপেক্ষায় চালকরা
আয়নাল হোসেন

ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ৯টা ৫৯ মিনিট। রাজধানীর পরীবাগে অবস্থিত তেলের পাম্পে সামনে দুজন গাড়িচালক দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। তাদের পেছনে যতদূর চোখ যায় শুধু গাড়ির সারি।
গাড়িচালকদের একজন রুহুল আমিন। তিনি রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি বাসার গাড়িচালক। রুহুল আমিন বলেন, সোমবার (৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে তেলের জন্য পাম্পের উত্তর-পশ্চিম পাশের সড়কে তার গাড়ি লাইনে দাঁড়ান করান। পুরো পরীবাগ ঘুরে আজিজ সুপার মার্কেটের পশ্চিম পাশের গলি দিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক ঘুরে পাম্পের সামনে আসার পর তেলের মজুত শেষ হয়ে যায়। এ সময়ে গাড়িতে যে তেল অবশিষ্ট ছিল তা-ও শেষ হয়ে যায়। বাসায় ফেরার মতোও তেল নেই। এর মধ্যে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, এরপর রাত নেমে আসায় পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।
রুহুল আমিন সিদ্ধান্ত নেন গাড়ি নিয়ে সারারাত তিনি রাস্তায় থাকবেন। সকালে তেল নিয়ে বাসায় ফিরবেন।
সোমবার রাতে কথা হয় রাজধানীর মগবাজারের একটি বাসার গাড়িচালক মইনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, তেলের জন্য ৭ ঘণ্টা গাড়ি নিয়ে লাইনে অপেক্ষা করেছেন। পাম্পের কাছে আসতেই মজুত শেষ হয়। বাসায় ফেরার মতো তেল গাড়িতে নেই। আর কোনো উপায় না পেয়ে তিনিও রুহুল আমিনের মতো সারারাত গাড়ি নিয়ে পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কিউ জি সামদানি পাম্প থেকে তেল নেওয়া জন্য কয়েকশ গাড়ি ও মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, তেল সরবরাহ আগের চেয়ে কমানো হয়েছে। মোটরসাইকেল আরোহীরা একাধিকবার লাইনে দাঁড়াচ্ছে। এ কারণে তেলের পরিমাণও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে মোটরসাইকেল আরোহীরা বলেন, ৩-৪ ঘণ্টা লাইনে থাকার পর মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। ট্যাঙ্ক ফুল কিংবা ইচ্ছামতো তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এমনটি হতো না বলে মনে করেন মোটরসাইকেল আরোহী সাইফুল। তিনি বলেন, আমাদের দেশে তেলের অভাব নেই। আমাকে যদি ইচ্ছামতো তেল নিতে দিতো তাহলে আজকে এমন অবস্থা হতো না। পাম্পে বাড়তি কিছু টাকা দিলে তেল বেশি দেয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিব বলেন, সোমবার সকাল ৯টার দিকে গাড়িচালক আমাকে অফিসে নামিয়ে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ায়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তেল নেওয়ার সুযোগ পায়। সারাক্ষণ না খেয়ে রোদে দাঁড়িয়ে থেকে সন্ধ্যার পর অফিস থেকে আমাকে নিয়ে যায়। গাড়িতে যে পরিমাণ তেল দেওয়া হয় তা খুবই কম। ৪০ লিটার তেল নেওয়ার সুযোগ থাকলে এক সপ্তাহ পর্যন্ত নিশ্চিত থাকতে পারতাম।
গাড়িচালক ও মোটরসাইকেল চালকদের চোখে ঘুম নেই। তেলের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তারা দিন পার করছেন। অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এভাবে থাকার পরও চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না। ফলে সংকট আরও ঘনিভূত হচ্ছে।
রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ডিলার কিউ জি সামদানি পেট্রোল পাম্পের ব্যবস্থাপক আবুল হোসেন বলেন, পাম্পে দৈনিক ৯ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না এমন আতঙ্কে অনেকে বোতলে মজুত করছেন। এ কারণে সবার মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পাম্পে পুলিশ মোতায়েনের দাবি করেন তিনি।




