উত্তর-দক্ষিণ সিটির খাল দখলমুক্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

উত্তর-দক্ষিণ সিটির খাল দখলমুক্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গঠিত দুটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকা উত্তরের ৫৬ খালের অবৈধ দখলদার মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২০ জুন) মিরপুর ১২ মুসলিম বাজার খালের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করার পর সীমানা নির্ধারণ (ডিমারকেশন) করে উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা হবে। খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে খাল পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২৭টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৯টি ছোট-বড় খাল থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে। নগরীর জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
মীর শাহে আলম বলেন, গত প্রায় দুই দশকে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও খাল রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নগরবাসীর স্বার্থে অলিগলি থেকে শুরু করে খাল পর্যন্ত সর্বত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং তা ভবিষ্যতেও চলবে।
তিনি বলেন, মুসলিম বাজার খাল থেকেই ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫০ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য খাল থেকেও আবর্জনা সরানো হবে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত না করলে ঢাকার পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-বিল পুনরুদ্ধার, ডিমারকেশন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়মিত চলতে থাকবে। একইসঙ্গে পরিষ্কার করার পর কেউ যদি খাল, সড়কের পাশ বা বাসাবাড়ির আশপাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ ঘটায়, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে জরিমানা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গঠিত দুটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকা উত্তরের ৫৬ খালের অবৈধ দখলদার মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২০ জুন) মিরপুর ১২ মুসলিম বাজার খালের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করার পর সীমানা নির্ধারণ (ডিমারকেশন) করে উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা হবে। খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে খাল পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২৭টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৯টি ছোট-বড় খাল থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে। নগরীর জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
মীর শাহে আলম বলেন, গত প্রায় দুই দশকে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও খাল রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নগরবাসীর স্বার্থে অলিগলি থেকে শুরু করে খাল পর্যন্ত সর্বত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং তা ভবিষ্যতেও চলবে।
তিনি বলেন, মুসলিম বাজার খাল থেকেই ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫০ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য খাল থেকেও আবর্জনা সরানো হবে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত না করলে ঢাকার পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-বিল পুনরুদ্ধার, ডিমারকেশন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়মিত চলতে থাকবে। একইসঙ্গে পরিষ্কার করার পর কেউ যদি খাল, সড়কের পাশ বা বাসাবাড়ির আশপাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ ঘটায়, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে জরিমানা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উত্তর-দক্ষিণ সিটির খাল দখলমুক্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গঠিত দুটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকা উত্তরের ৫৬ খালের অবৈধ দখলদার মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২০ জুন) মিরপুর ১২ মুসলিম বাজার খালের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করার পর সীমানা নির্ধারণ (ডিমারকেশন) করে উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা হবে। খালগুলো রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে নগরবাসীর জন্য শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে খাল পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২৭টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৯টি ছোট-বড় খাল থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে। নগরীর জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
মীর শাহে আলম বলেন, গত প্রায় দুই দশকে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও খাল রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নগরবাসীর স্বার্থে অলিগলি থেকে শুরু করে খাল পর্যন্ত সর্বত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং তা ভবিষ্যতেও চলবে।
তিনি বলেন, মুসলিম বাজার খাল থেকেই ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫০ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য খাল থেকেও আবর্জনা সরানো হবে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। খালগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত না করলে ঢাকার পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-বিল পুনরুদ্ধার, ডিমারকেশন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়মিত চলতে থাকবে। একইসঙ্গে পরিষ্কার করার পর কেউ যদি খাল, সড়কের পাশ বা বাসাবাড়ির আশপাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ ঘটায়, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে জরিমানা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএসসিসির উদ্যোগে জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার শুরু


