রাজধানীর হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও কম ক্রেতা, দাম কেমন

রাজধানীর হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও কম ক্রেতা, দাম কেমন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। সে হিসেবে হাতে আছে আর মাত্র দুই দিন। ঈদুল আজহায় ইসলামের বিধান কোরবানিকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। তবে হাটে গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নয় অনেক ক্রেতা।
বরাবরের মতো এবারও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। তবে দামও তুলনামূলক বেশি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর শনির আখড়ায় খোলা মাঠে ও রাস্তার পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সেখানে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে। আক্তার হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি মাঝারি ধরনের গরু কিনতে এসেছি, তবে দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
অপর এক ক্রেতা বলেন, এবার গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। মাঝারি ধরনের গরুর দাম অন্যবার ১ লাখ ৩০-৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এবার সেখানে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
ইসমাইল হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, বড় গরুর দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫ মন ওজনের গরুর দাম দুই লাখের ওপরে চাওয়া হচ্ছে। আর ৬-৭ মন ওজনের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই লাখ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঝারি ধরনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখের মতো। দাম বেশি কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, গরুর লালন-পালন খরচ অনেক বেশি। তাই দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি হাটে জমে ওঠেনি প্রত্যাশিত বেচাকেনা। পশু নিয়ে অপেক্ষায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটের নির্ধারিত মাঠের বাইরে রাস্তার দুই পাশে গরু বাঁধা। এছাড়া মেট্রো স্টেশনের নিচে এবং মেট্রো লাইনের দুই পাশে গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন বেপারিরা। মূল হাটের মাঠের ভিতরে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রাস্তায় গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন তারা।
হাটের ইজারাদাররা বলছেন, হাটে গত কয়েক দিনে প্রায় এক লাখ গরু-ছাগল এসেছে। আরো আসতেছে। সব মিলিয়ে হাটে ছোট থেকে সর্বোচ্চ বড় ধরনের পশু রয়েছে। তবে বর্তমানে বড় গরুর ক্রেতা কম। ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হচ্ছে বেশি।
গরু কিনতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি সাধ্যেরে মধ্যে পছন্দমতো গরু কিনতে পেরেছেন। এজন্য তিনি সন্তুষ্ট।
রাজধানীর ধোলাইখালের পাশে রায়সাহেব বাজার থেকে দয়াগঞ্জ মোড় ও লোহারপুর মোড় পর্যন্ত বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সড়কের দুই পাশে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু নিয়ে বসেছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ী ও খামারিরা। দেশি জাতের পাশাপাশি উন্নত জাতের পশুও রয়েছে হাটে। কেউ নিজের গরুকে ‘খামারের গরু’ বলে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন, কেউ আবার খাবার ও পরিচর্যার দীর্ঘ বর্ণনা দিয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
সেখানেও গরুর দাম বেশি বলছেন ক্রেতারা। পুরনা ঢাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তবে বাজারে গরুর সংগ্রহ ভালো আছে। আমরা এখন বাজার দেখে যাচ্ছি। সম্ভব হলে দুই-একদিন পরে কিনব। কারণ বাসায় আগে গরু রাখাটা ঝামেলা।’

কুষ্টিয়া থেকে গরু নিয়ে আসা গরু বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি। কারণ খড়, ভুসি, খৈল, কাঁচা ঘাস সব খাবারের দাম বেড়েছে। এছাড়া পরিবহন খরচ ও শ্রমিক খরচও আগের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কম দামে বিক্রি করা কঠিন।’
একই ধরনের মন্তব্য করেন পাবনা থেকে আসা আরেক বিক্রেতা রমিজ আলী। তিনি বলেন, ‘একটা গরু বড় করতে অনেক খরচ হয়। খাবারের দাম যেভাবে বেড়েছে, সেখানে আগের দামে গরু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।’

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। সে হিসেবে হাতে আছে আর মাত্র দুই দিন। ঈদুল আজহায় ইসলামের বিধান কোরবানিকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। তবে হাটে গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নয় অনেক ক্রেতা।
বরাবরের মতো এবারও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। তবে দামও তুলনামূলক বেশি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর শনির আখড়ায় খোলা মাঠে ও রাস্তার পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সেখানে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে। আক্তার হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি মাঝারি ধরনের গরু কিনতে এসেছি, তবে দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
অপর এক ক্রেতা বলেন, এবার গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। মাঝারি ধরনের গরুর দাম অন্যবার ১ লাখ ৩০-৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এবার সেখানে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
ইসমাইল হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, বড় গরুর দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫ মন ওজনের গরুর দাম দুই লাখের ওপরে চাওয়া হচ্ছে। আর ৬-৭ মন ওজনের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই লাখ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঝারি ধরনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখের মতো। দাম বেশি কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, গরুর লালন-পালন খরচ অনেক বেশি। তাই দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি হাটে জমে ওঠেনি প্রত্যাশিত বেচাকেনা। পশু নিয়ে অপেক্ষায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটের নির্ধারিত মাঠের বাইরে রাস্তার দুই পাশে গরু বাঁধা। এছাড়া মেট্রো স্টেশনের নিচে এবং মেট্রো লাইনের দুই পাশে গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন বেপারিরা। মূল হাটের মাঠের ভিতরে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রাস্তায় গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন তারা।
হাটের ইজারাদাররা বলছেন, হাটে গত কয়েক দিনে প্রায় এক লাখ গরু-ছাগল এসেছে। আরো আসতেছে। সব মিলিয়ে হাটে ছোট থেকে সর্বোচ্চ বড় ধরনের পশু রয়েছে। তবে বর্তমানে বড় গরুর ক্রেতা কম। ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হচ্ছে বেশি।
গরু কিনতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি সাধ্যেরে মধ্যে পছন্দমতো গরু কিনতে পেরেছেন। এজন্য তিনি সন্তুষ্ট।
রাজধানীর ধোলাইখালের পাশে রায়সাহেব বাজার থেকে দয়াগঞ্জ মোড় ও লোহারপুর মোড় পর্যন্ত বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সড়কের দুই পাশে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু নিয়ে বসেছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ী ও খামারিরা। দেশি জাতের পাশাপাশি উন্নত জাতের পশুও রয়েছে হাটে। কেউ নিজের গরুকে ‘খামারের গরু’ বলে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন, কেউ আবার খাবার ও পরিচর্যার দীর্ঘ বর্ণনা দিয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
সেখানেও গরুর দাম বেশি বলছেন ক্রেতারা। পুরনা ঢাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তবে বাজারে গরুর সংগ্রহ ভালো আছে। আমরা এখন বাজার দেখে যাচ্ছি। সম্ভব হলে দুই-একদিন পরে কিনব। কারণ বাসায় আগে গরু রাখাটা ঝামেলা।’

কুষ্টিয়া থেকে গরু নিয়ে আসা গরু বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি। কারণ খড়, ভুসি, খৈল, কাঁচা ঘাস সব খাবারের দাম বেড়েছে। এছাড়া পরিবহন খরচ ও শ্রমিক খরচও আগের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কম দামে বিক্রি করা কঠিন।’
একই ধরনের মন্তব্য করেন পাবনা থেকে আসা আরেক বিক্রেতা রমিজ আলী। তিনি বলেন, ‘একটা গরু বড় করতে অনেক খরচ হয়। খাবারের দাম যেভাবে বেড়েছে, সেখানে আগের দামে গরু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।’

রাজধানীর হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও কম ক্রেতা, দাম কেমন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। সে হিসেবে হাতে আছে আর মাত্র দুই দিন। ঈদুল আজহায় ইসলামের বিধান কোরবানিকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। তবে হাটে গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নয় অনেক ক্রেতা।
বরাবরের মতো এবারও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। তবে দামও তুলনামূলক বেশি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর শনির আখড়ায় খোলা মাঠে ও রাস্তার পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সেখানে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে। আক্তার হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি মাঝারি ধরনের গরু কিনতে এসেছি, তবে দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
অপর এক ক্রেতা বলেন, এবার গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। মাঝারি ধরনের গরুর দাম অন্যবার ১ লাখ ৩০-৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এবার সেখানে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
ইসমাইল হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, বড় গরুর দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫ মন ওজনের গরুর দাম দুই লাখের ওপরে চাওয়া হচ্ছে। আর ৬-৭ মন ওজনের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই লাখ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঝারি ধরনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখের মতো। দাম বেশি কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, গরুর লালন-পালন খরচ অনেক বেশি। তাই দাম একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি হাটে জমে ওঠেনি প্রত্যাশিত বেচাকেনা। পশু নিয়ে অপেক্ষায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটের নির্ধারিত মাঠের বাইরে রাস্তার দুই পাশে গরু বাঁধা। এছাড়া মেট্রো স্টেশনের নিচে এবং মেট্রো লাইনের দুই পাশে গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন বেপারিরা। মূল হাটের মাঠের ভিতরে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রাস্তায় গরু নিয়ে দাড়িয়েছেন তারা।
হাটের ইজারাদাররা বলছেন, হাটে গত কয়েক দিনে প্রায় এক লাখ গরু-ছাগল এসেছে। আরো আসতেছে। সব মিলিয়ে হাটে ছোট থেকে সর্বোচ্চ বড় ধরনের পশু রয়েছে। তবে বর্তমানে বড় গরুর ক্রেতা কম। ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হচ্ছে বেশি।
গরু কিনতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি সাধ্যেরে মধ্যে পছন্দমতো গরু কিনতে পেরেছেন। এজন্য তিনি সন্তুষ্ট।
রাজধানীর ধোলাইখালের পাশে রায়সাহেব বাজার থেকে দয়াগঞ্জ মোড় ও লোহারপুর মোড় পর্যন্ত বসেছে গরু-ছাগলের হাট। সড়কের দুই পাশে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু নিয়ে বসেছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ী ও খামারিরা। দেশি জাতের পাশাপাশি উন্নত জাতের পশুও রয়েছে হাটে। কেউ নিজের গরুকে ‘খামারের গরু’ বলে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন, কেউ আবার খাবার ও পরিচর্যার দীর্ঘ বর্ণনা দিয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
সেখানেও গরুর দাম বেশি বলছেন ক্রেতারা। পুরনা ঢাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তবে বাজারে গরুর সংগ্রহ ভালো আছে। আমরা এখন বাজার দেখে যাচ্ছি। সম্ভব হলে দুই-একদিন পরে কিনব। কারণ বাসায় আগে গরু রাখাটা ঝামেলা।’

কুষ্টিয়া থেকে গরু নিয়ে আসা গরু বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি। কারণ খড়, ভুসি, খৈল, কাঁচা ঘাস সব খাবারের দাম বেড়েছে। এছাড়া পরিবহন খরচ ও শ্রমিক খরচও আগের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কম দামে বিক্রি করা কঠিন।’
একই ধরনের মন্তব্য করেন পাবনা থেকে আসা আরেক বিক্রেতা রমিজ আলী। তিনি বলেন, ‘একটা গরু বড় করতে অনেক খরচ হয়। খাবারের দাম যেভাবে বেড়েছে, সেখানে আগের দামে গরু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।’

কোরবানির বর্জ্য সরাতে প্রস্তুত ডিএসসিসির সাড়ে ১৩ হাজার কর্মী
বিশ্বের সবচেয়ে দামি গরু হিসেবে গিনেস বুকে ভিয়াতিনা-১৯


