‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক
বিশেষ প্রতিনিধি

‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম খান।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরীর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালীর উদ্বোধনকালে একথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ইতিমধ্যেই ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন রাখার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন এবং ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুশাসন জারি করেছেন। অনুশাসন জারির পর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ শুরু করেছে এবং ঢাকা শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত এবং মশা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্কুল কলেজের মধ্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে এ কার্যক্রম চলমান আছে এবং অব্যাহত আছে। এ কার্যক্রমে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয় প্রতিটি পাড়া মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, চলার পথে আপনার হাতে থাকা টিস্যু, ছোট পানির বোতল একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলবেন। আমরা আপনাদের একটা সুন্দর নগর উপহার দিতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যাদের বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা জরিমানা করবো। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যোগদান করেছেন। তাদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করবো।
অনুষ্ঠানে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম খান।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরীর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালীর উদ্বোধনকালে একথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ইতিমধ্যেই ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন রাখার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন এবং ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুশাসন জারি করেছেন। অনুশাসন জারির পর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ শুরু করেছে এবং ঢাকা শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত এবং মশা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্কুল কলেজের মধ্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে এ কার্যক্রম চলমান আছে এবং অব্যাহত আছে। এ কার্যক্রমে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয় প্রতিটি পাড়া মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, চলার পথে আপনার হাতে থাকা টিস্যু, ছোট পানির বোতল একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলবেন। আমরা আপনাদের একটা সুন্দর নগর উপহার দিতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যাদের বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা জরিমানা করবো। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যোগদান করেছেন। তাদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করবো।
অনুষ্ঠানে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক
বিশেষ প্রতিনিধি

‘ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা’ গঠনে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম খান।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরীর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালীর উদ্বোধনকালে একথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ইতিমধ্যেই ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন রাখার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন এবং ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুশাসন জারি করেছেন। অনুশাসন জারির পর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ শুরু করেছে এবং ঢাকা শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত এবং মশা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্কুল কলেজের মধ্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে এ কার্যক্রম চলমান আছে এবং অব্যাহত আছে। এ কার্যক্রমে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয় প্রতিটি পাড়া মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, চলার পথে আপনার হাতে থাকা টিস্যু, ছোট পানির বোতল একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলবেন। আমরা আপনাদের একটা সুন্দর নগর উপহার দিতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যাদের বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা জরিমানা করবো। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যোগদান করেছেন। তাদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করবো।
অনুষ্ঠানে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ







