অরক্ষিত রাজধানীর ৫ রিটেনশন পন্ড, বাড়ছে জলাবদ্ধতা

অরক্ষিত রাজধানীর ৫ রিটেনশন পন্ড, বাড়ছে জলাবদ্ধতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা দুই দিনের অতিভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজধানীবাসীর জনজীবন। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, শুধু অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতই নয়, বরং পরিকল্পিত পানি ধারণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার ঘাটতিই ঢাকাকে ক্রমশ স্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে। বহু বছর আগে নির্ধারিত পাঁচটি স্থায়ী জলাধার (রিটেনশন পন্ড) যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সর্বশেষ ভারী বর্ষণে জুরাইন, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, লালবাগ, আজিমপুর, পলাশী, গুলশান, ধানমন্ডি, খিলগাঁও, মতিঝিল ও আরামবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আবাসিক হল এলাকার বিস্তীর্ণ অংশও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও সড়কের পানি দ্রুত লেকে প্রবাহিত হতে গিয়ে ফুটপাত পর্যন্ত ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বর্ষার দিনের সংখ্যা কমলেও অল্প সময়ে বৃষ্টির তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থা এত বিপুল পরিমাণ পানি দ্রুত সরিয়ে নিতে পারছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, অনেক এলাকায় পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি খোলা মাটি, জলাভূমি ও পানি শোষণক্ষম স্থান কমে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন রিটেনশন পয়েন্ট, আউটলেট এবং স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ড্রেন বা খাল পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। অতিভারী বৃষ্টির পানি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য বড় আকারের স্থায়ী জলাধার অপরিহার্য। অথচ ১৯৯৫ সালে প্রণীত ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা রোধে পাঁচটি রিটেনশন পন্ড সংরক্ষণের সুপারিশ করা হলেও বাস্তবে অধিকাংশ এলাকাই দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে হারিয়ে গেছে।
পরবর্তী সময়ে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) অনুযায়ী, কল্যাণপুর, গোড়ান-চটবাড়ি, নাসিরাবাদ, বেরাইদ ও উত্তরখানে বৃহৎ জলাধার সংরক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এসব জলাধারের উদ্দেশ্য ছিল অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এসব এলাকার বড় অংশে আবাসন ও বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।
রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, রিটেনশন পন্ডগুলো পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি। এগুলো শুধু জলাবদ্ধতা কমাবে না, বরং নগরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনাবিদরা সতর্ক করে বলছেন, ঢাকার উন্মুক্ত স্থান, খাল ও জলাশয় যেভাবে কমে যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি তীব্র পানি সংকটও দেখা দিতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, পানি নিষ্কাশন ও পানি ধারণ-দুই ব্যবস্থাকেই সমান গুরুত্ব না দিলে রাজধানীকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে, নগর গবেষক ও স্থপতিরা বলছেন, রিটেনশন পন্ড হিসেবে নির্ধারিত এলাকাগুলোর জমির মূল্য ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে যত সময় গড়াবে, এসব জমি অধিগ্রহণ ও পুনরুদ্ধার তত বেশি ব্যয়বহুল এবং কঠিন হয়ে উঠবে। তাই রাজধানীকে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা সংকট থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিকল্প নেই।

টানা দুই দিনের অতিভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজধানীবাসীর জনজীবন। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, শুধু অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতই নয়, বরং পরিকল্পিত পানি ধারণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার ঘাটতিই ঢাকাকে ক্রমশ স্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে। বহু বছর আগে নির্ধারিত পাঁচটি স্থায়ী জলাধার (রিটেনশন পন্ড) যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সর্বশেষ ভারী বর্ষণে জুরাইন, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, লালবাগ, আজিমপুর, পলাশী, গুলশান, ধানমন্ডি, খিলগাঁও, মতিঝিল ও আরামবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আবাসিক হল এলাকার বিস্তীর্ণ অংশও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও সড়কের পানি দ্রুত লেকে প্রবাহিত হতে গিয়ে ফুটপাত পর্যন্ত ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বর্ষার দিনের সংখ্যা কমলেও অল্প সময়ে বৃষ্টির তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থা এত বিপুল পরিমাণ পানি দ্রুত সরিয়ে নিতে পারছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, অনেক এলাকায় পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি খোলা মাটি, জলাভূমি ও পানি শোষণক্ষম স্থান কমে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন রিটেনশন পয়েন্ট, আউটলেট এবং স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ড্রেন বা খাল পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। অতিভারী বৃষ্টির পানি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য বড় আকারের স্থায়ী জলাধার অপরিহার্য। অথচ ১৯৯৫ সালে প্রণীত ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা রোধে পাঁচটি রিটেনশন পন্ড সংরক্ষণের সুপারিশ করা হলেও বাস্তবে অধিকাংশ এলাকাই দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে হারিয়ে গেছে।
পরবর্তী সময়ে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) অনুযায়ী, কল্যাণপুর, গোড়ান-চটবাড়ি, নাসিরাবাদ, বেরাইদ ও উত্তরখানে বৃহৎ জলাধার সংরক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এসব জলাধারের উদ্দেশ্য ছিল অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এসব এলাকার বড় অংশে আবাসন ও বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।
রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, রিটেনশন পন্ডগুলো পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি। এগুলো শুধু জলাবদ্ধতা কমাবে না, বরং নগরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনাবিদরা সতর্ক করে বলছেন, ঢাকার উন্মুক্ত স্থান, খাল ও জলাশয় যেভাবে কমে যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি তীব্র পানি সংকটও দেখা দিতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, পানি নিষ্কাশন ও পানি ধারণ-দুই ব্যবস্থাকেই সমান গুরুত্ব না দিলে রাজধানীকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে, নগর গবেষক ও স্থপতিরা বলছেন, রিটেনশন পন্ড হিসেবে নির্ধারিত এলাকাগুলোর জমির মূল্য ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে যত সময় গড়াবে, এসব জমি অধিগ্রহণ ও পুনরুদ্ধার তত বেশি ব্যয়বহুল এবং কঠিন হয়ে উঠবে। তাই রাজধানীকে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা সংকট থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিকল্প নেই।

অরক্ষিত রাজধানীর ৫ রিটেনশন পন্ড, বাড়ছে জলাবদ্ধতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা দুই দিনের অতিভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজধানীবাসীর জনজীবন। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, শুধু অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতই নয়, বরং পরিকল্পিত পানি ধারণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার ঘাটতিই ঢাকাকে ক্রমশ স্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে। বহু বছর আগে নির্ধারিত পাঁচটি স্থায়ী জলাধার (রিটেনশন পন্ড) যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সর্বশেষ ভারী বর্ষণে জুরাইন, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, লালবাগ, আজিমপুর, পলাশী, গুলশান, ধানমন্ডি, খিলগাঁও, মতিঝিল ও আরামবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আবাসিক হল এলাকার বিস্তীর্ণ অংশও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও সড়কের পানি দ্রুত লেকে প্রবাহিত হতে গিয়ে ফুটপাত পর্যন্ত ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বর্ষার দিনের সংখ্যা কমলেও অল্প সময়ে বৃষ্টির তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থা এত বিপুল পরিমাণ পানি দ্রুত সরিয়ে নিতে পারছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, অনেক এলাকায় পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি খোলা মাটি, জলাভূমি ও পানি শোষণক্ষম স্থান কমে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন রিটেনশন পয়েন্ট, আউটলেট এবং স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ড্রেন বা খাল পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। অতিভারী বৃষ্টির পানি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য বড় আকারের স্থায়ী জলাধার অপরিহার্য। অথচ ১৯৯৫ সালে প্রণীত ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা রোধে পাঁচটি রিটেনশন পন্ড সংরক্ষণের সুপারিশ করা হলেও বাস্তবে অধিকাংশ এলাকাই দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে হারিয়ে গেছে।
পরবর্তী সময়ে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) অনুযায়ী, কল্যাণপুর, গোড়ান-চটবাড়ি, নাসিরাবাদ, বেরাইদ ও উত্তরখানে বৃহৎ জলাধার সংরক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এসব জলাধারের উদ্দেশ্য ছিল অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এসব এলাকার বড় অংশে আবাসন ও বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।
রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, রিটেনশন পন্ডগুলো পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি। এগুলো শুধু জলাবদ্ধতা কমাবে না, বরং নগরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনাবিদরা সতর্ক করে বলছেন, ঢাকার উন্মুক্ত স্থান, খাল ও জলাশয় যেভাবে কমে যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি তীব্র পানি সংকটও দেখা দিতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, পানি নিষ্কাশন ও পানি ধারণ-দুই ব্যবস্থাকেই সমান গুরুত্ব না দিলে রাজধানীকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে, নগর গবেষক ও স্থপতিরা বলছেন, রিটেনশন পন্ড হিসেবে নির্ধারিত এলাকাগুলোর জমির মূল্য ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে যত সময় গড়াবে, এসব জমি অধিগ্রহণ ও পুনরুদ্ধার তত বেশি ব্যয়বহুল এবং কঠিন হয়ে উঠবে। তাই রাজধানীকে ভবিষ্যতের জলাবদ্ধতা সংকট থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিকল্প নেই।

বৃষ্টিতে ডুবলো ঢাকা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী


