বাড়ছে শুকনো খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম

বাড়ছে শুকনো খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় খুচরা বাজারে শুকনো খাদ্যসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যদিও দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই ও আছদগঞ্জে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, তবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও পণ্য সরবরাহে বিলম্বের প্রভাব ইতোমধ্যে খুচরা বাজারে পড়তে শুরু করেছে। বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা বাজারে আসতে পারছেন না। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে কেনা পণ্য সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। অন্যদিকে, পরিবহন সংকটের কারণে প্রতি বস্তা পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রমেও বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বিশেষ করে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল, পার্বত্য তিন জেলা এবং কক্সবাজারমুখী এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়া, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। একইভাবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কাপ্তাইমুখী সড়কেও বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীল থাকলেও শুকনো খাদ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চিড়া, মুড়ি, খোলা সেমাই, শুকনো খেজুর, বিস্কুট, নুডলস ও মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২৫ কেজির এক বস্তা সাধারণ মানের চিড়ার দাম ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৩০০ টাকায় উঠেছে। মুড়ির দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩০ কেজির এক টুকরি খোলা সেমাইয়ের দাম ৯০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া মানভেদে শুকনো খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সন্দ্বীপের ব্যবসায়ীরা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম থেকে পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত পণ্য পৌঁছাচ্ছে না। ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং পাইকারি পর্যায়ে কিছু পণ্যের দাম সামান্য বাড়াতে হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত খুচরা বাজারে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বন্যাকবলিত এলাকায় রান্না করা খাবারের পরিবর্তে শুকনো খাদ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রমেও চিড়া, মুড়ি, সেমাই, নুডলস ও শুকনো খাবারের ব্যবহার বাড়ায় এসব পণ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, আটা ও ময়দার চাহিদাও কিছুটা বেড়েছে। যদিও পাইকারি বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি, তবু পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে সয়াবিন তেল, পাম অয়েল, চিনি, পেঁয়াজ এবং বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বাড়তি পরিবহন খরচের কারণে এসব পণ্যও খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি গড়ে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় খুচরা বাজারে শুকনো খাদ্যসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যদিও দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই ও আছদগঞ্জে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, তবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও পণ্য সরবরাহে বিলম্বের প্রভাব ইতোমধ্যে খুচরা বাজারে পড়তে শুরু করেছে। বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা বাজারে আসতে পারছেন না। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে কেনা পণ্য সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। অন্যদিকে, পরিবহন সংকটের কারণে প্রতি বস্তা পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রমেও বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বিশেষ করে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল, পার্বত্য তিন জেলা এবং কক্সবাজারমুখী এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়া, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। একইভাবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কাপ্তাইমুখী সড়কেও বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীল থাকলেও শুকনো খাদ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চিড়া, মুড়ি, খোলা সেমাই, শুকনো খেজুর, বিস্কুট, নুডলস ও মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২৫ কেজির এক বস্তা সাধারণ মানের চিড়ার দাম ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৩০০ টাকায় উঠেছে। মুড়ির দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩০ কেজির এক টুকরি খোলা সেমাইয়ের দাম ৯০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া মানভেদে শুকনো খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সন্দ্বীপের ব্যবসায়ীরা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম থেকে পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত পণ্য পৌঁছাচ্ছে না। ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং পাইকারি পর্যায়ে কিছু পণ্যের দাম সামান্য বাড়াতে হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত খুচরা বাজারে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বন্যাকবলিত এলাকায় রান্না করা খাবারের পরিবর্তে শুকনো খাদ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রমেও চিড়া, মুড়ি, সেমাই, নুডলস ও শুকনো খাবারের ব্যবহার বাড়ায় এসব পণ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, আটা ও ময়দার চাহিদাও কিছুটা বেড়েছে। যদিও পাইকারি বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি, তবু পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে সয়াবিন তেল, পাম অয়েল, চিনি, পেঁয়াজ এবং বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বাড়তি পরিবহন খরচের কারণে এসব পণ্যও খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি গড়ে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাড়ছে শুকনো খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় খুচরা বাজারে শুকনো খাদ্যসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যদিও দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই ও আছদগঞ্জে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, তবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও পণ্য সরবরাহে বিলম্বের প্রভাব ইতোমধ্যে খুচরা বাজারে পড়তে শুরু করেছে। বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা বাজারে আসতে পারছেন না। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে কেনা পণ্য সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। অন্যদিকে, পরিবহন সংকটের কারণে প্রতি বস্তা পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রমেও বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বিশেষ করে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল, পার্বত্য তিন জেলা এবং কক্সবাজারমুখী এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়া, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। একইভাবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কাপ্তাইমুখী সড়কেও বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীল থাকলেও শুকনো খাদ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চিড়া, মুড়ি, খোলা সেমাই, শুকনো খেজুর, বিস্কুট, নুডলস ও মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২৫ কেজির এক বস্তা সাধারণ মানের চিড়ার দাম ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৩০০ টাকায় উঠেছে। মুড়ির দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩০ কেজির এক টুকরি খোলা সেমাইয়ের দাম ৯০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া মানভেদে শুকনো খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সন্দ্বীপের ব্যবসায়ীরা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম থেকে পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত পণ্য পৌঁছাচ্ছে না। ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এবং পাইকারি পর্যায়ে কিছু পণ্যের দাম সামান্য বাড়াতে হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত খুচরা বাজারে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বন্যাকবলিত এলাকায় রান্না করা খাবারের পরিবর্তে শুকনো খাদ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রমেও চিড়া, মুড়ি, সেমাই, নুডলস ও শুকনো খাবারের ব্যবহার বাড়ায় এসব পণ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, আটা ও ময়দার চাহিদাও কিছুটা বেড়েছে। যদিও পাইকারি বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি, তবু পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে সয়াবিন তেল, পাম অয়েল, চিনি, পেঁয়াজ এবং বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বাড়তি পরিবহন খরচের কারণে এসব পণ্যও খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি গড়ে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বেড়েছে মুরগির দাম, মাছ-সবজি আগের মতোই


