স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ

স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতা ও নীতিমালার দাবিতে রাজধানীর বনানীতে সড়ক অবরোধ করেছেন ‘বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি’র নেতাকর্মীরা। রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভকালে সড়ক বন্ধ করে দেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
এর আগে, মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন। সেগুলো হলো–
১. আদালতের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে কোনো বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা,
২. এ খাতে বিনিয়োগ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষা করা,
৩. আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্লিপার বাস পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন,
৪. ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধান,
৫. আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে অযৌক্তিক জরিমানা, তল্লাশি ও গাড়ি আটক বন্ধ করা এবং
৬. সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্লিপার বাসকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা।
পরবর্তীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান সমিতির সভাপতি আফতাব উদ্দিন মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজন নেতা।
সমিতির নেতারা জানান, স্লিপার বাস খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া চালক, হেলপার, সুপারভাইজার ও মেকানিকসহ হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া বাস চলাচল বন্ধ করা হলে মালিক ও শ্রমিকরা আর্থিক সংকটে পড়বেন। তাই স্লিপার বাস বন্ধ না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এর কারিগরি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এ জন্য বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইশরাকুল কবীর বলেন, স্লিপার কোচের মালিক ও কর্মচারীরা বাস চালানোর অনুমোদনের দাবিতে বনানী সেতু ভবনের সামনের সড়কে আন্দোলন করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতা ও নীতিমালার দাবিতে রাজধানীর বনানীতে সড়ক অবরোধ করেছেন ‘বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি’র নেতাকর্মীরা। রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভকালে সড়ক বন্ধ করে দেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
এর আগে, মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন। সেগুলো হলো–
১. আদালতের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে কোনো বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা,
২. এ খাতে বিনিয়োগ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষা করা,
৩. আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্লিপার বাস পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন,
৪. ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধান,
৫. আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে অযৌক্তিক জরিমানা, তল্লাশি ও গাড়ি আটক বন্ধ করা এবং
৬. সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্লিপার বাসকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা।
পরবর্তীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান সমিতির সভাপতি আফতাব উদ্দিন মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজন নেতা।
সমিতির নেতারা জানান, স্লিপার বাস খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া চালক, হেলপার, সুপারভাইজার ও মেকানিকসহ হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া বাস চলাচল বন্ধ করা হলে মালিক ও শ্রমিকরা আর্থিক সংকটে পড়বেন। তাই স্লিপার বাস বন্ধ না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এর কারিগরি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এ জন্য বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইশরাকুল কবীর বলেন, স্লিপার কোচের মালিক ও কর্মচারীরা বাস চালানোর অনুমোদনের দাবিতে বনানী সেতু ভবনের সামনের সড়কে আন্দোলন করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতা ও নীতিমালার দাবিতে রাজধানীর বনানীতে সড়ক অবরোধ করেছেন ‘বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি’র নেতাকর্মীরা। রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভকালে সড়ক বন্ধ করে দেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
এর আগে, মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন। সেগুলো হলো–
১. আদালতের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে কোনো বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা,
২. এ খাতে বিনিয়োগ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষা করা,
৩. আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্লিপার বাস পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন,
৪. ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধান,
৫. আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে অযৌক্তিক জরিমানা, তল্লাশি ও গাড়ি আটক বন্ধ করা এবং
৬. সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্লিপার বাসকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা।
পরবর্তীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান সমিতির সভাপতি আফতাব উদ্দিন মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজন নেতা।
সমিতির নেতারা জানান, স্লিপার বাস খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া চালক, হেলপার, সুপারভাইজার ও মেকানিকসহ হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া বাস চলাচল বন্ধ করা হলে মালিক ও শ্রমিকরা আর্থিক সংকটে পড়বেন। তাই স্লিপার বাস বন্ধ না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এর কারিগরি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এ জন্য বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইশরাকুল কবীর বলেন, স্লিপার কোচের মালিক ও কর্মচারীরা বাস চালানোর অনুমোদনের দাবিতে বনানী সেতু ভবনের সামনের সড়কে আন্দোলন করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কুমিল্লায় যাত্রীবাহী স্লিপার বাসে ভয়াবহ আগুন








