জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ পেলেন বেরোবির পবিত্র

জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ পেলেন বেরোবির পবিত্র
বেরোবি সংবাদদাতা

জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী পবিত্র বর্মন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন।
পবিত্র বর্মন বেরোবির দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায়।
মেক্সট (মনবুকাগাকুশো) স্কলারশিপ জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রদত্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি বৃত্তি। এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সরকারি স্কলারশিপগুলোর একটি এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্মানজনক বৃত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি, সম্পূর্ণ টিউশন ফি, অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা-সংক্রান্ত ব্যয়, মাসিক উপবৃত্তি, আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে থাকতেই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন পবিত্র বর্মন। এরপর ধীরে ধীরে গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। কোনো একটি সমস্যা নিয়ে কাজ করা, নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা থেকেই গবেষণার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয় তার।
অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে পবিত্র বর্মন মেক্সট স্কলারশিপে নির্বাচিত হন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করবেন। সেখানে তিনি অ্যাডভান্সড ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার সিস্টেমস বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রামে অংশ নেবেন।
প্রাপ্ত স্কলারশিপ সনদ অনুযায়ী, তিনি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে মেক্সট স্কলার হিসেবে ভর্তি হবেন। স্কলারশিপের আওতায় তার টিউশন ও ভর্তি ফি মওকুফের পাশাপাশি ভ্রমণ ব্যয় এবং থাকা-খাওয়ার জন্য মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যয়ের সুবিধাও পাবেন তিনি।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে পবিত্র বর্মন বলেন, জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (মেক্সট) স্কলারশিপ পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ ও সৌভাগ্যের বিষয়।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই গবেষণার প্রতি এক ধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়। কোনো একটা সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকা, নিজে নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা, এসবের মধ্যেই এক ধরনের আনন্দ খুঁজে পেতাম। এজন্য ছুটি, অফডে সব মিলিয়ে দিন-রাত নিজের ভালো লাগা থেকেই ল্যাবে কাজগুলো করেছিলাম।
গবেষণার এ যাত্রায় তার থিসিস সুপারভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পবিত্র বর্মন বলেন, উনি যখন যা প্রয়োজন আমাকে সেভাবে কানেক্টেড করে দিয়েছেন এবং আন্তরিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।
জাপানে যাওয়ার লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমার ইচ্ছা ছিল এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ ভালোভাবে শেখার। জাপানে আমি হয়তো সেই সুযোগ পাবো। জাপান সরকারের একজন মেক্সট স্কলার হিসেবে সামনের সেপ্টেম্বর ইনটেক থেকে আমার উচ্চশিক্ষার জার্নি শুরু হবে।
পবিত্র বর্মন আরও বলেন, এই অর্জনের জন্য আমার পরিবার, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ এবং সব শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমি অনেক ভালো শিক্ষকদের সান্নিধ্য পেয়েছি। তাদের কাছে মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।
পবিত্র বর্মনের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক এবং বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক তৈরির জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আমরা তার শুরু করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীর এই অর্জনে আমরা খুবই আনন্দিত। এটা শুধু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, দেশের জন্যও একটি গর্বের ব্যাপার। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র বর্মনের এ অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনাকেও সামনে এনেছে। জাপান সরকারের মেক্সট স্কলারশিপ নিয়ে তার নতুন এ যাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা জোগাবে।

জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী পবিত্র বর্মন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন।
পবিত্র বর্মন বেরোবির দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায়।
মেক্সট (মনবুকাগাকুশো) স্কলারশিপ জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রদত্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি বৃত্তি। এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সরকারি স্কলারশিপগুলোর একটি এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্মানজনক বৃত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি, সম্পূর্ণ টিউশন ফি, অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা-সংক্রান্ত ব্যয়, মাসিক উপবৃত্তি, আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে থাকতেই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন পবিত্র বর্মন। এরপর ধীরে ধীরে গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। কোনো একটি সমস্যা নিয়ে কাজ করা, নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা থেকেই গবেষণার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয় তার।
অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে পবিত্র বর্মন মেক্সট স্কলারশিপে নির্বাচিত হন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করবেন। সেখানে তিনি অ্যাডভান্সড ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার সিস্টেমস বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রামে অংশ নেবেন।
প্রাপ্ত স্কলারশিপ সনদ অনুযায়ী, তিনি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে মেক্সট স্কলার হিসেবে ভর্তি হবেন। স্কলারশিপের আওতায় তার টিউশন ও ভর্তি ফি মওকুফের পাশাপাশি ভ্রমণ ব্যয় এবং থাকা-খাওয়ার জন্য মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যয়ের সুবিধাও পাবেন তিনি।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে পবিত্র বর্মন বলেন, জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (মেক্সট) স্কলারশিপ পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ ও সৌভাগ্যের বিষয়।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই গবেষণার প্রতি এক ধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়। কোনো একটা সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকা, নিজে নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা, এসবের মধ্যেই এক ধরনের আনন্দ খুঁজে পেতাম। এজন্য ছুটি, অফডে সব মিলিয়ে দিন-রাত নিজের ভালো লাগা থেকেই ল্যাবে কাজগুলো করেছিলাম।
গবেষণার এ যাত্রায় তার থিসিস সুপারভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পবিত্র বর্মন বলেন, উনি যখন যা প্রয়োজন আমাকে সেভাবে কানেক্টেড করে দিয়েছেন এবং আন্তরিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।
জাপানে যাওয়ার লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমার ইচ্ছা ছিল এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ ভালোভাবে শেখার। জাপানে আমি হয়তো সেই সুযোগ পাবো। জাপান সরকারের একজন মেক্সট স্কলার হিসেবে সামনের সেপ্টেম্বর ইনটেক থেকে আমার উচ্চশিক্ষার জার্নি শুরু হবে।
পবিত্র বর্মন আরও বলেন, এই অর্জনের জন্য আমার পরিবার, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ এবং সব শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমি অনেক ভালো শিক্ষকদের সান্নিধ্য পেয়েছি। তাদের কাছে মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।
পবিত্র বর্মনের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক এবং বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক তৈরির জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আমরা তার শুরু করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীর এই অর্জনে আমরা খুবই আনন্দিত। এটা শুধু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, দেশের জন্যও একটি গর্বের ব্যাপার। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র বর্মনের এ অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনাকেও সামনে এনেছে। জাপান সরকারের মেক্সট স্কলারশিপ নিয়ে তার নতুন এ যাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা জোগাবে।

জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ পেলেন বেরোবির পবিত্র
বেরোবি সংবাদদাতা

জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপ অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী পবিত্র বর্মন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন।
পবিত্র বর্মন বেরোবির দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায়।
মেক্সট (মনবুকাগাকুশো) স্কলারশিপ জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রদত্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি বৃত্তি। এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সরকারি স্কলারশিপগুলোর একটি এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্মানজনক বৃত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি, সম্পূর্ণ টিউশন ফি, অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা-সংক্রান্ত ব্যয়, মাসিক উপবৃত্তি, আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে থাকতেই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন পবিত্র বর্মন। এরপর ধীরে ধীরে গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। কোনো একটি সমস্যা নিয়ে কাজ করা, নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা থেকেই গবেষণার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয় তার।
অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে পবিত্র বর্মন মেক্সট স্কলারশিপে নির্বাচিত হন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি জাপানের রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করবেন। সেখানে তিনি অ্যাডভান্সড ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার সিস্টেমস বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রামে অংশ নেবেন।
প্রাপ্ত স্কলারশিপ সনদ অনুযায়ী, তিনি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে রিতসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ে মেক্সট স্কলার হিসেবে ভর্তি হবেন। স্কলারশিপের আওতায় তার টিউশন ও ভর্তি ফি মওকুফের পাশাপাশি ভ্রমণ ব্যয় এবং থাকা-খাওয়ার জন্য মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যয়ের সুবিধাও পাবেন তিনি।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে পবিত্র বর্মন বলেন, জাপান সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (মেক্সট) স্কলারশিপ পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ ও সৌভাগ্যের বিষয়।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই গবেষণার প্রতি এক ধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়। কোনো একটা সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকা, নিজে নিজে সমাধান খুঁজে বের করা এবং নতুন কিছু জানার চেষ্টা, এসবের মধ্যেই এক ধরনের আনন্দ খুঁজে পেতাম। এজন্য ছুটি, অফডে সব মিলিয়ে দিন-রাত নিজের ভালো লাগা থেকেই ল্যাবে কাজগুলো করেছিলাম।
গবেষণার এ যাত্রায় তার থিসিস সুপারভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পবিত্র বর্মন বলেন, উনি যখন যা প্রয়োজন আমাকে সেভাবে কানেক্টেড করে দিয়েছেন এবং আন্তরিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।
জাপানে যাওয়ার লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমার ইচ্ছা ছিল এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ ভালোভাবে শেখার। জাপানে আমি হয়তো সেই সুযোগ পাবো। জাপান সরকারের একজন মেক্সট স্কলার হিসেবে সামনের সেপ্টেম্বর ইনটেক থেকে আমার উচ্চশিক্ষার জার্নি শুরু হবে।
পবিত্র বর্মন আরও বলেন, এই অর্জনের জন্য আমার পরিবার, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ এবং সব শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমি অনেক ভালো শিক্ষকদের সান্নিধ্য পেয়েছি। তাদের কাছে মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।
পবিত্র বর্মনের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক এবং বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক তৈরির জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আমরা তার শুরু করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীর এই অর্জনে আমরা খুবই আনন্দিত। এটা শুধু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, দেশের জন্যও একটি গর্বের ব্যাপার। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র বর্মনের এ অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনাকেও সামনে এনেছে। জাপান সরকারের মেক্সট স্কলারশিপ নিয়ে তার নতুন এ যাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে ভারতের আইআইটিতে বেরোবির বাইজিদ







