ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ‘জাতীয় সিরাত সেমিনার ও ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর কুরআন, হাদিস ও সিরাত—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী মোট ৩০ জনের হাতে সর্বমোট দেড় লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন সম্মানিত অতিথি ও আলোচকবৃন্দ।
সেমিনারে সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক শায়খ মুসা আল হাফিজ, মসজিদুত তাকওয়ার খতিব হাফেজ মুফতি সাইফুল ইসলাম, সাবিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মোখতার আহমদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক।
আলোচকরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ একজন শিক্ষার্থীর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। কুরআন, হাদিস ও সিরাত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিভাকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝে এসব মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে সিরাতচর্চাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। একই সঙ্গে তারা ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরির প্রশংসা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশেরও অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকশিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সিরাতচর্চার মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। ডাকসু শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম আয়োজন করছে। একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার চর্চায়ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ফজলে রাব্বী সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ও জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতার কনভেনর হাফেজ তাজিনুর রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে হাফেজ তাজিনুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র কোরআন, হাদিস ও সিরাতের আলোয় শিক্ষার্থীদের জীবন আলোকিত করতেই ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে একটি সুসংগঠিত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা।’
অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হায়দার, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান (খান জসিম), ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ‘জাতীয় সিরাত সেমিনার ও ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর কুরআন, হাদিস ও সিরাত—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী মোট ৩০ জনের হাতে সর্বমোট দেড় লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন সম্মানিত অতিথি ও আলোচকবৃন্দ।
সেমিনারে সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক শায়খ মুসা আল হাফিজ, মসজিদুত তাকওয়ার খতিব হাফেজ মুফতি সাইফুল ইসলাম, সাবিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মোখতার আহমদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক।
আলোচকরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ একজন শিক্ষার্থীর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। কুরআন, হাদিস ও সিরাত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিভাকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝে এসব মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে সিরাতচর্চাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। একই সঙ্গে তারা ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরির প্রশংসা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশেরও অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকশিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সিরাতচর্চার মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। ডাকসু শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম আয়োজন করছে। একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার চর্চায়ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ফজলে রাব্বী সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ও জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতার কনভেনর হাফেজ তাজিনুর রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে হাফেজ তাজিনুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র কোরআন, হাদিস ও সিরাতের আলোয় শিক্ষার্থীদের জীবন আলোকিত করতেই ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে একটি সুসংগঠিত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা।’
অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হায়দার, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান (খান জসিম), ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ‘জাতীয় সিরাত সেমিনার ও ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসু ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর কুরআন, হাদিস ও সিরাত—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী মোট ৩০ জনের হাতে সর্বমোট দেড় লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন সম্মানিত অতিথি ও আলোচকবৃন্দ।
সেমিনারে সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক শায়খ মুসা আল হাফিজ, মসজিদুত তাকওয়ার খতিব হাফেজ মুফতি সাইফুল ইসলাম, সাবিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মোখতার আহমদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক।
আলোচকরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ একজন শিক্ষার্থীর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। কুরআন, হাদিস ও সিরাত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিভাকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝে এসব মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে সিরাতচর্চাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। একই সঙ্গে তারা ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরির প্রশংসা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশেরও অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকশিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সিরাতচর্চার মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। ডাকসু শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম আয়োজন করছে। একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার চর্চায়ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ফজলে রাব্বী সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ও জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতার কনভেনর হাফেজ তাজিনুর রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে হাফেজ তাজিনুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র কোরআন, হাদিস ও সিরাতের আলোয় শিক্ষার্থীদের জীবন আলোকিত করতেই ডাকসুর ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে একটি সুসংগঠিত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা।’
অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হায়দার, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান (খান জসিম), ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।









