বাজেট বরাদ্দে পাঁচ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শেষ অবস্থানে রুয়েট

বাজেট বরাদ্দে পাঁচ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শেষ অবস্থানে রুয়েট
রুয়েট সংবাদদাতা

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দ পেয়েছে। দেশের পাঁচটি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন বরাদ্দ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত নতুন বাজেট অনুযায়ী, দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির জন্য মোট ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
মোট বাজেটের ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে পরিচালন বা রাজস্ব খাতে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে চলমান ৪৩টি প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাজেট বরাদ্দের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে কুয়েট (১২৭ কোটি ৪৫ লাখ), চুয়েট (১১০ কোটি ৪০ লাখ) এবং ডুয়েট (৯৭ কোটি ৬ লাখ টাকা)। তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে রুয়েট, যার বরাদ্দ ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সীমিত বাজেটের কারণে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে জনবল সংকট বিদ্যমান। বিশেষ করে নিরাপত্তা, পরিবহন ও প্রশাসনিক সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
এদিকে নতুন অর্থবছরেও তুলনামূলক কম বরাদ্দ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং গবেষণা কার্যক্রমের চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য আরও বড় বাজেট প্রয়োজন ছিল।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, রুয়েটকে একটি আধুনিক ও গবেষণা বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতে বরাদ্দ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দ পেয়েছে। দেশের পাঁচটি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন বরাদ্দ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত নতুন বাজেট অনুযায়ী, দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির জন্য মোট ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
মোট বাজেটের ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে পরিচালন বা রাজস্ব খাতে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে চলমান ৪৩টি প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাজেট বরাদ্দের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে কুয়েট (১২৭ কোটি ৪৫ লাখ), চুয়েট (১১০ কোটি ৪০ লাখ) এবং ডুয়েট (৯৭ কোটি ৬ লাখ টাকা)। তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে রুয়েট, যার বরাদ্দ ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সীমিত বাজেটের কারণে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে জনবল সংকট বিদ্যমান। বিশেষ করে নিরাপত্তা, পরিবহন ও প্রশাসনিক সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
এদিকে নতুন অর্থবছরেও তুলনামূলক কম বরাদ্দ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং গবেষণা কার্যক্রমের চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য আরও বড় বাজেট প্রয়োজন ছিল।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, রুয়েটকে একটি আধুনিক ও গবেষণা বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতে বরাদ্দ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বাজেট বরাদ্দে পাঁচ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শেষ অবস্থানে রুয়েট
রুয়েট সংবাদদাতা

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দ পেয়েছে। দেশের পাঁচটি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন বরাদ্দ।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত নতুন বাজেট অনুযায়ী, দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির জন্য মোট ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
মোট বাজেটের ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে পরিচালন বা রাজস্ব খাতে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে চলমান ৪৩টি প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাজেট বরাদ্দের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), যার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে কুয়েট (১২৭ কোটি ৪৫ লাখ), চুয়েট (১১০ কোটি ৪০ লাখ) এবং ডুয়েট (৯৭ কোটি ৬ লাখ টাকা)। তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে রুয়েট, যার বরাদ্দ ৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সীমিত বাজেটের কারণে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে জনবল সংকট বিদ্যমান। বিশেষ করে নিরাপত্তা, পরিবহন ও প্রশাসনিক সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
এদিকে নতুন অর্থবছরেও তুলনামূলক কম বরাদ্দ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং গবেষণা কার্যক্রমের চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য আরও বড় বাজেট প্রয়োজন ছিল।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, রুয়েটকে একটি আধুনিক ও গবেষণা বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতে বরাদ্দ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।




