জাবির ধর্ষণচেষ্টা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক

জাবির ধর্ষণচেষ্টা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু এবং এজিএস (নারী) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন।
সাক্ষাৎ শেষে জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বলেন, গত ১২ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী এক বহিরাগত ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সোচ্চার রয়েছেন।
তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও অপরাধী এখনও গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাকসুর পক্ষ থেকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। আমাদের উপস্থিতিতেই মাননীয় মন্ত্রী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
জানা যায়, গত ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এক বহিরাগত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন ধারাবাহিক আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ঘটনার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তবে ঘটনার ২১ দিন অতিক্রম হলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিভাবক হিসেবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, খুব শিগ্গিরই এ ঘটনার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যাবে এবং অপরাধী আইনের আওতায় আসবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু এবং এজিএস (নারী) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন।
সাক্ষাৎ শেষে জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বলেন, গত ১২ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী এক বহিরাগত ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সোচ্চার রয়েছেন।
তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও অপরাধী এখনও গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাকসুর পক্ষ থেকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। আমাদের উপস্থিতিতেই মাননীয় মন্ত্রী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
জানা যায়, গত ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এক বহিরাগত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন ধারাবাহিক আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ঘটনার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তবে ঘটনার ২১ দিন অতিক্রম হলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিভাবক হিসেবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, খুব শিগ্গিরই এ ঘটনার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যাবে এবং অপরাধী আইনের আওতায় আসবে।

জাবির ধর্ষণচেষ্টা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু এবং এজিএস (নারী) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন।
সাক্ষাৎ শেষে জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বলেন, গত ১২ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী এক বহিরাগত ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সোচ্চার রয়েছেন।
তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও অপরাধী এখনও গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাকসুর পক্ষ থেকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। আমাদের উপস্থিতিতেই মাননীয় মন্ত্রী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
জানা যায়, গত ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এক বহিরাগত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে জাকসুসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন ধারাবাহিক আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ঘটনার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তবে ঘটনার ২১ দিন অতিক্রম হলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিভাবক হিসেবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, খুব শিগ্গিরই এ ঘটনার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যাবে এবং অপরাধী আইনের আওতায় আসবে।




